ঐতিহাসিক পরিবেশ চুক্তির পথে জাতিসংঘের প্রথম পদক্ষেপ | বিশ্ব | DW | 11.05.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ঐতিহাসিক পরিবেশ চুক্তির পথে জাতিসংঘের প্রথম পদক্ষেপ

নতুন পরিবেশ আইন প্রণয়নে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে৷ তবে এর বিরোধিতাও করেছে কোনো কোনো দেশ, যার মধ্যে ছিল দুই পরাশক্তি, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া৷

বৃহস্পতিবার ভোটাভুটির মাধ্যমে এই চুক্তির কাঠামো অনুমোদিত হয়৷ গত সেপ্টেম্বরে চুক্তি করার বিষয়ে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁ উদ্যোগ নিয়েছিলেন৷

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস একটি ওয়ার্কিং গ্রুপ তৈরি করবেন, যারা বিদ্যমান আন্তর্জাতিকপরিবেশ আইনের ফাঁকগুলো বের করবে, এবং সেগুলো সংস্কার করবে৷ আগামী সেপ্টেম্বরে গ্রুপটি সাধারণ অধিবেশনে তাদের সুপারিশ পেশ করবে৷

জাতিসংঘে ফ্রান্সের স্থায়ী মিশন জানিয়েছে যে, পরিবেশ সংক্রান্ত যত আন্তর্জাতিক আইন আছে, সবগুলো থেকে সবদেশকে একটি বৈধ দলিলের মাধ্যমে বাধ্যবাধকতার আওতায় আনার এটাই প্রথম উদ্যোগ৷

‘‘নিজ নিজ ভূমিতে পরিবেশ সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগের ক্ষেত্রে দেশগুলোর জন্য এই চুক্তি খুবই গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে কাজ করবে৷'' মিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়৷

ভোটের আগে জাতিসংঘে ফ্রান্সের দূত ফ্রঁসোয়া দলাত্রে অধিবেশন দেয়া বক্তব্যে বলেন, ‘‘বৈশ্বিক উষ্ণতা, পানি ও বায়ু দূষণএবং জীব বৈচিত্র্য ও মাটির ওপর বিরূপ প্রভাবের কারণে পরিবেশের গুণমানের অবনতির কারণে হাজারো মানুষ মারা যাচ্ছেন৷''

‘‘আমরা যদি সঠিক পরিকল্পনা নিয়ে এর প্রতিকার না করি, তাহলে এর ফল হবে ভয়াবহ৷ ধ্বংস হবে প্রাকৃতিক সম্পদ, অভিবাসন বাড়বে এবং সেই সঙ্গে বাড়বে সংঘাত৷''

জাতিসংঘের ১৯৩টি দেশের মধ্যে ১৪৩টি দেশ এই সিদ্ধান্তের পক্ষে ভোট দিয়েছে৷ বিশ্বের সবচেয়ে বেশি দূষণসৃষ্টিকারী দেশ দু‘টোর মধ্যে চীন এর পক্ষে ভোট দিয়েছে৷ যুক্তরাষ্ট্র দিয়েছে বিপক্ষে৷

যুক্তরাষ্ট্রছাড়াও রাশিয়া, সিরিয়া, তুরস্ক ও ফিলিপিন্স এর বিরোধিতা করেছে৷ ভোট দেয়া থেকে বিরত থেকেছে ইরানসহ সাতটি দেশ৷

গত জুনে প্যারিস চুক্তি থেকে নিজেদের সরিয়ে নেবার ঘোষণা দেয়া ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্র যে এখানেও বিরোধিতা করবে তা জানাই ছিল৷

যুক্তরাষ্ট্রের দূত নিক্কি হ্যালি একে ‘অস্পষ্ট চুক্তি' হিসেবে উল্লেখ করেন৷

জেডএ/ডিজি (এপি, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়