‘ওহায়োর বন্দুকধারী সহিংস আদর্শে আগ্রহী′ | বিশ্ব | DW | 07.08.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

যুক্তরাষ্ট্র

‘ওহায়োর বন্দুকধারী সহিংস আদর্শে আগ্রহী'

নিহত নয়জনের ছয়জনই কৃষ্ণাঙ্গ৷ তবে হত্যাকারীর বোনও মারা যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ওহায়ো রাজ্যের হত্যাকাণ্ডের পেছনে ‘বর্ণবাদ' কাজ করেছে এমনটি এখনই বলতে পারছে না এফবিআই৷ উদ্দেশ্য জানার জন্য তদন্ত শুরু হয়েছে৷

রোববার রাত সোয়া একটার দিকে ওহায়ো রাজ্যের ডেটন শহরের এক বারের সামনের লোকজনদের ওপর এক বন্দুকধারী এলোপাতাড়ি গুলি চালায়৷ পুলিশ আসার আগে গুলিতে মারা যায় নয়জন৷ পরে পুলিশের গুলিতে বন্দুকধারীরও মৃত্যু হয়৷

সেই হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্য জানতে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই তদন্ত শুরু করেছে৷ প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ২৪ বছর বয়সি ওই হত্যাকারী ‘সহিংস আদর্শ' পছন্দ করতেন৷ তবে এফবিআই এজেন্ট টড উইকারহ্যাম জানান, বর্ণবাদী চেতনা থেকে হত্যাকাণ্ড চালানোর কোনো প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি৷

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদ মাধ্যমকে হত্যাকারীর বন্ধুরা জানিয়েছেন, হত্যাকারী নারীবিদ্বেষী ছিলেন, মেয়েদের ‘হিট লিস্ট' করার অভিযোগে স্কুল থেকে বহিস্কার করা হয়েছিল তাকে৷ পরে একটি হেভিমেটাল ব্যান্ডে যোগ দিয়েছিলেন তিনি৷ ব্যান্ডের নাম ‘মেনস্ট্রুয়াল মানচিজ'৷ জানা গেছে, সেই ব্যান্ডের অনেক গানেই থাকতো নারীদের তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা এবং নারীর বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানোর মতো কথা৷ হত্যাকারীর এক সহশিল্পী ভাইস নিউজকে জানান, হত্যাকারীও একটা গান গেয়েছিলেন, যে গানের কথা ছিল, ‘‘সিক্স ওয়েজ অব ফিমেল বুচারি'৷ সেই বন্ধু অবশ্য দাবি করেছেন, গানগুলো সিরিয়াস কিছু ছিল না, সবই ছিল বিনোদন৷

রোববার আরেক বন্দুকধারীর হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের এল পাসোতে ২২ জন মারা যায়৷ বুধবার দুটি হত্যাকাণ্ডস্থলই দেখতে যাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প৷

এসিবি/কেএম (এপি, এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন