এশিয়ার কারখানাগুলোতে করোনা কাটিয়ে ওঠার ইঙ্গিত | বিশ্ব | DW | 01.12.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

করোনা মহামারি

এশিয়ার কারখানাগুলোতে করোনা কাটিয়ে ওঠার ইঙ্গিত

চলতি মাসে চীনের কলকারখানায় কাজ গত এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত হারে বেড়েছে৷ এশিয়ার আরো কিছু দেশের কারখানাগুলোতেও কর্মচাঞ্চল্য বেড়েছে৷

ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সারা বিশ্বের অর্থনীতিতেই বিরূপ প্রভাব ফেলবে – এমন আশঙ্কা করা হলেও বেসরকারি সংস্থার গবেষণা বলছে, এশিয়ার বেশ কিছু দেশের কলকারখানা বরং নভেম্বরে সংকট কাটিয়ে ওঠার পথে এগিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত রেখেছে৷ গবেষণা প্রতিবেদনে ক্যাপিট্যাল ইকোনমিক্স বলেছে, ‘‘এশিয়ার রপ্তানিনির্ভর শিল্পে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপে চলমান দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা খুব একটা নেই৷’’

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ চীনের কাইক্সিন/মারকিট পারচেজিং ম্যানেজারস ইনডেক্স (পিএমআই) অক্টোবরে ছিল ৫৩.৬, নভেম্বরে বেড়ে হয়েছে ৫৪.৯৷ ২০১০ সালেরা নভেম্বর, অর্থাৎ গত দশ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ এটি৷

করোনা নিয়ন্ত্রণে এশিয়ার কিছু দেশ ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে বেশ সফল৷ নভেম্বরে এমন দেশগুলোর প্রায় সবগুলোতেই কলকারখানায় পিএমআই বেড়েছে৷ এই তালিকায় চীন আর জাপানের পাশাপাশি দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান এবং ইন্দোনেশিয়াও আছে৷ জাপানে অক্টোবরে পিএমআই ছিল ৪৮.৭, নভেম্বরে তা বেড়ে হয়েছে ৪৯.০৷ দক্ষিণ কোরিয়ার আইএইচএস মার্কিট পিএমআই অক্টোবরের ৫১.২ বেড়ে এ মাসে ৫২.৯ হয়েছে৷ ২০১১ সালের পর এই প্রথম সে দেশে পিএমআই এত বাড়লো৷

তবে চীন, জাপান, তাইওয়ান, ইন্দোনেশিয়ার কলকারখানায় কর্মচাঞ্চল্য নভেম্বরে বেশ বাড়লেও ভারতে তা হয়নি৷ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম জনবহুল দেশে নভেম্বরে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির প্রভাব কলকারখানাগুলোতেও পড়েছে৷ এ সময়ে কাজ হারিয়েছেন অনেক কারখানা শ্রমিক৷

এসিবি/ কেএম (রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন