এক লেখককে নিয়ে তুরস্ক-জার্মানির নতুন দ্বন্দ্ব | বিশ্ব | DW | 21.08.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি-তুরস্ক

এক লেখককে নিয়ে তুরস্ক-জার্মানির নতুন দ্বন্দ্ব

স্পেনে এক তুর্কি বংশোদ্ভূত জার্মান লেখককে আটক করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে জার্মানি ও তুরস্কের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক দ্বন্দ্ব শুরু হয়েছে৷ জার্মান চ্যান্সেলার আঙ্গেলা ম্যার্কেল তুরস্কের কড়া সমালোচনা করেছেন৷

তুর্কি বংশোদ্ভূত জার্মান লেখক দোহান আকহানলে স্পেনের গ্রানাদা শহর বেড়াতে গিয়েছিলেন৷ শনিবার সকালে হোটেলের ঘরে পুলিশ এসে তাঁকে আটক করে নিয়ে গেল৷ তাঁর অপরাধ? জানা গেল তুরস্কের সরকার তাঁর নামে ইন্টারপোল ‘রেড অ্যালার্ট' নোটিস জারি করেছে৷ তাই স্পেনের পুলিশ তাঁকে আটক করেছে৷ নিয়ম অনুযায়ী তুরস্কের সরকারকে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ও প্রমাণ পেশ করতে হবে৷ তবেই স্পেনের আদালত তাঁকে তুরস্কের হাতে প্রত্যর্পণ করতে পারবে৷

প্রায় একই সময়ে স্পেনে ছিলেন জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও ভাইস চ্যান্সেলার সিগমার গাব্রিয়েল৷ তিনি এই জার্মান লেখকের সহায়তা করতে সে দেশে জার্মান কূটনীতিকদের জোরালো তৎপরতার নির্দেশ দেন৷ তাঁদের হস্তক্ষেপে আকহানলে আপাতত রেহাই পেয়েছেন৷ পুলিশের হেফাজত থেকে মুক্তি পেলেও আইনি প্রক্রিয়া শেষ হওয়া পর্যন্ত তিনি স্পেন ছেড়ে যেতে পারবেন না৷

উল্লেখ্য, প্রায় এক মাস আগে জার্মান সরকার তুরস্কের প্রতি আর নরম মনোভাব না দেখানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷ এর মধ্যে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইয়িপ এর্দোয়ান তুর্কি বংশোদ্ভূত জার্মান নাগরিকদের জার্মানির আসন্ন সাধারণ নির্বাচনে ম্যার্কেল-কে ‘উচিত শিক্ষা' দেবার আহ্বান জানিয়েছেন৷ গাব্রিয়েল জার্মানির সার্বভৌমত্বে হস্তক্ষেপের সমালোচনা করায় এর্দোয়ান আবার গর্জে ওঠেন৷ চরম ঔদ্ধত্যপূর্ণ কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘‘সে কতদিন ধরে রাজনীতি করছে? তার বয়সই বা কত? তার সীমা জানা উচিত৷''

দোহান আকহানলে-র ঘটনার সূত্র ধরে জার্মানি ও তুরস্কের মধ্যে আবার কূটনৈতিক যুদ্ধ শুরু হয়েছে৷ জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল চরম বিরক্তি প্রকাশ করে বলেছেন, তুরস্ক ইন্টারপোলের অপব্যবহার করতে পারে না৷

দোহান আকহানলে কেন তুরস্কের সরকারের এমন বিরাগভাজন হয়ে পড়েছেন? তিনি নিজে জানিয়েছেন, তিনি তুরস্কের সরকারের নীতি ও সে দেশের ইতিহাস বিকৃতির বিরুদ্ধে কলম ধরে আসছেন বলেই তাঁকে আটক করে তুরস্কে নিয়ে গিয়ে নীরব করে দিতে বদ্ধপরিকর সে দেশের সরকার৷ বিশেষ করে ওসমানি সাম্রাজ্যে আর্মেনীয়দের গণহত্যা নিয়ে তাঁর খোলামেলা লেখা সরকারের মোটেই পছন্দ নয়৷ এক সাক্ষাৎকারে আকহানলে বলেন, ৬০ বছর বয়স ছুঁয়ে তিনি আর নীরব থাকতে চান না৷

এসবি/ডিজি (ডিপিএ, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়