এক নির্বাচনে এত লজ্জা! | আলাপ | DW | 31.12.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ব্লগ

এক নির্বাচনে এত লজ্জা!

বাংলাদেশে ২০১৮ সালের এই নির্বাচন অনেক দিক দিয়ে প্রথম৷ টানা তিনবার কোনো সরকার ক্ষমতায় থাকেনি৷ দলীয় সরকারের অধীনে সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন হয়নি৷ সবাই মিলে এত এত লজ্জাও পায়নি৷

অফিসে নতুন বস এসেছেন৷ দ্রুত তাঁর মন পেতে কাজকর্ম বাদ দিয়ে অনেক তোষামোদ শুরু করলেন এক ব্যক্তি৷ শুরুতে বস খুশি হলেও, কত আর তেল সহ্য করা যায়৷ একদিন দিলেন ধমক, ‘‘এত তেল দেন কেন? কাজ করেন৷''

ভাবগতিক খারাপ বুঝে বসের পেছন ঘোরা বাদ দিয়ে এবার কাজে মন দিলেন কর্মীটি৷ কদিন পর বস খেয়াল করলেন, কর্মীটি তো আর তার পেছনে একেবারেই ঘোরে না৷ তিনি আবার ডেকে দিলেন এক ধমক, ‘‘এখন আর পাত্তাই দাও না৷''

এভাবে ধমক খেতে খেতে একদিন আর ক্ষোভ সামলাতে না পেরে কর্মীটি বলে বসলেন, ‘‘স্যার এইটা করলেও সমস্যা, ওইটা করলেও সমস্যা৷ আমি কী করবো?''

বস বললেন, ‘‘তুমি ‘কী’-ও করবে না৷''

তো এখন চলছে, সেই ‘কী’-ও না করার যুগ৷ জনগণ, সংবাদমাধ্যম, বিরোধী দল, সমালোচকসহ ভিন্ন মতের কাউকেই ‘কী’ করারও সুযোগ দেয়া হচ্ছে না৷ এটা দেশের জন্য, সমাজের জন্য, এমনকি দলের জন্যও সুস্থতার পরিচয় নয়৷

আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করেছে৷ শুধু নিরঙ্কুশ নয়, এ বিজয় ভয়াবহ৷ টানা দ্বিতীয়বারের মতো আমরা হয়ত সংসদে একটি ‘গৃহপালিত বিরোধী' দল দেখতে যাচ্ছি৷

কিন্তু একাদশ সংসদ নির্বাচন আমাদের সামনে অনেকগুলো প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে, জন্ম দিয়েছে অনেকগুলো লজ্জার৷ আসুন, একে একে লজ্জা নিবারণ করা যাক৷

আওয়ামী লীগের লজ্জা

  • দলের পক্ষ থেকে বারবার জোর গলায় বলা হচ্ছে – ভোট সুষ্ঠু হয়েছে, কোথাও কিছু হয়নি, যা হয়েছে সব বিচ্ছিন্ন ঘটনা৷ কিন্তু বিভিন্ন গণমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং ব্যক্তি পর্যায়ে ভোটারদের অভিজ্ঞতা তা বলে না৷

গেট বন্ধ করে রাখায় ভোটারদের বিক্ষোভ, ভোট দিতে গিয়ে দেয়া হয়ে গেছে দেখে ফেরত আসা, জোর করে আরেকজনের ভোট নিজে দিয়ে দেয়া, ইভিএমেও যে একজনের আঙুলের ছাপ আরেকজনের দেয়া সম্ভব, তা প্রমাণ হওয়া, পুলিশ এমনকি সেনাবাহিনীর কাছে বিচার দেয়ার পর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তা বেমালুম এড়িয়ে যাওয়া, এর সবকিছুরই ভিডিও ফুটেজ ঘুরে বেড়াচ্ছে ফেসবুকে৷

কতটা ঘটনা ঘটলে তাকে বিচ্ছিন্ন না বলে থাকা যেতে পারে, আমার জানা নেই৷

  • জর্জ ডাব্লিউ বুশ সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যখন যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন, তখন সব দেশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন৷ ঘোষণা দিয়েছিলেন, ‘‘তোমরা হয় আমাদের পক্ষে, না হয় বিপক্ষে৷'' এমন আচরণ বিশ্বের জন্য কোনো ভালো ফল বয়ে আনেনি৷

এই নির্বাচনের আগে পরে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়েছে, আওয়ামী লীগের পক্ষে কথা না বলা মানেই জামায়াত-বিএনপি৷ কিন্তু এই ধরনের বলপূর্বক বিভাজন দেশের জন্য তো না বটেই, আওয়ামী লীগের জন্যই কতোটা ভালো ফল বয়ে আনবে, তা ভাবনার বিষয়৷

  • নির্দ্বিধায় একপেশে অভিযোগ তুলে, নিজের বিপক্ষে সব অভিযোগ বিষয়ে চোখ-কান বন্ধ রেখে দলকানা একটি গোষ্ঠীকে গড়ে তোলা হচ্ছে, যা আসলে শেষ বিচারে দলের জন্যই ক্ষতিকর৷ দলের মধ্যেও যখন গণতান্ত্রিক বিরোধের জায়গা রুদ্ধ হয়ে যায়, তখন সৃষ্টি হয় একটি সুবিধাভোগী অংশের৷ সুযোগ পেলে তারা যে সংস্কারপন্থি হতেও ছাড়ে না, এর প্রমাণ তো অতীতে রয়েছেই৷
  • অগণতান্ত্রিক তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল হয়েছে৷ ভালো হয়েছে৷ কিন্তু ‘তুমি অধম, তাই বলিয়া আমি উত্তম হইবো না কেনো' নীতিতে বিশ্বাস করে হলেও এবার সত্যিকারের একটা সুষ্ঠু নির্বাচনের সুযোগ ছিলো আওয়ামী লীগের সামনে৷ কিন্তু সেটা যে সম্ভব না, সেটা প্রমাণ করার আদৌ কোনো প্রয়োজন ছিল কি?
  • এত কিছুর ডামাডোলে এরশাদ সাহেব হারিয়েই গেলেন৷ অথচ এই আওয়ামী লীগই কতো রক্ত ঝরিয়ে স্বৈরাচারী এরশাদকে টেনেহিঁচড়ে ক্ষমতা থেকে নামিয়েছিল৷ আজ সংসদে রক্তে রঞ্জিত হাত নিয়ে এরশাদ প্রধানমন্ত্রী বিশেষ দূতও হন, সময়ে অসময়ে হুঙ্কারও দেন৷ প্রমাণ হলো, রাজনীতিতে আদর্শের চেয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার কৌশলই শেষ কথা৷
  • খন্দকার মোশতাকের কথা নিশ্চয়ই ভুলে যাবেন না৷ বঙ্গবন্ধুর চেয়েও আওয়ামী লীগের বড় ভক্ত সাজার চেষ্টা করা ব্যক্তিটি তিনি নিহত হওয়ার পর কী অবস্থান নিয়েছিলেন, তা সবার জানা৷ ফলে জনগণের শক্তিতে পরিবেষ্টিত হয়ে থাকাটা বোধহয় বেশি নিরাপদ৷
  • আওয়ামী লীগেও যুদ্ধাপরাধী আছে৷ নৌকা প্রতীকে সরাসরি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পক্ষে যুদ্ধ করা একজন জিতেও এসেছেন৷ অথচ, আওয়ামী লীগ এ বিষয়ে কোনো বক্তব্যও দিলো না৷ এই যে একপাক্ষিক, এক চোখা দৃষ্টিভঙ্গি, এতে যে সমাজ গড়ে উঠবে, তা কি আদৌ দেশের মঙ্গল বয়ে আনবে?
  • বিরোধী দল তো গেছেই, শক্তিশালী বিরোধী দলের অবর্তমানে যে গণমাধ্যম বিরোধী দলের ভূমিকা নিতে পারতো, তাদেরও প্রায় পঙ্গু অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে৷ সেটা কিভাবে, তা আগে অনেকবার লিখেছি৷ চর্বিত চর্বনের আর প্রয়োজন বোধ করছি না৷

বিএনপির লজ্জা

  • ঐতিহাসিকভাবেই বারবার ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে এসেছে বিএনপি৷ যা খাওয়ার কথা, তা ছুঁড়ে ফেলেছে, যখন ছুঁড়ে ফেললে কাজ হতেও পারে, তখন গোগ্রাসে গিলেছে৷ বরাবরই তরুণদের অনুভূতি বুঝতে না পেরে, কালো শক্তি ও পেছনের দরজায় ক্ষমতায় যাওয়ার চিন্তা আজ বিএনপিকে এই অবস্থানে নিয়ে এসেছে৷
  • মুক্তিযুদ্ধ বাদ দিয়ে এবার কথা বলা যাবে না, ভালোভাবেই জানতেন বিএনপি নেতারা৷ তারপরও নির্লজ্জভাবে ভোটের লোভে, অথবা পেশীশক্তির লোভে তারা জামায়াতকে ছাড়তে পারেননি৷ অথচ এবার তাদের সামনে সুযোগ এসেছিল, পরিষ্কার ‘ইমেজ' নিয়ে সামনে আসার৷

উলটো কেউ বিশ্বাস না করলেও বারবার তারা বলেই যাচ্ছেন, এটা নির্বাচনি ঐক্য, রাজনৈতিক আদর্শের না৷ আরে বাবা, এ তো সহজ হিসাব৷ আপনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে থাকলে জামায়াতের সাথে আপনার রাজনৈতিক, পারিবারিক, আর্থিক, ব্যবসায়িক, বা আর যা যা সম্পর্কের কথা চিন্তা করা যায়, কোনোটাই তো থাকার কথা না৷

বললেন, সরকার গঠনে জামায়াতের কোনো ভূমিকা থাকবে না৷ আগেরবার কি তাহলে ভুল করেছিলেন? সেটা তো বললেন না৷ কয়দিন আগেও তো যুদ্ধাপরাধের বিচারের বিরোধীতা করছিলেন৷ সেটা কি ভুল ছিল? বললেন না তো৷

ফলে সবই এখন জনগণ প্রত্যাখ্যান করে কথার কথা হিসেবে৷ বিশ্বাসের জায়গাটা আর ফিরে পেলেন না৷

  • এবার আপনারাও আওয়ামী লীগের মতোই ‘আমি খারাপ তো কি হয়েছে, তুমিও খারাপ' ছেলেখেলায় মেতে উঠলেন৷ দেখিয়ে দিলেন, তারাও নির্বাচনে জয়লাভে জনগণের চেয়ে ‘অন্য' শক্তিতেই বেশি ভরসা রাখেন৷ নির্বাচন ও তার আগের দিন হামলা চালিয়ে নৌকার নেতাকর্মীদের হত্যা করে ত্রাস সৃষ্টির চেষ্টা, এরই পরিচয় রাখে৷
  • হিরো আলম পেয়েছেন মাত্র ছয়শর মতো ভোট৷ কিন্তু একটি কেন্দ্রে গিয়ে জাল ভোট আটকানোর চেষ্টা করে তার মার খাওয়ার ভিডিও অনলাইনে ভাইরাল হয়েছে৷ হিরো আলম আপনাদের দৃষ্টিতে কিছুই না, খ্যাত, অশিক্ষিত, আরো কতকিছু৷ কিন্তু নির্বাচনের দিন আপনারা কেউ মাঠে নামলেন না? রাজনীতি করছেন, জেল-জুলুম-অত্যাচারের প্রতিবাদ করছেন, সেটা আদায় করার ক্ষমতা নেই? লক্ষ লক্ষ জনগণ আপনাদের চায়৷ জেল জুলুমের ভয়ে সেই লক্ষ লক্ষ জনগণ আর এগিয়ে এলো না?

১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন তো আপনারা করেছিলেন৷ অস্ত্র দিয়েও তো সেদিন টিকিয়ে রাখতে পারলেন না৷ আজ আপনারাই যদি ভয় পেয়ে সেঁটিয়ে থাকেন, জনগণ আপনাদের পেছনে দাঁড়াবে, ভাবলেনই বা কীভাবে?

ঐক্যফ্রন্টের লজ্জা

  • এই লজ্জা আসলে শুধু ঐক্যফ্রন্টের না, প্রায় সবার৷ যে ব্যক্তিটি স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান লিখলেন, ধর্মনিরপেক্ষতা নিজ হাতে সেখানে অন্তর্ভুক্ত করলেন, তিনি কিভাবে জামায়াতের মতো একটি দলের সাথে আঁতাত করলেন?

জামায়াত থাকবে জানলে আপনি ঐক্যফ্রন্টে থাকতেন না, ভালো কথা৷ যখন জানলেন, সরে দাঁড়ালেন না কেনো? এতে আপনার প্রতি মানুষের শ্রদ্ধা বাড়তো, নাকি কমতো? শুধু আওয়ামী লীগ বিরোধীতার কারণে জামায়াতের সাথে গেলেন?

বামপন্থিদের লজ্জা

  • এমন একটা বিরোধীশূন্য অবস্থানেও নিজেদের অবস্থান দাঁড় করাতে ব্যর্থ বাম দলগুলো৷ এক মার্কা দেয়া তো দুরের কথা, মুখে বামঐক্য বললেও মাঠে তার যৎসামান্যই প্রমাণ করতে পেরেছে তারা৷ সেই একই চিরাচরিত ভাষা, একই মুখস্ত সমালোচনার ঘেরাটোপে মানুষ এখন তাদের অনেকের নামও ভুলতে বসেছে৷

কথায় কথায় আওয়ামী লীগ-বিএনপিকে গালি দিলেও, আত্মসমালোচনার কোনো আলামত নেই নেতাদের মধ্যে৷ যে ভাষায় কথা বলেন, সে ভাষা বোঝারও তো ক্ষমতা নেই সাধারণ মানুষের৷

  • মুক্তিযুদ্ধ যে একভাবে আওয়ামী লীগের অধিকারে চলে গেছে, সে দায় কাদের? যেকোনো কিছুতেই সরকার করতে দিচ্ছে না বলে আর কতদিন? রাশিয়ার লেনিন বা চীনে মাও, কেউই সরকারের অনুমতি নিয়ে বিপ্লব করেননি বলেই আমার মনে পড়ে৷ আপনারা কেনো তাহলে নিজেরা শক্তি সংগ্রহে ব্যর্থ? কোথায় আপনাদের লাল ফৌজ?

জনগণের ব্যর্থতা

  • জনগণও আসলে ব্যর্থ৷ আমি জনগণ বলতে এখানে কোনো দলের কট্টর কর্মী-সমর্থকদের কথা বলছি না৷ যারা দ্বিধায় থাকেন, তাদের কথা বলছি৷ নির্বাচন এলেই একটি কথা শোনা যায়, অমুক দল মন্দের ভালো, তমুক দলকে জীবনেও ভোট দেয়া যাবে না বলেই অমুককে ভোট দিয়েছি৷ কেন? উত্তর আসে, ‘বিকল্প তো নেই'৷

কিন্তু আসলে কি তাই? আমরাই ভোট দেই, আমরাই গালি দেই৷ আমরাই বলি, ‘ভালো কেউ রাজনীতিতে আসে না', আবার যখন কেউ আসে, ‘ওর তো জামানত বাজেয়াপ্ত হবে' বলে ভোটটা আর ভালো মানুষের মার্কায় না দিয়ে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া নিশ্চিত করি৷

অনুপম দেব কানুনজ্ঞ

অনুপম দেব কানুনজ্ঞ, ডয়চে ভেলে

দিল্লির মসনদে আম আদমি পার্টির মতো দল হঠাৎ করে এসে প্রতিষ্ঠিত সব দলকে হারিয়ে চমক সৃষ্টি করেছে৷ বাংলাদেশে এটা সুদূর ভবিষ্যতেও সম্ভব না৷ আমাদের কারণেই সম্ভব না৷

আরেকটা গল্প দিয়ে শেষ করছি৷

মা প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক৷ ফলে মায়ের সাথে আসা-যাওয়ার সুবিধার্থে প্রথম কয়েক বছর সে স্কুলেই পড়াশোনা৷ কিন্তু অপেক্ষাকৃত নিম্নবিত্ত এলাকায় স্কুল হওয়ায় বরাবরই ক্লাসে প্রথম হতাম৷ কিন্তু ক'দিন পরই অভিযোগ উঠলো, আমি শিক্ষকের ছেলে বলে কারচুপি করে আমাকেই প্রথম বানিয়ে দেয়া হয়৷

আমার শিক্ষক মা সে অভিযোগ সইতে না পেরে আমাকে বাসা থেকে দূরে অপেক্ষাকৃত ভালো স্কুলে ভর্তি করিয়ে দিলেন৷ সেখানেও প্রথম হলাম৷

ভালো স্কুল, একটু ভয় ছিল, মায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ খণ্ডনের চাপ ছিলো, তাই ফল ঘোষণার পর লাফিয়ে উঠলাম৷ প্রধান শিক্ষিকা বললেন, ‘‘তুমি যে ফার্স্ট হবে, জানাই তো ছিল৷'' বললাম, ‘‘কীভাবে?'' উনি হাসতে হাসতে বলেছিলেন, ‘‘বাঘ নাই বনে শেয়ালই রাজা৷''

এরপর নিজেরই খারাপ লাগায় আবার স্কুল পরিবর্তন৷ আরো ভালো স্কুলে, আরো বেশি শিক্ষার্থীর মধ্যে গিয়ে আমি আর সে অবস্থান ধরে রাখতে পারিনি৷ নিজের যোগ্যতার আসল যাচাই হয়েছিল তখন৷ তবে আমি মানি, এই পুরো ঘটনা আমার বেড়ে ওঠায় বড় প্রভাব ফেলেছে, আমাকে অহংকারী হয়ে উঠতে দেয়নি, আমার যোগ্যতা, দক্ষতা, লড়াই করে সম্মান আদায়ের চেষ্টা শিখিয়েছে৷

রাজনীতিটাকেও সেভাবেই দেখুন না৷

অনুপম দেব কানুনজ্ঞের এই লেখাটি আপনার কেমন লাগলো? জানান আমাদের, লিখুন নীচের ঘরে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন