কট্টর ডানপন্থিদের সমর্থন কমাতে চান ম্যার্কেল | বিশ্ব | DW | 15.03.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি

কট্টর ডানপন্থিদের সমর্থন কমাতে চান ম্যার্কেল

চতুর্থবার চ্যান্সেলরের দায়িত্ব নেবার পর জার্মান সরকার প্রধান আঙ্গেলা ম্যার্কেল প্রথম সাক্ষাৎকারেই তাঁর এই মিশনের ঘোষণা দেন৷ 

জাতীয় নির্বাচনে প্রথমবার অংশ নিয়েই এবার জার্মানির কট্টর ডানপন্থি দল অলটারনেটিভ ফর ডয়েচল্যান্ড বা এএফডি ১২ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট পায়, যা তৃতীয় সর্বোচ্চ৷ অন্যদিকে, আঙ্গেলা ম্যার্কেলের সিডিইউ ও জোটভুক্ত মধ্য-বামপন্থি দল এসপিডি বেশ জনসমর্থন হারিয়েছে৷

এএফডি বরাবরই ম্যার্কেলের কড়া সমালোচক৷ অনেক আগে থেকেই তারা ম্যার্কেলকে চ্যান্সেলরের পদ থেকে হটানোর দাবি করে আসছে৷

চতুর্থবার দায়িত্ব নিয়ে তাঁদের সেই কড়া সমালোচনার জবাব দিলেন আঙ্গেলা৷

বুধবার জার্মানির রাষ্ট্রীয় প্রচার মাধ্যম এআরডি'কে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন যে, তাঁর দল যেটুকু জনসমর্থন হারিয়েছে, তা ফের জিততে হবে৷ 

‘‘যারা প্রতিবাদ করতে গিয়ে ঐ দলটিকে ভোট দিয়েছেন, তাদের সমস্যা সমাধান করতে হবে৷'' বলেন ম্যার্কেল৷ ‘‘এর অর্থ হলো, আমাদের লক্ষ্য জার্মান পার্লামেন্ট থেকে এই দলের প্রতিনিধিদের সংখ্যা কমানো৷''

অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে মহাজোট সরকার গঠনের পথ পরিষ্কার করার পরও মাত্র নয় ভোটের ব্যবধানে চতুর্থবার চ্যান্সেলর নির্বাচিত হয়েছেন ম্যার্কেল৷

যদিও কে তাঁকে ভোট দিয়েছেন, কে দেননি তা জানা সম্ভব নয়, তারপরও বোঝাই যায়, তাঁর ক্রিস্টিয়ান ব্লক ও মধ্যবামপন্থি এসপিডি'র জোটের বাইরের সংসদ সদস্যরাই তাঁর বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন৷

জার্মান সংসদ বুন্ডেসটাগে এএফডি'ই এখন সবচেয়ে বড় বিরোধী দল৷ এই দলটির প্রধান সমস্যা হলো, ম্যার্কেলের শরণার্থী নীতি৷ নির্বাচনের আগেও প্রচারণার সময় তারা ম্যার্কেলকে গদি থেকে নামানোর ডাকই দিয়েছিলেন৷

বুধবার সংসদে চ্যান্সেলর নির্বাচনের ভোট অনুষ্ঠিত হবার সময় এএফডির এক নেতার সহকারী দর্শনার্থীদের জন্য নির্ধারিত স্থান থেকে একটি প্ল্যাকার্ড উঁচিয়ে ধরেন, যাতে লেখা ছিল, ‘‘ম্যার্কেলের বিদায় হোক''৷পরে অবশ্য তাকে সরিয়ে নেয়া হয়৷

নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে ম্যার্কেলের বিপক্ষে ভোট দেবেন উল্লেখ করায় এএফডি'র আরেক সংসদ সদস্যও জরিমানা গুনেছেন৷ এএফডি'র সমর্থকদের অনেককেই ‘নিও নাৎসি' বলে ২০১৬ সালে এএফডি'র লাইপসিশ শাখার প্রধানের গাড়ির নাম্বার নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছিল৷ তাঁর গাড়ির নাম্বার ছিল এএইচ১৮১৮৷ ‘এএইচ' হলো অ্যাডলফ হিটলারের নামের আদ্যাক্ষর৷ আর সংখ্যাগুলো হলো প্রথম ও অষ্টম বর্ণ৷ বলা হয়ে থাকে, এই দু'টি বর্ণ নব্য নাৎসিদের একটি কোড৷

জেডএ/এসিবি (এএফডি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন