এমন আরেকটি টুর্নামেন্টেই হয়তো সমাধান! | বিশ্ব | DW | 07.02.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

ক্রিকেট

এমন আরেকটি টুর্নামেন্টেই হয়তো সমাধান!

দুই প্রজন্মের দুই প্রতিনিধি৷ প্রতিষ্ঠিতদের মধ্যে মুশফিক আর প্রতিশ্রুতিশীলদের মধ্যে ইয়াসির আলী৷ এ দু’জনকে ব্যতিক্রম ধরলে বিপিএলে বাংলাদেশের বাকি ব্যাটসম্যানদের পারফরম্যান্স কেবলই হাহাকারের গল্প, শুধুই আক্ষেপের অণুকাব্য৷

বিপিএলের ষষ্ঠ আসরে এসেও কেন এমন হবে? গতবার একাদশে পাঁচ বিদেশি খেলানোর নিয়ম বদলে এবার সর্বোচ্চ চারজন রাখার সিদ্ধান্তের পরও কেন দেশের ব্যাটসম্যানদের এমন হতশ্রী চেহারা? ম্যাচের পর ম্যাচ সুযোগ পেয়েও কেন হতাশার পর হতাশাই উপহার দেন তাঁরা?

বিপিএলের শেষ ধাপে এসে আয়নায় এখন বাস্তবতা খোঁজার চেষ্টা৷ বর্তমানের ব্যর্থতা মেনে নিয়ে ভবিষ্যতের পথ নির্মাণের তাগিদ৷ সেখানে এই ফরম্যাটে আরো বেশি বেশি খেলার বিকল্প দেখছেন না জাতীয় দলের ক্রিকেটার থেকে শুরু করে নির্বাচক, বোর্ড পরিচালক, এমনকি বিদেশি কোচও৷

রাজশাহী কিংসের কোচ ল্যান্স ক্লুজনার যেমন এ প্রসঙ্গে কথা শুরু করেন মুখে এক চিলতে হাসি ঝুলিয়ে, ‘‘আমি যদি কারণটি জানতাম, তাহলে তো সমাধানই বের করে ফেলতাম৷’’ পরে অবশ্য দায় দেন টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট কম খেলাকেই, ‘‘আমার কাছে মনে হয়েছে, বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা তো খুব বেশি ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি খেলে না৷ এই বিপিএলই একমাত্র টুর্নামেন্ট৷ জাতীয় দলের ক্রিকেটাররাও শুধু এই বিপিএল খেলেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলে৷ এই ফরম্যাট কম খেলার কারণে ব্যাটসম্যানরা দ্বিধায় থাকে যে, কিভাবে তারা ব্যাটিং করবে; কতটা চড়াও হবে৷ টি-টোয়েন্টি হলেও এখানে তো প্রতি বলে চার-ছক্কা মারা যায় না৷ আমার মনে হয়েছে, এই ফরম্যাটে ব্যাটিং করার পরিকল্পনা ওরা ঠিকভাবে করতে পারে না৷ কারণ, ওরা এই ফরম্যাটে যথেষ্ট ক্রিকেট খেলে না৷’’

অডিও শুনুন 01:45
এখন লাইভ
01:45 মিনিট

বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা তো খুব বেশি ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি খেলে না: ল্যান্স ক্লুজনার

রংপুর রাইডার্সের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মোর্তজার কথার সুরও অভিন্ন, ‘‘আসলে ওদের ওপর চাপ দিয়ে লাভ নাই৷ কারণ, এক বছর পর পর বিপিএল আসে; আর এই টুর্নামেন্টটা সহজও না৷ আমার এত দিনের অভিজ্ঞতা সেটিই বলে৷ বিশেষত ঢাকায় যেহেতু সবচেয়ে বেশি খেলা হয়৷ এখানকার উইকেটে ব্যাটসম্যানদের জন্য অনেক চ্যালেঞ্জ থাকে৷ আমার কাছে তাই এই টুর্নামেন্টে ভালো ব্যাটিং করা সহজ মনে হয় না; ভালোভাবে ধারাবাহিকতা ধরে রেখে খেলা সম্ভব বলেও মনে করি না৷ ওরা যদি আরো বেশি এ ধরনের টুর্নামেন্টে খেলার সুযোগ পায়, তাহলে ভালো হবে৷ বিপিএলের মতো আরেকটি টুর্নামেন্ট আয়োজন নিয়ে কথা হচ্ছে অনেক দিন ধরে৷ স্থানীয় ক্রিকেটারদের নিয়ে এমন কিছু করা গেলে তরুণ ও প্রতিশ্রুতিশীল ক্রিকেটারদের জন্য ভালো৷ তখন ওরা আরো বেশি আত্মবিশ্বাসী হবে৷’’

এই আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর জন্য এ ঘরানার আরেকটি টুর্নামেন্ট আয়োজনের বিকল্প দেখেন না তিনি, ‘‘বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের সঙ্গে বিদেশিদের পার্থক্য যদি দেখেন, বিদেশিরা অনেক আত্মবিশ্বাসী৷ তাঁরা যখন একটা জিনিস করে, নিজের প্রতি অনেক বিশ্বাস নিয়ে করে৷ পার্থক্য কিন্তু এতটুকুই৷ সামর্থ্যের কথা বললে, হয়তো ওদের ছয় মারা দেখলে অনেক কিছু মনে হয়৷ কারণ, আমাদের ব্যাটসম্যানদের চেয়ে ওরা বল দূরে পাঠায়৷ কিন্তু ছয় তো ছয়ই৷ ওই ছক্কা মারা কিংবা গ্যাপে খেলে চার রান নেবার সামর্থ্য আমাদের আছে৷ শুধু তা প্রয়োগ করার যে মানসিকতা দরকার, সেটি নিয়ে কাজ করার সুযোগ রয়েছে৷ আমার মনে হয়, আমাদের ব্যাটসম্যানরা যদি আরেকটু বেশি খেলার সুযোগ পায়, তাহলে বেশ কিছু টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটার বের হওয়ার সুযোগ আছে৷ আমি নিশ্চিত যে, এই ফরম্যাটেও আমাদের প্রতিশ্রুতিশীল ক্রিকেটার রয়েছে৷’’

অডিও শুনুন 01:01
এখন লাইভ
01:01 মিনিট

ওরা যদি আরো বেশি এ ধরনের টুর্নামেন্টে খেলার সুযোগ পায়, তাহলে ভালো হবে: মাশরাফি

চিটাগাং ভাইকিংসের অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম দেশের ক্রিকেটারদের টপ অর্ডারে খেলার সুযোগ না পাওয়াকে দেখেন বড় কারণ হিসেবে৷ টুর্নামেন্টের একেবারে শেষ ধাপে ছবিটা বদলে যাওয়ার আশাও ছাড়ছেন না তিনি, ‘‘খেয়াল করে দেখেন, সবগুলো দলের টপ অর্ডারে দেশি ক্রিকেটার কমই খেলে৷ টপ অর্ডারে খেলতে পারলে রান করার সুযোগ বেশি থাকে৷ আমরা কিন্তু পোলার্ড কিংবা রাসেলের মতো বিগ হিটার নই, যারা ছয়-সাত নম্বরে নেমে দ্রুত ১৪-১৫ বলে ৪০ রানের ইনিংস খেলে দেবো৷ বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে তামিমের মতো কয়েকজন বাদ দিলে বাকিরা ব্যাটিং অর্ডারে প্রথম চারে খেলি না; আরো নীচে খেলি৷ তাঁদের জন্য রান করা তাই একটু কঠিন৷ তারপরও আমি মনে করি, স্থানীয় ব্যাটসম্যানদের ভালো ভালো ইনিংস খেলার এবং ইনিংস বড় করা অনেক সুযোগ ছিল৷ সেটি হয়নি৷’’

খুলনা টাইটানস অধিনায়ক মাহমুদ উল্লাহ নির্দ্বিধায় মেনে নেন ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতা, ‘‘সামগ্রিক অর্থে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের পারফরম্যান্স কিছুটা হতাশার৷ পুরোপুরি বলবো না, তবে আরো কিছুটা ভালো হতে পারতো৷ বোলারদের মধ্যে সবাই ভালো করছে৷ শফিউল ভালো করেছে, তাসকিন সেরা ফর্মে আছে, মাশরাফি ভাই ভালো করছেন; সাকিবও৷ কিন্তু ব্যাটসম্যানদের মধ্যে মুশফিক ও ইয়াসির ছাড়া কেউ খুব একটা ভালো করতে পারেনি৷ সবাই ভালোর কাছাকাছি রয়েছে, তবে আরো ভালো হতে পারতো৷’’ তা তো পারতই, কিন্তু পারেনি কেন? এবার মাহমুদুল্লাহর হাসিতে আত্মসমর্পনের সাদা পতাকা, ‘‘পারফর্ম করতে পারিনি বলে৷’’

অডিও শুনুন 01:39
এখন লাইভ
01:39 মিনিট

এই ফরম্যাটে জাতীয় দল সব সময় ভোগে: নান্নু

জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু তাই চিন্তিত৷ বিশেষত ২০২০ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে তিনি বললেন, ‘‘এই ফরম্যাটে জাতীয় দল সব সময় ভোগে৷ এখানে ধারাবাহিকভাবে ভালো পারফরম্যান্স পাই না৷ এটি নিয়ে জাতীয় দলের কোচের সঙ্গে বসেছি, টিম ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে বসেছি৷ এগুলো নিয়ে অবশ্যই কাজ করতে হবে৷ যেহেতু সামনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আছে, সেখানে মূল পর্বে খেলার ব্যাপার রয়েছে৷’’ ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার জন্য তাঁদের ব্যক্তিগত পরিকল্পনায় গলদ দেখেন তিনি, ‘‘মুশফিক তো এ বয়সে এসেও খুব ভালো খেললো৷ কিছু খেলোয়াড় ভালো করেছে, বাকিরা পারেনি৷ টি-টোয়েন্টিতে যাঁদের আমরা ভালো মনে করি, তাঁদের অনেকে ব্যর্থ৷ যেমন সৌম্য সরকারের আরো ভালো খেলা উচিত ছিল৷ ও কী পরিকল্পনায় খেলেছে, সেটি নিয়ে আমাদের সবাইকে বসতে হবে৷ আমাদের পুলের ৩২ জনের মতো খেলোয়াড়ের সবার পারফরম্যান্সের দিকে নজর রাখছি৷ এগুলো নিয়ে আমাদের কাজ করতে হবে৷’’

টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট কম খেলাকে কারণ হিসেবে মেনেও ক্রিকেটারদের ব্যক্তি-মানসিকতার দায়ও দৃষ্টি এড়ায় না প্রধান নির্বাচকের, ‘‘এই ফরম্যাট কম খেলা অবশ্যই কারণ৷ আবার আমার কাছে মনে হয়, কিছু ব্যাটসম্যান বেশি এক্সাইটেড; নিজেদের তুলনা করতে চায় বিদেশি ক্রিকেটারদের সঙ্গে৷ এ ধরনের মানসিকতার কারণে হয়তো পারফরম্যান্সে প্রভাব পড়ছে৷ তবে ব্যাটসম্যানদের একটা পরিকল্পনা থাকা উচিত যে, বিপিএলের ১২ ম্যাচের মধ্যে ছয়-সাতটি ম্যাচে যেন ভালো করতে পারে৷’’

সেটি তাঁরা পারেননি৷ পারেননি বলেই উদ্বেগের তিরতিরে কাঁপন আরেক নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমনের কন্ঠে, ‘‘বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা যে বিপিএলে খুব একটা ভালো করতে পারেনি, এটি আমাদের জন্য অবশ্যই উদ্বেগের৷ ২০২০ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ৷ এই ফরম্যাটের ক্রিকেটার খুঁজে বের করার জন্য আমাদের হাতে তাই খুব বেশি সময় নেই৷ এখন আমরা যে ক্রিকেট খেলি, তাতে জেতার জন্য দলীয় ক্রিকেট খেলতে হয়৷ কিন্তু ১৪০-১৫০ স্ট্রাইকরেটে ব্যাটিং করে একাই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেবার মতো খুব বেশি ক্রিকেটার আমাদের নেই৷ উইকেটের দোহাই এবার দেয়া যাচ্ছে না, কারণ, মিরপুরের শুরুর দিকের কয়েকটি ম্যাচ ছাড়া বিপিএলের উইকেট খুব ভালো ছিল৷ সিলেট ও চট্টগ্রামের উইকেট তো টি-টোয়েন্টির জন্য একেবারে আদর্শ৷ এবারের বিপিএলে তাই পাওয়ার ক্রিকেট খেলতে তেমন ব্যাটসম্যান যে পেলাম না, এটি অবশ্যই উদ্বেগের৷’’

অডিও শুনুন 03:02
এখন লাইভ
03:02 মিনিট

এটি আমাদের জন্য অবশ্যই উদ্বেগের: হাবিবুল বাশার

ব্যাটসম্যানদের টি-টোয়েন্টির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্য এমন আরেকটি টুর্নামেন্ট আয়োজনের পক্ষপাতী তিনিও, ‘‘মনে হয়, এই ফরম্যাট আরেকটু বেশি খেলতে হবে৷ এ ধরনের টুর্নামেন্ট খুব বেশি করার পক্ষপাতী আমি নই৷ তবে বিপিএল ছাড়াও স্থানীয় ক্রিকেটারদের নিয়ে আরেকটি টুর্নামেন্ট করা প্রয়োজন৷ এ ফরম্যাটের ধরনটা বোধহয় আমাদের ব্যাটসম্যানরা ধরতে পারে না৷ ওরা চার-ছক্কা মারে, কিন্তু মাঝে অনেকগুলো ডট বল দিয়ে দেয়৷ স্ট্রাইকরেট তাই ১১০, ১১৫-র মধ্যেই থাকে৷ ১৩০ স্ট্রাইকরেটের ক্রিকেটার খুব বেশি তো নেই৷ আমাদের তাই একেবারে শুরু থেকে শুরু করতে হবে; নতুন ক্রিকেটারদের ব্যাট সুইংও বদলাতে হবে৷ আবার যারা এখন খেলছে, তাদের খেলারও উন্নতি দরকার৷ টি-টোয়েন্টিতে চারিদিকে ৩৬০ ডিগ্রিতে মারার দরকার নেই; সেটি এক ডি ভিলিয়ার্সই পারে৷ খেয়াল করে দেখবেন, টি-টোয়েন্টিতে যারা ভালো করে, তারা ‘ভি’-তে মারে বেশি৷’’

বাংলাদেশের মুশফিক এবং বিপিএল খেলে যাওয়া বিদেশের বড় বড় ক্রিকেটারের কাছ থেকেও অনেক কিছু শেখার রয়েছে বলে মনে করেন এই নির্বাচক৷ তবে সেজন্য ক্রিকেটারদের ভেতর নিজস্ব তাগিদ দেখতে চান হাবিবুল, ‘‘আমি মনে করি, এটি প্রত্যেক ক্রিকেটারের নিজের উপর নির্ভর করে৷ কারণ, এবারের বিপিএলে অনেক ভালো ক্রিকেটার এসেছে৷ খেলার মধ্যে তাঁদের শরীরি ভাষা দেখেছেন৷ এবি ডি ভিলিয়ার্স বলেন, ডেভিড ওয়ার্নার বলেন, ওদের কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার রয়েছে৷ সেই শেখাটা নিজেকে শিখতে হবে৷ গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, একজন ক্রিকেটারের শেখার আগ্রহ কতখানি৷ এটি সবাইকে বলে-কয়ে করানো যায় না৷ নিজের ভেতর থেকে আসতে হবে৷’’

অডিও শুনুন 05:40
এখন লাইভ
05:40 মিনিট

প্রস্তুতির জন্য আমরা খুব একটা সময় পাই না: খালেদ মাহমুদ সুজন

ঢাকা ডায়নামাইটসের কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার জন্য প্রস্তুতির অভাবকেও দাঁড় করান কাঠগড়ায়, ‘‘প্রস্তুতির জন্য আমরা খুব একটা সময় পাই না৷ এবার যেমন টুর্নামেন্ট শুরু হলো জানুয়ারির ৫ তারিখ, আমরা অনুশীলন শুরু করেছি ২ তারিখ৷ তো এই তিন দিনে কিছু করার থাকে না৷ বিপিএল শুরুর আগে যদি অন্তত ১৫ দিন সময় পাওয়া যেতো, তাহলে আমরা কোচরা ছেলেদের নিয়ে কাজ করতে পারতাম৷ আর বিপিএলের আগে এমন আরেকটি টুর্নামেন্ট খেলতে পারলেও ছেলেদের জন্য ভালো হতো৷’’ অমন এক টুর্নামেন্ট আয়োজনের কথা গতবার তো ঘটা করে সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন তিনি৷ সেটি হলো না৷ এবারও যে হবে, সে নিশ্চয়তা দিতে পারেন না মাহমুদ, ‘‘সময়ের অভাবে এবার হয়নি৷ প্রিমিয়ার লিগের ছয়টি দল নিয়ে টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট হবে হয়তো৷ কিন্তু সেটি যদি বিপিএলের আগে হতো, তাহলে ভালো হতো৷ আমি জানি না, পরের বিপিএলের আগে তা হবে কিনা৷ বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের কাছ থেকেই এমন প্রস্তাব আসতে পারে৷ ধরুন, ড্রাফটের তিন সপ্তাহ আগে একটি টুর্নামেন্ট হলো৷ এক-দুই সপ্তাহের ছোট টুর্নামেন্টের জায়গাও আমরা বের করতে পারি কিনা, সেটি দেখতে হবে৷ ছেলেরা যেন সেখানে অন্তত চারটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পায়৷ তাহলে ফ্র্যাঞ্চাইজিদের জন্যও ভালো৷ তারা দেখতে পাবে, কোন ক্রিকেটার ফর্মে আছে৷’’

ঢাকা ডায়নামাইটসের কোচ তো বিসিবির পরিচালকও৷ তো বোর্ড সভায় কি এ নিয়ে আলোচনা করবেন তিনি? প্রতিশ্রুতি দেন মাহমুদ, ‘‘অবশ্যই আলোচনা করা যেতে পারে৷ করা যে হয়নি, তা নয়৷ এবার আমরা আসলে সময় পাইনি৷ টেস্ট-ওয়ানডেতে আমরা যত গুরুত্ব দিই, টি-টোয়েন্টিতে তা হয়তো এখনো দিই না৷ কিন্তু যেহেতু এই ফরম্যাটে বিশ্বকাপও হয় এখন, সে কারণে গুরুত্ব দিয়ে আরেকটি টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট বাড়ানো জরুরি৷ সেটি ক্লাব পর্যায়ে হোক কিংবা বিসিবির আয়োজনে৷ অবশ্যই এটি নিয়ে বোর্ডে আলোচনা হওয়া উচিত এবং আমরা আলোচনা করব৷’’

স্থানীয় ক্রিকেটারদের নিয়ে কুড়ি-বিশের আরেকটি টুর্নামেন্ট আয়োজনই হতে পারে সমাধান৷ নইলে এবারের মতো বিব্রতকর রেকর্ডের সাক্ষী হয়তো বারবার হতে হবে৷ যেখানে বিপিএলের পাঁচ সেঞ্চুরিয়ানের কেউ বাংলাদেশের নয়৷ শেষ দুই ম্যাচ বাকি থাকতে সর্বোচ্চ রানের ব্যক্তিগত ২০ ইনিংসের মধ্যে ১৬টির মালিকই বিদেশি!

নির্বাচিত প্রতিবেদন

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

বিজ্ঞাপন