একাধিক প্রার্থী আক্রান্ত, নেতার বাড়িতে ইভিএম | বিশ্ব | DW | 06.04.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ভারত

একাধিক প্রার্থী আক্রান্ত, নেতার বাড়িতে ইভিএম

পশ্চিমবঙ্গে তৃতীয় দফার ভোটে একাধিক প্রার্থী আক্রান্ত। তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে উদ্ধার ইভিএম।

পশ্চিমবঙ্গে ভোট পড়ছে প্রচুর, গোলমালও হচ্ছে অনেক জায়গায়।

পশ্চিমবঙ্গে ভোট পড়ছে প্রচুর, গোলমালও হচ্ছে অনেক জায়গায়।

গত দুই দফার থেকেও বেশি সহিংসতা হলো তৃতীয় দফায়। প্রচুর প্রার্থী আক্রান্ত হলেন। এদিন সকালে খানাকুলে তৃণমূল প্রার্থী নাজবুল করিমকে রাস্তায় ফেলে বাঁশ দিয়ে পেটানো হলো। আবার দুপুরে তিনি একটি বুথে গেলে সেখানেও তাকে মারধর করা হয়। দুইটি ক্ষেত্রেই অভিযোগ বিজেপি-র বিরুদ্ধে।

উলুবেড়িুয়ায় তৃণমূল প্রার্থী নির্মল মাজি আক্রান্ত হলেন। তার রক্ষীর মাথা ফাটল। আরামবাগে তৃণমূল প্রার্থী সুজাতা মন্ডল খাঁকে বাঁশ দিয়ে মারা হলো। তার গাড়ি ভাঙার চেষ্টা হলো। তাকে তাড়া করা হয়। প্রাণ বাঁচাতে তিনি ধানখেতের মধ্যে নেমে যান।  ফলতায় আক্রান্ত হয়েছেন এক বিজেপি প্রার্থী। গত দুই পর্বে এতজন প্রার্থী আক্রান্ত হননি।

শুধু প্রার্থীদের আক্রমণই নয়, দুবরাজপুরে পুকুর থেকে মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। বিজেপি-র দাবি, ওই ব্যক্তি তাদের কর্মী। আবার ওখানেই তৃণমূলের এক নেতা ভোট দিয়ে ফিরে আসছিলেন। তখন তাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়া হয়। তিনি মারা যান। অভিযোগ, বিজেপি কর্মীরা তাকে ধাক্কা মারেন। দুবরাজপুরে এই দুই ঘটনা নিয়ে প্রবল গণ্ডগোল হয়েছে। গোলমাল থামাতে গিয়ে পুলিশের ওসি আহত হয়েছেন।

দক্ষিণ ২৪ পরগনায় গুলিতে দুই তৃণমূল প্রার্থী আহত। অভিযোগ আব্বাস সিদ্দিকির আইএসএফের বিরুদ্ধে। আবার বাগনানে বিজেপি মহিলা মোর্চার নেত্রীর বাবাকে কোপ মারা হয়। অভিযোগ তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে। ক্যানিংয়ে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন তৃণমূল ও বিজেপি সমর্থকরা।

তৃতীয় দফায় দক্ষিণ ২৪ পরগণা, হাওড়া ও হুগলির ৩১টি আসনে ভোট ছিল। এই জেলাগুলি তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি বলে পরিচিত। বিজেপি এই সব জেলায় এবার ভালো ফল করতে চায়।

তবে তৃতীয় দফার ভোট শুরুর আগে চাঞ্জল্য দেখা দেয় তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে ইভিএম ও ভিভিপ্যাট উদ্ধারকে কেন্দ্র করে। সোমবার মাঝরাতে উলুবেড়িয়ায় তৃণমূল নেতা গৌতম ঘোষের বাড়িতে ইভিএম ও ভিভিপ্যাট মেশিন রেখে যান সেক্টর অফিসার তপন সরকার। খবর রটে যাওয়ার পর গ্রামবাসীরা ওই নেতার বাড়ি ঘিরে রাখে। তপন সরকার জানিয়েছেন, তার ফিরতে ফিরতে রাত হয়েছিল। তিনি প্রিসাইডিং অফিসারের কাছে জানতে চান কী করবেন? তিনি বলেন, রাস্তায় রাত কাটাতে। তিনি তখন একজন স্থানীয় মানুষের বাড়িতে মেশিন রেখে চলে যান। সেটা যে তৃণমূল নেতার বাড়ি তা জানতেন না। এই অফিসার সহ চারজনকে সাসপেন্ড করেছে নির্বাচন কমিশন।

জিএইচ/এসজি(পিটিআই, এএনআই)

সংশ্লিষ্ট বিষয়