ওয়াশিংটনের অভিযোগ তেহরানের অস্বীকার  | বিশ্ব | DW | 14.06.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ইরান

ওয়াশিংটনের অভিযোগ তেহরানের অস্বীকার 

বৃহস্পতিবার আবার পারস্য উপসাগরে পেট্রোলিয়ামবাহী জাহাজের উপর হামলার ফলে ইরানে ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে৷ ওয়াশিংটন সরাসরি তেহরানকে দায়ী করলেও ইরান অভিযোগ অস্বীকার করেছে৷

বৃহস্পতিবার পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালীতে নরওয়ে ও জাপানের পেট্রোলিয়ামবাহী ট্যাংকার জাহাজের উপর বিস্ফোরক ব্যবহার করে হামলা চালানো হয়েছে৷ ঘটনার পর নাবিকদের উদ্ধার করা হয়েছে৷ জাহাজদুটির ক্ষতি সত্ত্বেও কোনো তরল সমুদ্রে বেরিয়ে আসার ঝুঁকি নেই বলে জানা গেছে৷

মার্কিন সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে৷ ওয়াশিংটনের দাবি, তাতে দেখা যাচ্ছে ইরানের একটি ছোট জাহাজের নাবিকেরা কীভাবে এমটি কোকুকা নামের ট্যাংকার থেকে অবিস্ফোরিত একটি মাইন সরিয়ে ফেলছে৷ সেনাবাহিনীর মুখপাত্র বিল আর্বান সেই ভিডিও দেখিয়ে আরও বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার আঞ্চলিক সহযোগীরা নিজ স্বার্থ রক্ষায় সব পদক্ষেপ নেবে৷ তাঁর মতে, এই হামলার ঘটনা অবাধ যাতায়াত ও বাণিজ্যের আন্তর্জাতিক অধিকারের উপর স্পষ্ট হুমকি৷

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও নিজেও সরাসরি ইরানকে এই হামলার জন্য দায়ী করেছেন৷ গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে তিনি এ দাবী করছেন৷ হামলায় যে ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে এবং যে নিপুণতার সঙ্গে এই অভিযান চালানো হয়েছে, তার মধ্যে ইরান ও তার ‘ভাড়াটে' সহযোগীদের হাত রয়েছে বলে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে৷ তারা আগেও এমন হামলা চালিয়েছে৷ পম্পেও অবশ্য কোনো প্রমাণ পেশ করেন নি এবং এ বিষয়ে সাংবাদিকদের কোনো প্রশ্নের উত্তর দেন নি৷

ইরান এই অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে৷ জাতিসংঘে ইরানের দূতাবাস এক বিবৃতিতে অ্যামেরিকা ও সহযোগী দেশগুলির বিরুদ্ধে যুদ্ধের দামামা বাজানোর অভিযোগ করেছে৷ অ্যামেরিকার অর্থনৈতিক যুদ্ধ ও ইরানের মানুষের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদ এবং গোটা অঞ্চলে ওয়াশিংটনের বিশাল মাত্রায় সামরিক সজ্জাই পারস্য উপসাগর অঞ্চলে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বিপন্ন করে চলেছে বলে ইরান অভিযোগ করেছে৷ 

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভাদ জরিফ জাপানের ট্যাংকার জাহাজকে ঘিরে এই ঘটনার দিনক্ষণ সম্পর্কে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন৷ উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবারই তেহরানে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে ও ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ খামেনেই-এর মধ্যে আলোচনা হয়েছে৷ আবে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা চালানোর চেষ্টা করছেন৷

শুক্রবার ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, হোরমুজ প্রণালীতে নিরাপত্তার দায়িত্ব সে দেশের হাতেই রয়েছে৷ রাষ্ট্রীয় রেডিওতে আরও বলা হয়েছে, যে ইরানকে ওমান উপসাগরে দুটি পেট্রোলিয়ামবাহী জাহাজের উপর হামলার জন্য দায়ী করা ভীতিকর ঘটনা৷ ইরানই আক্রান্ত জাহাজের নাবিকদের অত্যন্ত দ্রুত উদ্ধার করেছে বলে মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে৷

এসবি/কেএম (ডিপিএ, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন