কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ফটো সাংবাদিকতার প্রশিক্ষণ | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 19.06.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ফটো সাংবাদিকতার প্রশিক্ষণ

বাংলাদেশের রোহিঙ্গা শরণার্থীরা স্থানীয় মিডিয়া স্কুলে ফটোগ্রাফি শিখছেন৷ যেসব শরণার্থী শিবিরে তারা থাকেন সেখানকার অবস্থা এর মাধ্যমে নথিভুক্ত করতে সাহায্য করবেন তারা৷

কুতুপালং শরণার্থী শিবিরে ঘুড়ি উড়াচ্ছে রোহিঙ্গা শিশুরা৷ ছবিটি ২০১৭ সালের ডিসেম্বরের৷

কুতুপালং শরণার্থী শিবিরে ঘুড়ি উড়াচ্ছে রোহিঙ্গা শিশুরা৷ ছবিটি ২০১৭ সালের ডিসেম্বরের৷

এই প্রশিক্ষণকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নিতে পারেন তারা৷ গত চার বছর ধরে কক্সবাজারে দশ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাস করছেন শরণার্থী শিবিরগুলোতে৷ বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বড় শরণার্থী শিবির এটা৷

গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে এখানে ওমর'স ফিল্ম স্কুল প্রতিষ্ঠা হয়৷ এর লক্ষ্য-তরুণ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে ফটোসাংবাদিক হিসেবে গড়ে তোলা৷ ২২ বছর বয়সি রোহিঙ্গা শরণার্থী জামাল আরাকানি৷ সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে তিনি বলেন, ‘‘আমি ফটোগ্রাফিকে পেশা হিসেবে নিতে চাই, এ কারণে আমি শিখছি৷ আমার ছবিগুলোর মাধ্যমে বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে চাই আমরা কীভাবে এখানে বাস করছি৷’’

স্কুলের প্রধান প্রশিক্ষক মোহাম্মদ ফারুক খণ্ডকালীন প্রশিক্ষণ দেন৷ মূলত তিনি বিভিন্ন বিদেশি সংবাদ সংস্থার জন্য ফটোগ্রাফারের কাজ করেন৷ শরণার্থী শিবিরগুলোর ছবি তোলাই তার বর্তমান কাজ৷ ছোট ভাই ওমরকে সাথে নিয়ে এই স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তিনি৷ তার ভাই একজন এনজিও কর্মী এবং সাংবাদিক ছিলেন, যিনি রয়টার্সসহ অনেক খ্যাতনামা সংবাদ সংস্থার হয়ে কাজ করেছেন৷ ২০২০ সালের মে মাসে মারা যান তিনি৷ তার সম্মানেই স্কুলটির নাম রাখা হয়েছে৷

ফারুক রয়টার্সকে বলেন, ‘‘ আমরা তরুণ রোহিঙ্গাদের ভিডিও ও ফটোগ্রাফির প্রশিক্ষণ দিতে চাই৷ আমরা চাই শরণার্থীদের জীবন যাপন কেমন তার রেকর্ড থাকুক৷ আমরা যখন মিয়ানমারে ফিরে যাবো, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দেখাতে পারবো শরণার্থী শিবিরের জীবন কেমন৷’’

ফারুক বর্তমানে ১২ জন শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন, যাদের বয়স ২০ থেকে ২৫ এর মধ্যে৷ সপ্তাহে একদিন ক্লাস হয় এবং এর জন্য কোনো বেতন দিতে হয় না৷ ফারুক চান শিক্ষার্থীদের সংখ্যা আরো বাড়ুক এবং ভবিষ্যতে স্কুলে আরো ক্যামেরা যেন থাকে৷

এপিবি/এফএস (রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়