এয়ারপোর্টে স্মার্টফোন চালিয়ে দেখাতে হবে | জার্মানি ইউরোপ | DW | 08.07.2014
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি ইউরোপ

এয়ারপোর্টে স্মার্টফোন চালিয়ে দেখাতে হবে

শুধু স্মার্টফোনই নয়, ল্যাপটপ বা অন্যান্য ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি৷ আল-কায়েদা এক নতুন ধরনের বিস্ফোরক ব্যবহারের চেষ্টা করছে, এই আশঙ্কা দেখা দেবার পর যুক্তরাষ্ট্র অভিমুখী বিমানে ওঠার আগে সিকিউরিটি চেক হয়েছে জোরদার৷

বিশেষ করে ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে যাঁরা যুক্তরাষ্ট্র যাত্রা করছেন, তাঁদের সিকিউরিটি চেক হবার সময় নিরাপত্তা কর্মকর্তারা স্মার্টফোন, ল্যাপটপ ইত্যাদি চালু করে দেখাতে বলতে পারেন – এ কথা ঘোষণা করেছে ইউএস ট্র্যানস্পোর্টেশন সিকিউরিটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন স্বয়ং৷ মার্কিন পরিবহণ নিরাপত্তা প্রশাসনের বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, ‘‘ব্যাটারি ছাড়া ডিভাইসেস (অর্থাৎ ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি) নিয়ে বিমানে উঠতে দেওয়া হবে না৷ সেক্ষেত্রে যাত্রীদের অতিরিক্ত স্ক্রিনিং করা হতে পারে৷''

সব মিলিয়ে সিকিউরিটি চেক-এ বাড়তি সময় লাগতে পারে, বলে ফরাসি এবং ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের সতর্ক করে দিয়েছেন৷ মার্কিন পরিবহণ নিরাপত্তা প্রশাসন বা টিএসএ বস্তুত ডিপার্টমেন্ট অফ হোমল্যান্ড সিকিউরিটি-র অঙ্গ, যারা নাকি ইউরোপে এবং অন্যত্র এয়ারলাইন্স ও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে যুক্তরাষ্ট্র-গামী যাত্রীদের জুতো পরীক্ষা করে দেখতে বলেছেন, বলে মার্কিন এবিসি নিউজ সংস্থা জানিয়েছে৷

‘রিয়াল-টাইম ইন্টেলিজেন্স'

ডিএইচএস প্রধান জেহ জনসন এনবিসি টেলিভিশনকে বলেছেন: ‘‘কিছু শেষ পয়েন্ট-অফ-ডিপার্চার এয়ারপোর্টে (সিকিউরিটি চেক) বাড়ানোর প্রয়োজন আছে, বলে আমাদের মনে হয়েছে৷'' গত বুধবারেই মার্কিন কর্মকর্তারা ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে যুক্তরাষ্ট্র অভিমুখে সরাসরি উড়ালের জন্য বিমানবন্দরগুলিতে অতিরিক্ত সিকিউরিটি চেক দাবি করেছিলেন – যদিও তাঁদের কাছে কোনো বিশদ খবর আছে কিনা, তা তাঁরা জানাননি৷ তবে বিমানবন্দরগুলির কাছে এই অনুরোধ ‘‘রিয়াল-টাইম ইন্টেলিজেন্স'', অর্থাৎ অব্যবহিত তথ্যের ভিত্তিতে করা হয়েছে, বলে ডিএইচএস-এর এক কর্মকর্তা এএফপি সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছেন৷

আরেক মার্কিন কর্মকর্তা এএফপিকে জানিয়েছেন, বিপদের উৎস কোথায় বলে তাঁরা মনে করেন: একিউএপি বা জঙ্গি গোষ্ঠী আল-কায়েদা ইন দ্য অ্যারেবিয়ান পেনিনসুলা, অর্থাৎ আরব উপদ্বীপে আল-কায়েদা নামধারী সংগঠন৷ ইয়েমেন-ভিত্তিক এই শাখাটি প্রতিষ্ঠা করেন ওসাম বিন লাদেন স্বয়ং৷

মার্কিন গুপ্তচর বিভাগের খবর যে, একিউএপি বোমা তৈরির সর্বাধুনিক পদ্ধতি সম্পর্কে সিরিয়ায় যুদ্ধরত উগ্রপন্থিদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে; উদ্দেশ্য: বোমা পাচার করে যাত্রীবাহী বিমান উড়িয়ে দেওয়া৷ এবং জার্মানি সহ ইউরোপের অন্যান্য দেশ থেকে সিরিয়ায় আগত জিহাদিরাও সম্ভবত সেই প্রশিক্ষণ পাচ্ছে৷

কাজেই এবার ব্রিটেনের পর ফ্রান্সের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলিতেও সিকিউরিটি চেক-এর কড়াকড়ি বাড়ছে৷ নতুন ধরনের বিস্ফোরক অথবা বোমার পিছনে যা-কে সন্দেহ করা হচ্ছে, সে হলো ইব্রাহিম আল-আসিরি, এক ৩২-বছর-বয়সি সৌদি, যে দক্ষিণ ইয়েমেনের বিক্ষুব্ধ প্রদেশগুলিতে একিউএপি-র সঙ্গে আত্মগোপন করে আছে, বলে সন্দেহ করা হচ্ছে৷ একিউএপি-র বিমান অন্তর্ঘাতের শেষ প্রচেষ্টা ছিল ২০০৯ সালের ডিসেম্বরে, যখন উমর ফারূক আবদুলমুতল্লব নামের এক নাইজিরীয় নিজের জাঙিয়ায় বোমা লুকিয়ে রেখে একটি যুক্তরাষ্ট্রগামী বিমান উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে৷ ২০০১ সালে ব্রিটেনের রিচার্ড রিড জুতোয় বোমা লুকিয়ে অনুরূপ সন্ত্রাস চালানোর পরিকল্পনা করেছিল৷

এসি/ডিজি (এএফপি, এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন