কনসার্ট করে ইতিবাচক শিরোনামে এলো কেমনিৎস | বিশ্ব | DW | 04.09.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি

কনসার্ট করে ইতিবাচক শিরোনামে এলো কেমনিৎস

বিদেশি বিদ্বেষের বিরুদ্ধে বিশাল কনসার্টের মাধ্যমে গত এক সপ্তাহের অশান্তি কিছুটা হলেও ভুলতে পেরেছে কেমনিৎস শহর৷ এদিকে চরম দক্ষিণপন্থি এএফডি দলের উপর নজরদারি বাড়াচ্ছে কর্তৃপক্ষ৷

প্রায় এক সপ্তাহ ধরে অশান্ত পরিবেশের পর অবশেষে ইতিবাচক কারণে সংবাদের শিরোনামে এলো জার্মানির পূর্বাঞ্চলের কেমনিৎস শহর৷ বর্ণবাদ ও বিদেশি বিদ্বেষের বিরুদ্ধে কণ্ঠ জোরালো করতে শহরে আয়োজিত এক কনসার্টে প্রায় ৬৫,০০০ মানুষ উপস্থিত ছিলেন৷ জার্মানির বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় ব্যান্ড সেখানে সংগীত পরিবেশন করে৷ সোমবার বিকালে খোলা আকাশের নীচে বিনামূল্যের এই কনসার্টের মূলমন্ত্র ছিল ‘আমরাই সংখ্যায় বেশি'৷ ক্লাফটক্লুব ব্যান্ডের সংগীতশিল্পী ফেলিক্স ব্রুমার বলেন, ‘‘আমরা এতটা সরল নই যে একটি কনসার্ট আয়োজন করে জগতকে রক্ষা করতে পারি বলে বিশ্বাস করি৷ কিন্তু কখনো কখনো দেখানো প্রয়োজন যে তুমি একা নও৷''

প্রায় এক সপ্তাহ আগে কেমনিৎস শহরে নিহত ব্যক্তির প্রতি শোক প্রকাশ করতে কনসার্টের শুরুতেই এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়৷ শহরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সোমবার ইসলামবিরোধী পেগিডা ও বিদেশি বিদ্বেষী ‘প্রো কেমনিৎস' গোষ্ঠীকে সমাবেশের অনুমতি দেয়নি৷

কেমনিৎস শহরের পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে জার্মান রাজনীতি জগত এখনো উত্তাল রয়েছে৷ ফেডারেল সরকারের মুখপাত্র স্টেফেন সাইবার্ট সোমবার বলেন, কেমনিৎস শহরে নিহত ব্যক্তির উদ্দেশ্যে শোক প্রকাশ করতে চরম দক্ষিণপন্থি ও নব্য নাৎসিদের মিছিল ও হিংসা মোটেই মেনে নেওয়া যায় না৷ শহর ও সমাজ সম্পর্কে তাদের বিন্দুমাত্র মাথাব্যথা নেই৷ উল্লেখ্য, নিহত ব্যক্তির পরিবার তাঁকে ঘিরে চরম দক্ষিণপন্থিদের প্রতিবাদ বিক্ষোভের বিরোধিতা করেছে৷

এএফডি দলের নেতা ইয়োর্গ ময়টেন চরম দক্ষিণপন্থি প্রতিবাদকারীদের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেন৷ তবে ‘হাতে গোনা সামান্য' কয়েকজন ব্যক্তি নির্দোষ অভিবাসীদের উপর যে হামলা চালিয়েছে, তাদের প্রতি দলের সমর্থন দেখাননি তিনি৷ এমনকি যারা নিষিদ্ধ নাৎসি অভিবাদন দেখিয়েছে, তাদের ইচ্ছাকৃতভাবে বাইরে থেকে আনা হয়েছে বলেও সন্দেহ প্রকাশ করেন তিনি৷

এদিকে জার্মান কর্তৃপক্ষ এএফডি দলের উপর নজরদারি বাড়ানোর সিদ্ধান্তের ঘোষণা করেছে৷ চরমপন্থি ও নব্য নাৎসিদের সঙ্গে তাদের নিবিড় সম্পর্ক নিয়ে দুশ্চিন্তার প্রেক্ষাপটে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে৷

বিচারমন্ত্রী কাটারিনা বার্লে বলেন, এএফডি দলের একাংশ খোলামেলাভাবে জার্মান সংবিধান লঙ্ঘন করছে৷ তাদেরও সংবিধানের বাকি শত্রুদের মতো গণ্য করা হবে এবং সেই অনুযায়ী পর্যবেক্ষণ করা হবে৷ উল্লেখ্য, জার্মানির দু'টি রাজ্যে এএফডি দলের যুব শাখার উপর নজরদারি শুরু হয়েছে৷ এএফডি দলের ক্ষতি এড়াতে সেই দু'টি যুব শাখা ভেঙে দেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন