‌এবার প্রতিবাদে পথে নাট্যকর্মীরা | বিশ্ব | DW | 17.01.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ভারত

‌এবার প্রতিবাদে পথে নাট্যকর্মীরা

জনবিরোধী এনআরসি, সিএএ থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে গুন্ডামি, মারদাঙ্গা- সবকিছু নিয়ে ওঁরা উদ্বিগ্ন৷ শুক্রবার কলকাতায় এক মিছিল-সমাবেশে জানালেন নাট্যকর্মীরা৷

কলকাতা, তথা সারা পশ্চিমবঙ্গের নাট্যকর্মীরা, যাঁরা পেরেছেন, সবাই সমবেত হয়েছিলেন৷ পা মিলিয়ে হেঁটেছেন মিছিলে৷ যে প্রবীণ নাট্যব্যক্তিত্বরা অসুস্থ, অথবা অশক্ত, তাঁরাও সরাসরি পৌঁছে গেছেন সমাবেশে৷ এনআরসি-র নামে নাগরিকত্ব যাচাইয়ের চেষ্টা, সিএএ জারি করে শরণার্থীদের মধ্যে ধর্মীয় বিভাজন, এবং সবশেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকে পুলিশের সন্ত্রাস, অথবা রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের ছাত্র সংগঠনের গুন্ডামির একাধিক ঘটনায় ওঁরা বিচলিত৷ বাংলার পুরোধা নাট্যকর্মীরা, অশোক মুখার্জি, বিভাস চক্রবর্তী, মেঘনাদ ভট্টাচার্য, দেবাশিস মজুমদার, ঊষা গাঙ্গুলি, সবাই সামিল হলেন প্রতিবাদ জানাতে৷ ঊষা গাঙ্গুলি ডয়চে ভেলে-কে জানালেন, এই অস্থির সময়ে কোনও মানুষ ঘরে বসে থাকতে পারেন না৷ তাঁকে রাস্তায় নামতেই হবে৷ মিছিল করে যেমন, তেমনই নিজেদের নাটকের মধ্যে দিয়ে প্রতিবাদ জানাতে হবে নাট্যকর্মীদের৷ এটা সময়ের ডাক৷ এই ডাক অগ্রাহ্য করা যায় না৷
এদিনের মিছিল শেষে অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টস-এর সামনে নাট্যকর্মীদের যে সমাবেশ, সেখানে একটি জরুরি সিদ্ধান্ত হয়েছে৷ ডয়চে ভেলেকে জানালেন নাট্যকর্মী শহিদুল ইসলাম৷ যে কলকাতার পার্ক সার্কাস ময়দানে স্থানীয় মহিলাদের যে বিক্ষোভ সমাবেশ জারি আছে, কলেজ–বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা যার শরিক হয়েছেন, নাট্যকর্মীরা এবার সেই অবস্থানের পাশে গিয়ে দাঁড়াবেন৷ সংহতি জানাতে, শরিক হতে৷ এছাড়া বিভিন্ন সময়ে নাট্যকর্মীদের প্রতিবাদ কর্মসূচি নেওয়া হবে, যে উদ্দেশে এদিন একটি যৌথ মঞ্চ তৈরি হয়েছে৷
একটা সময় বাংলাসহ সারা ভারতেই নাগরিক প্রতিবাদের অন্যতম হাতিয়ার ছিল পথ নাটক৷ বিশেষত বামপন্থী আন্দোলনের ক্ষেত্রে পথ নাটক এক অতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল৷ ঊষা গাঙ্গুলি এবং শহিদুল ইসলাম, দুজনেই জানালেন, এখনও পথ নাটকের সেরকম নির্দিষ্ট কোনও কর্মসূচি না নেওয়া হলেও, বাংলা নাটকের আবারও পথে নামার সময় এসেছে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

বিজ্ঞাপন