ঋণ মওকুফের দাবিতে সংসদ অভিমুখে ভারতের কৃষকরা | বিশ্ব | DW | 30.11.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ভারত

ঋণ মওকুফের দাবিতে সংসদ অভিমুখে ভারতের কৃষকরা

ভারতের প্রায় এক লাখ কৃষক রাজধানী নয়াদিল্লিতে সংসদ অভিমুখে যাত্রা করেছেন৷ দ্রব্যমূল্য ও উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির কারণে বিপাকে পড়া এই কৃষকদের দাবি– ঋণ মওকুফ ও ফসলের ন্যায্য দাম নিয়ে সংসদে বিশেষ অধিবেশন বসুক৷

স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে যে, দু'দিনব্যাপী এই আন্দোলনে ২০০ সংগঠনের প্রায় এক লাখ কৃষক অংশ নিয়েছেন৷ বৃহস্পতিবার সকালে তাঁরা প্রথমে আনন্দ বিহার রেল স্টেশনে জড়ো হন৷ সেখান থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিল্লি হয়ে রামলীলা ময়দানের উদ্দেশ্যে রওনা দেন৷

সন্ধ্যায় রামলীলা ময়দানে সভায় যোগ দেন৷ শুক্রবার রামলীলা ময়দান থেকে সরাসরি সংসদভবনের উদ্দেশে রওনা দেন তারা৷

এই নিয়ে গত কয়েকমাসে দিল্লিতে তৃতীয়বার কৃষক আন্দোলনের সাক্ষী হয়েছেন৷ এর আগেও আন্দোলনের সময় প্রতিশ্রুতি পেয়েছেন৷ কিন্তু কাঙ্খিত ফল পাননি তাঁরা৷ তাই মোদী সরকারের ওপর যারপরনাই ক্ষুব্ধ কৃষকরা৷

‘‘কৃষকরা প্রায়ই আত্মহত্যা করছেন,’’ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন জয় কিষাণ আন্দোলনের নেতা ইয়োগেন্দ্র ইয়াদব৷ ‘‘খুবই লজ্জার বিষয় যে, যারা আমাদের খাবারের জোগান দিচ্ছেন, তাদের কথা শোনার সময় সরকারের নেই৷’’

সরকারের নানা নীতির কারণে ভারতের গ্রামের মানুষের আয় বাড়েনি৷ তার ওপর কৃষিতে ভর্তুকির বদলে সরকারের বিনিয়োগনীতি গ্রহণের ফলে কৃষকরা আরো বেশি হতাশ হয়ে পড়েছেন৷

দেশটির ২ দশমিক ৬ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে প্রায় ১৫ ভাগ অবদান কৃষির৷ তার চেয়েও বড় কথা হলো, কৃষির সঙ্গে দেশের ১৩০ কোটি মানুষের অর্ধেকই জড়িত৷

‘‘আমার পরিচিত অনেক কৃষকই আত্মহত্যা করেছেন৷ তাঁদের পরিবারের করুণ দশা,’’ উত্তর প্রদেশ থেকে আসা কৃষক লাখান পাল সিং বলেন রয়টার্সকে৷ ‘‘মোদী সরকারের নীতির কারণেই আজ এই অবস্থা৷’’

সিং বলেন, ‘‘আমরা বিজেপিকে ভোট দিয়েছিলাম৷ অথচ এই সরকারের কৃষক-বিরোধী নীতিগুলো আমাদের বিপদে ফেলেছে৷’’

ভারতের ৭০ ভাগ মানুষ থাকেন গ্রামে৷ ২০১৪ সালের নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী'র দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) দেশটির গত তিন দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় জয় নিয়ে সরকার গঠন করেছে৷

এই ভোটারদের একটা বড় অংশ কৃষক৷ এদের সংখ্যা প্রায় ২৬ কোটি ৩০ লাখ৷ কৃষকদের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ আগামী মে মাসের পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনের ফলাফলের ওপর পড়বে বলে ধারণা করেন অনেকেই৷

জেডএ/এসিবি (রয়টার্স)

গত মার্চের ছবিঘরটি দেখুন...

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন