‘এই দেশে সবাই সমান’ | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 23.10.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

‘এই দেশে সবাই সমান’

সবার প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমেই বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় থাকতে পারে৷ এজন্য চিন্তার বিকাশ ও সাংস্কৃতিক বোধোদয়ও জরুরি৷ ডয়চে ভেলে বাংলার সাপ্তাহিক টকশোতে এমনই মত তুলে ধরেছেন দুই আলোচক৷

‘খালেদ মুহিউদ্দীন জানতে চায়’ সাপ্তাহিক ইউটিউব টকশোতে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মুফতি ফয়জুল্লাহ এবং অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট আরিফ জেবতিক৷

অনুষ্ঠানের দুই আলোচকই গোটা পর্বজুড়ে জোর দেন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও শান্তির ওপর৷ এ বিষয়ে মুফতি ফয়জুল্লাহ বলেন যে, শান্তির পথ আসলে ইসলামেই রয়েছে৷ তাঁর মতে, ইসলাম উদার ও মধ্যপন্থি একটি ধর্ম হওয়ায় সব ধর্মাবলম্বীদের সমান অধিকার রয়েছে নিজ নিজ ধর্ম পালন করার৷ তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের একজন মুসলমান এবং বাংলাদেশ রাষ্ট্রের নাগরিক অন্য কারো বিশ্বাসে আঘাত করতে পারেন না৷ একজন মুসলমান আইন নিজের হাতে তুলে নিতে পারে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি৷

অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট আরিফ জেবতিকের মতামত, সাম্প্রদায়িক আচরণ শুধু বাংলাদেশে ঘটা কোনো বিচ্ছিন্ন বাস্তবতা নয়, এর বৈশ্বিক প্রকাশ ভারত থেকে প্যারিস সর্বত্র দেখা যাচ্ছে৷ বলেন, বর্তমান বাংলাদেশে যে ধরনের অসহিষ্ণুতা দেখা যাচ্ছে, তার অনেকটাই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত৷ অনেকেই অন্য বিশ্বাসে বিশ্বাসীদের অপ্রয়োজনীয় আঘাত করে চলেন বলে উল্লেখ করেন তিনি৷ এই সমস্যাকে মোকাবিলা ও বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বাড়াতে আরিফ জেবতিক সুস্থ ‘সামাজিক স্পেস’ তৈরির ওপর জোর দেন৷ একই প্রসঙ্গে সাংস্কৃতিক সচেতনতা বৃদ্ধির কথাও বলেন তিনি৷

মুফতি ফয়জুল্লাহর মতে, দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা সংখ্যালঘুদের যথেষ্ট আদরযত্নে রেখেছে৷ অন্যদিকে আরিফ জেবতিক মনে করান, দেশ আসলে সবার এবং সব ধর্ম নির্বিশেষে সবার সমান অধিকার রয়েছে নিজের বিশ্বাস চর্চা করার৷

অনুষ্ঠানে দুই আলোচকই বারবার অন্যধর্মের প্রতি সম্মান প্রদর্শন, সহিষ্ণুতা ও শান্তির ওপর জোর দেন৷ ইসলামী ঐক্যজোট নেতা  বলেন ইসলামপ্রদর্শিত শান্তির পথের কথা, অন্যদিকে অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টের মুখে উঠে আসে চিন্তার বিকাশ ও সাংস্কৃতিক বোধোদয়ের কথা৷ গালিগালাজ ও ইচ্ছাকৃতভাবে অপরপক্ষের অনুভূতিতে আঘাত করা থেকে একটি শ্রেণীকে বিরত থাকার আহ্বানও জানান দুই আলোচক৷

এসএস/এসিবি

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন