এমসি কলেজে ধর্ষণ: চারজনের ছাত্রত্ব বাতিল | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 13.10.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

এমসি কলেজে ধর্ষণ: চারজনের ছাত্রত্ব বাতিল

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গৃহবধূকে দলবেঁধে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি সাইফুর রহমানসহ চারজনের ছাত্রত্ব বাতিল করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়৷

সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১০তম সিন্ডিকেট সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তা জানানো হয়৷ ডয়চে ভেলের কন্টেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম এ খবর নিশ্চিত করেছে৷

গত ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে সিলেটের মুরারি চাঁদ (এমসি) কলেজ ছাত্রাবাসে ধর্ষণের শিকার হন এক তরুণী৷ এই ঘটনা তদন্তে গত ৩০ সেপ্টেম্বর এক সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়৷ তদন্তে ওই চার শিক্ষার্থীর ধর্ষণকাণ্ডে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় তাদের ছাত্রত্ব সাময়িকভাবে বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় সিন্ডিকেট৷

সিন্ডিকেট সভায় সভাপতিত্ব করেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হারুন-অর-রশিদ৷ সভায় এ ধরনের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভপ্রকাশ করেন সিন্ডিকেট সদস্যরা৷ এছাড়া অধিভুক্ত কলেজগুলোতে যেন এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেজন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়৷

মঙ্গলবার এমসি কলেজের অধ্যক্ষ মো. সালেহ আহমদ জানান, গত সোমবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ সেই সাথে এমসি কলেজ থেকে তাদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে৷

ছাত্রত্ব বাতিল হওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন, বিএসএস ডিগ্রি পাস কোর্সের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের (অনিয়মিত) ছাত্র সাইফুর রহমান (২৮), ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের ইংরেজি স্নাতকোত্তর চূড়ান্ত বর্ষের শাহ মাহবুবুর রহমান ওরফে রনি (২৫), বিএসএস স্নাতক পাস কোর্সের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের রবিউল ইসলাম (২৫), ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ইংরেজি বিভাগের স্নাতকোত্তর চূড়ান্ত বর্ষের মাহফুজুর রহমান (২৫)৷

ধর্ষণ মামলার আসামি হওয়ায় এমসি কলেজের অধ্যক্ষের লিখিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই চারজনের ছাত্রত্ব এবং সনদ বাতিল করা হয় বলে জানিয়েছেন এমসি কলেজের অধ্যক্ষ মো. সালেহ৷

গত ২৫ সেপ্টেম্বরের ঘটনার পরদিন সকালে গৃহবধূর স্বামী বাদী হয়ে শাহপরাণ থানায় ছাত্রলীগ কর্মী সাইফুর রহমানকে প্রধান আসামি করে নয় জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন৷ ২৭ সেপ্টেম্বর ভিকটিমের জবানবন্দি রেকর্ড করেন সিলেট মহানগর হাকিম তৃতীয় আদালতের হাকিম শারমিন খানম নিলা৷

এ ঘটনায় আট আসামিকে গ্রেপ্তার করে তাদের পাঁচদিন করে রিমান্ড শেষে প্রত্যেকে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন৷ গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা সবাই কারাগারে রয়েছেন৷

দুই কিশোরীকে ধর্ষণ, কেয়ারটেকার ‘নানা' গ্রেপ্তার

নারায়ণগঞ্জে সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি কান্দাপাড়ায় দুই কিশোরী বোনকে ধর্ষণের অভিযোগে প্রতিবেশী এক বাড়ির কেয়ারটেকারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ৷

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি কামরুল ফারুক জানান, দুই বোনকে ধর্ষণের অভিযোগে আবু বক্করকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে৷ এ ঘটনায় ওই কিশোরীদের বাবা বাদী হয়ে মামলা করেন৷

ওই দুই কিশোরীর বাবা জানান, একই এলাকায় বসবাস করায় আবু বক্করকে তার দুই মেয়ে নানা বলে ডাকত৷ গত ৫ অক্টোবর তারা অভিমান করে কিশোরীদের খালার বাসায় যাওয়ার পথে তাদেরকে ডেকে নেয় ওই কেয়ারটেকার৷ এ সময় ওই ভবনের নীচ তলায় তাদেরকে ভয় দেখিয়ে মুখে গামছা বেঁধে ধর্ষণ করেন এবং এ ঘটনা কাউকে না বলার জন্য ভয় দেখান আবু বক্কর৷

পরে এ ঘটনা ওই দুই বোন তাদের পরিবারকে জানায়৷

এপিবি/এসিবি (সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

 

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন