এবার ব্রিটিশ জাহাজ আটক করল ইরান | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 20.07.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ইরান

এবার ব্রিটিশ জাহাজ আটক করল ইরান

হরমুজ প্রণালী থেকে একটি ব্রিটিশ তেলবাহী ট্যাংকার আটক করেছে ইরান৷ শুক্রবার ২৩ জন নাবিকসহ জাহাজটি আটক করে ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা৷

আটকের পর জাহাজটিকে দেশটির বন্দর আব্বাসে নিয়ে যাওয়া হয়৷ নাবিকদের জাহাজে রাখা হয়েছে৷

ইরানের নিরাপত্তারক্ষীরা একই সময়ে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী আরো একটি জাহাজ আটক করেছে  বলে সংবাদমাধ্যমগুলোতে বলা হয়েছে৷ 

বৃটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেরমি হান্ট সংবাদমাধ্যমকে জানান, হরমুজ প্রণালী থেকে ইরান দু'টি জাহাজ আটক করেছে যার একটি ব্রিটিশ পতাকাবাহী ও অন্যটি লাইবেরিয়ার৷

ঘটনাটিকে অপ্রত্যাশিত উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো মুক্তভাবে চলাচলের বিষয়টিকে নিশ্চিত করতে হবে৷ এ বিষয়ে ব্রিটিশ সরকারের এক জরুরি সভায় যোগদানের আগে জেরমি হান্ট ইরানকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ‘‘ইরান ‘অবৈধ ও আস্থিরতা সৃষ্টিকারী বিপজ্জনক পথ' বেছে নিচ্ছে৷''

এদিকে, ইরানের কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে দেশটির বার্তাসংস্থা ফার নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে যে আটককৃত জাহাজটির সাথে স্থানীয় মাছধরার নৌকার মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে৷ এ বিষয়ে তদন্ত চলাকালীন সময় পর্যন্ত আটককৃত নাবিকেরা জাহাজে অবস্থান করবেন বলে সংবাদে বলা হয়৷

প্রসঙ্গত, জাহাজ আটকের ঘটনায় পারস্য উপসাগরের এ অঞ্চলটিতে চলমান অস্থিরতাকে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে৷ পরমাণু চুক্তিকে কেন্দ্র করে গতকয়েকমাস ধরেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক অস্থিরতা বিরাজ করছিল৷ এ সময়টিতে পারস্য উপসাগরের এ অঞ্চল দিয়ে চলাচলরত বেশ কয়েকটি জাহাজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে৷ এ সকল ঘটনার জন্য ইরানকে দায়ী করে আসছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যদিও এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইরান৷ উদ্ভূত পরিস্থিতে পারস্য উপসাগরে নিজেদের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করেছে যুক্তরাষ্ট্র৷

চলমান এ উত্তেজনায় যুক্ত হয় যুক্তরাজ্য৷ চলতি মাসের গোড়ার দিকে জিব্রাল্টার প্রণালী থেকে ইরানের পতাকাবাহী একটি জাহাজ আটক করে ব্রিটিশ সেনারা৷ যুক্তরাজ্যের দাবি ইউরোপের ইউনিয়নের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তেল রপ্তানি করছিল ইরান৷ তবে এ ঘটনার উচিত জবাব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছিল ইরান৷ শুক্রবারের এ জাহাজ আটকের ঘটনাটিকে তাই পাল্টা পদক্ষেপ  হিসেবে দেখছেন অনেকেই৷

যেভাবে আটক করা হয় জাহাজটি

জাহাজটির মালিক প্রতিষ্ঠান সুইডিশ কোম্পানি স্টেনা ব্লুক দাবি করেছে যে, আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে জাহাজটি আটক করা হয়েছে৷ কয়েকটি ছোট ছোট বোট প্রথমে জাহাজটিকে ঘিরে ফেলে৷ ছোট বোটগুলোকে সহায়তার জন্য এসময় মাথার উপর একটি হেলিকপ্টারও ছিল বলে জানানো হয়৷ প্রতিষ্ঠানটি বলছে, তারা জাহাজের নাবিকদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে৷ তবে আটকের সময় জাহাজের নাবিবকদের কোন শারীরিক ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে নিশ্চিত করেছে তারা৷ এদিকে দেশটির সেনাবাহিনীর উদ্ধৃতি দিয়ে ইরান নিউজ এজেন্সি জানায়, জাহাজটি অবৈধ পথে ঢুকে পড়েছিল৷ এ সময় জাহাজটিকে সতর্কবার্তা পাঠানো হলেও তা আগ্রাহ্য করেছে৷ 

লাইবেরিয়ান জাহাজ আটক

ইরানের সংবাদমাধমের খবরে বলা হয়েছে রেভ্যুলেশনারি গার্ড একই সময়ে লাইবেরিয়ান পতাকাবাহী একটি জাহাজও আটক করেছে৷ আটকের পর তল্লাশি শেষে জাহাজটি ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তাসংস্থাগুলো৷

আরআর/এআই (রয়টার্স, এএফপি, ডিপিএ, এপি)

 

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন