করোনাকালে জার্মানিতে পরীক্ষামূলক কনসার্ট | বিশ্ব | DW | 24.08.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

করোনাকালে জার্মানিতে পরীক্ষামূলক কনসার্ট

করোনাকে দূরে রেখে বড় আঙ্গিকে কদনসার্ট আয়োজন করা যায় কিনা তার একটা পরীক্ষা হয়ে গেল জার্মানিতে৷ ফল ভালো হলে ভবিষ্যতে নিয়মিতই হবে এমন কনসার্ট৷

করোনা সংক্রমণ শুরুর পর থেকেই জার্মানির বিনোদন জগত বলতে গেলে বন্ধ৷ খেলধুলা, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, গানের অনুষ্ঠানসহ সবই পুরোপুরি বন্ধ ছিল দীর্ঘদিন৷ বন্ধ ছিল সব সিনেমা হল, স্টেডিয়াম৷ এখন ধীরে ধীরে শুরু হচ্ছে খেলাধুলা৷ তবে কোনো আয়োজনেই থাকছে না দর্শক৷

এভাবে কতদিন বন্ধ থাকবে বিনোদন জগত? এই খাত যে অনেক মানুষের রুটিরুজির উৎস৷ জার্মানিতে অনুষ্ঠান আয়োজনও একটা শিল্প৷ ১৫ লাখ মানুষ কাজ করেন এই শিল্পে৷ প্রতিবছর প্রায় ১৩ হাজার কোটি ইউরোর রাজস্ব আসে এই খাত থেকে৷

বিনোদন দুনিয়ায় স্বাভাবিক ছন্দ ফেরানোর পরীক্ষামূলক উদ্যোগ হিসেবে গত শনিবার লাইপসিশ আরেনায় আয়োজিত হলো দিনব্যাপী এক কনসার্ট৷ ১৫০০ দর্শনার্থীর এই কনসার্ট সুষ্ঠুভাবে আয়োজন এবং আগতদের তথ্য সংগ্রহ করার কাজ করেছেন চার হাজার ২০০ স্বেচ্ছাসেবী৷

শনিবার সকাল থেকেই বৃষ্টি হয়েছে লাইপসিশে৷ তারপরও দর্শনার্থীর অভাব হয়নি৷ সবাই অবশ্য কনসার্ট উপভোগের সুযোগ পাননি৷ আয়োজকদের শর্ত অনুযায়ী, যারা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে করোনা টেস্ট করিয়েছেন এবং যাদের রিপোর্ট নেগেটিভ, কেবল তারাই পেয়েছেন করোনা কালে জার্মানিতে প্রথম বড় কনসার্ট উপভোগের সুযোগ৷

তবে অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশের আগে শরীরের তাপমাত্রা দেখা হয়েছে প্রত্যেকের৷ তাপমাত্রা যাদের স্বাভাবিক ছিল তাদের হাতে একটা করে এফএফপি২ মাস্ক তুলে দিয়েছে আয়োজকরা৷ অনুষ্ঠান চলার সময় সেই মাস্ক পরে থাকতে হয়েছে প্রত্যেককে৷ এছাড়া একটা করে ‘কন্টাক্ট ট্রেসারও দেয়া হয়েছিল সবাইকে৷

এত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা ছিল বলেই কনসার্টটি থেকে উঠে আসা তথ্যকে গুরুত্ব দিতে রাজি নন অনেক সমালোচক৷ তারা মনে করেন, স্বাভাবিক অবস্থায় মানুষ এভাবে করোনা পরীক্ষা করিয়ে কনসার্টে যায় না, আনন্দে মত্ত অনেকে প্রচুর অ্যালকোহল পান করে আর এফএফপি২ মাস্কও থাকে না কারো মুখে৷ তাদের মতে, কঠোর নিয়মের শৃঙ্খলে আবদ্ধ একটা কনসার্টে করোনার সংক্রমণ না ছড়ালেই সেখান থেকে প্রেরণা নিয়ে আরো অনেক বড় কনসার্ট আয়োজনের চিন্তাটা হাস্যকর৷

কনসার্টের শিল্পী টিম বেন্ডসকো তা মনে করেন না৷ তিনি মনে করেন, উদ্যোগটা খুব ভালো, কারণ, এর মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার অদম্য ইচ্ছা প্রকাশ পেলো৷

শনিবারের কনসার্টের ভেনু লাইপসিশ আরেনার ম্যানেজার এখন শনিবারের কনসার্ট কতটা আশার আলো জাগাতে পারে তা জানার অপেক্ষায়৷ তবে ১৫০০ দর্শনার্থীর সব তথ্য যাচাই করে প্রতিবেদন করা সহজ কাজ নয়৷ তথ্য সংগ্রহের দায়িত্ব পাওয়া ইউনিভার্সিটি মেডিকেল সেন্টার অব হালে জানিয়েছে, কনসার্টটি সম্পর্কে সব তথ্য প্রকাশ  করা হবে আগামী সেপ্টেম্বরে৷

এলিজাবেথ গ্রেনিয়ার/এসিবি

সংশ্লিষ্ট বিষয়