এইচআইভি আক্রান্তদের বীর্য সংরক্ষণের উদ্যোগ | বিশ্ব | DW | 27.11.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

নিউজিল্যান্ড

এইচআইভি আক্রান্তদের বীর্য সংরক্ষণের উদ্যোগ

এইচআইভি আক্রান্তদের সম্পর্কে সামাজিক ভীতি দূর করতে অভিনব এক উদ্যোগ নিয়েছে নিউজিল্যান্ড৷ এই ভাইরাস বহন করছে এমন মানুষদের জন্য তৈরি করেছে স্পার্ম বা বীর্য ব্যাংক৷

নিউজিল্যান্ডে বিশ্বের প্রথম এইচআইভি-পজেটিভ স্পার্ম ব্যাংক চালু করা হয়েছে বুধবার৷ উদ্দেশ্য, এমন ভাইরাস আক্রান্তদের সম্পর্কে সমাজে যে ভীতি কাজ করছে তা দূর করা৷

এখন অবধি তিনজন এইচআইভি ভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তি স্পার্ম ব্যাংকে বীর্য দান করেছেন৷ তাদের শরীরে এই ভাইরাসের উপস্থিতি ধারাবাহিকভাবেই ‘অসনাক্তযোগ্য পর্যায়ে’ রয়েছে৷ বিশেষজ্ঞদের মতে, এর অর্থ হচ্ছে, নিয়মিত চিকিৎসা গ্রহণ করছেন এমন একজন এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তির পক্ষে শরীরে থাকা ভাইরাস অন্য কারো মধ্যে ছড়িয়ে দেয়া সম্ভব নয়৷

সংক্রামকব্যাধি বিশেষজ্ঞ এবং অকল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মার্ক টমাস এই বিষয়ে বলেন, ‘‘এই এইচআইভি পজেটিভ স্পার্ম ব্যাংক পুরোপুরি নিরাপদ৷ যখন একজন আক্রান্ত ব্যক্তি নিয়মিত কার্যকর চিকিৎসা গ্রহণ করেন, তখন তার রক্তে এইচআইভি ভাইরাসের পরিমাণ প্রায় সবসময়ই অসনাক্তকর পর্যায়ে নেমে যায়৷''

আর এই পরিস্থিতিতে সেই ব্যক্তির পক্ষে অরক্ষিত যৌনমিলন বা সন্তান জন্মদানের মাধ্যমে এই ভাইরাস অন্যের শরীরে ছড়িয়ে দেয়া সম্ভব হয় না বলে জানান টমাস৷

তবে, চিকিৎসকরা যা-ই বলুন না কেন এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তিরা এখনো প্রকাশ্যে তাদের রোগ নিয়ে কথা বলতে সংকোচবোধ করেন৷ ফলে এইচআইভি পজেটিভ স্পার্ম ব্যাংকের জন্য পর্যাপ্ত বীর্যদাতা পাওয়া গেলেও তাদের কেউই প্রকাশ্যে এই বিষয়ে কথা বলতে আগ্রহী নন৷

এআই/এসিবি (ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন