ওয়াশিংটনে মার্কিন-আফগান বৈঠক | বিশ্ব | DW | 25.06.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

অ্যামেরিকা

ওয়াশিংটনে মার্কিন-আফগান বৈঠক

অ্যামেরিকা আফগানিস্তান থেকে সেনা সরানোর আগে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসছেন বাইডেন-গনি।

শুক্রবার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি। ওয়াশিংটনে পৌঁছে গেছেন গনি। শুক্রবারের বৈঠকে বাইডেনের কাছে আফগানিস্তানের জন্য একাধিক সাহায্য চাইতে পারেন তিনি। তবে অ্যামেরিকা আফগানিস্তানকে কতটা সাহায্য করবে, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে বিভিন্ন মহল।

অ্যামেরিকা সহ ন্যাটো বাহিনী আফগানিস্তান থেকে সৈন্য সরাতে শুরু করে দিয়েছে। বাইডেন জানিয়েছেন, ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সমস্ত সৈন্য সরিয়ে নেওয়া হবে। তালেবানের সঙ্গে চুক্তি মেনেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে অ্যামেরিকা। কিন্তু সমস্যা হলো, ন্যাটো সৈন্য যত সরিয়ে নিচ্ছে, আফগানিস্তানে ততই শক্তিবৃদ্ধি করছে তালেবান। মে মাসের মধ্যে দেশের প্রায় ৫০টি অঞ্চল তারা দখল করে নিয়েছে। আফগানিস্তানে অ্যামেরিকার স্পেশাল এনভয় ডেবোরা লিয়ন সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, আফগানিস্তানে ৩৭০টি জেলা আছে, তার মধ্যে ৫০টিরও বেশি তালেবান দখল করে নিয়েছে। আঞ্চলিক রাজধানীগুলিকে প্রায় ঘিরে ফেলেছে তারা। শক্তিবৃদ্ধি করে সেই অঞ্চলগুলিও তারা যে কোনো সময় দখল করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

এই পরিস্থিতিতে বাইডেনের সঙ্গে বৈঠক গনির। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, সেনা সরানোর পরেও অ্যামেরিকা যাতে আফগান সরকারের পাশে থাকে সে আবেদন জানাবেন গনি। পাশাপাশি অর্থ সাহায্যও চাইতে পারেন। তবে বাইডেন এ বিষয়ে তাকে কতটা আশ্বস্ত করবেন, তা নিয়ে সংশয় আছে। অ্যামেরিকা মনে করে, অনেক আগেই আফগান সরকার শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারত। কিন্তু সে কাজ তারা করেনি। আফগানিস্তান থেকে সেনা সরানোর বিষয়টিকেও বাইডেন স্থগিত করবেন বলে মনে করছেন না বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞদের একাংশের ধারণা, শক্তি থাকলেও আঞ্চলিক রাজধানীগুলি তালেবান এই মুহূর্তে দখল করবে না। বিদেশি সেনা দেশ ছেড়ে যাওয়ার আগে তারা এ ভাবেই শক্তি বৃদ্ধি করতে থাকবে। সেপ্টেম্বরে বিদেশি সেনা চলে গেলে গোটা দেশেরই দখল নিতে পারে তারা। বস্তুত, কাবুলেরও দখল নেওয়ার ক্ষমতা এখন তাদের আছে বলে মনে করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আফগান সরকার তালেবানের সঙ্গে শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু তালেবান উল্টো আক্রমণ আরো বাড়িয়েছে। তালেবানের সঙ্গে শান্তিচুক্তিতে গনি অ্যামেরিকাকে মধ্যস্থতা করতে বলতে পারে বলেও মনে করছেন অনেকে।

এসজি/জিএইচ (রয়টার্স, এপি)