উল্ম ইউনিভার্সিটিতে টিউশন ফি লাগে না | জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা | DW | 17.09.2012
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা

উল্ম ইউনিভার্সিটিতে টিউশন ফি লাগে না

জার্মানির উল্ম ইউনিভার্সিটিতে বেশ কিছু বিষয় আছে যেখানে ইংরেজিতে পড়ার সুযোগ রয়েছে৷ ছাত্রদের জন্য গবেষণা সহকারি হিসেবে কাজ করারও সুযোগ রয়েছে৷ তাই বিদেশি ছাত্রছাত্রীদের কাছে উল্ম ইউনিভার্সিটি একটি আকর্ষণীয় জায়গা৷

তবে উল্ম ইউনিভার্সিটিতে পড়ার জন্য সবচেয়ে বড় আকর্ষণ যেটি সেটি হলো এখানে কোন টিউশন ফি নেই৷ এই বছরের গ্রীষ্মকালীন সেমেস্টার থেকে টিউশন ফি বাতিল করা হয়েছে৷ তবে প্রতি সেমেস্টার বাবদ ছাত্রছাত্রীদের ১০৩ ইউরো করে দিতে হয়৷ এর মধ্যে প্রশাসনিক খরচ বাবদ ৪০ ইউরো আর ছাত্র সংসদের জন্য ৬৩ ইউরো৷ তবে অনলাইনে অনকোলজি নিয়ে মাস্টার্স কোর্স করতে চাইলে সেখানে টিউশন ফি দিতে হবে৷

উল্ম ইউনিভার্সিটিতে বেশ কিছু বিষয় রয়েছে যেখানে বিদেশি ছাত্রছাত্রীরা ইংরেজিতে মাস্টার্স করতে পারে৷ এসব বিষয়গুলো হলো অ্যাডভান্সড ম্যাটারিয়াল্স, অ্যাডভান্সড অনকোলজি, কম্যুনিকেশন টেকনোলজি, এনার্জি সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, ফিনান্স এবং মলিকিউলার সায়েন্স৷

Fahmida Azmi, a Bangladeshi female student, is studying in Ulm University in Germany. Copyright: privat via Riazul Islam, DW Bengali

উল্ম বিশ্ববিদ্যালয়ের এনার্জি অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগে মাস্টার্স করছেন বাংলাদেশের ছাত্রী ফাহমিদা আজমি

এই বিশ্ববিদ্যালয়ের এনার্জি অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগে মাস্টার্স করছেন বাংলাদেশের ছাত্রী ফাহমিদা আজমি৷ তিনি বাংলাদেশের ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি থেকে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং'এ পড়া শেষ করে জার্মানিতে পড়তে এসেছেন৷ তিনি জানান, তাঁর এক বন্ধু উল্ম ইউনিভার্সিটিতে পড়তেন৷ তাঁর মাধ্যমেই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের খবর জানতে পারেন৷ আরও কয়েকটি দেশে তিনি ভর্তির জন্য চেষ্টা করেছিলেন৷ তবে জার্মানিতে পড়ার সুযোগ পেয়ে সেটিই গ্রহণ করেছেন৷

জার্মানিতে কেন পড়তে আসলেন? সেই প্রশ্নের জবাবে ফাহমিদা আজমি বলেন, জার্মানি যেহেতু প্রযুক্তির দিক থেকে অনেক এগিয়ে তাই মনে হলো এখানেই পড়ি৷ আর যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর খরচ বেশি৷ অন্যদিক থেকে জার্মানির বিশ্ববিদ্যালয় আমার আবেদন পত্র গ্রহণ করেছে৷ তাই সবদিক থেকে জার্মানিকে বেছে নিয়েছি৷

এখানে বৃত্তির সুযোগ রয়েছে বলে জানান ফাহমিদা৷ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর ডয়েশল্যান্ড স্টিপেন্ডিয়ুম নামে বৃত্তির জন্য আবেদন করেছিলেন৷ তবে প্রথম বছর সেটা না পেলেও দ্বিতীয় বছর পেয়েছেন৷

অডিও শুনুন 04:00

পরিবেশনাটি শুনতে ক্লিক করুন এখানে

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগারগুলোতে ছাত্রছাত্রীদের জন্য একটা বড় সুযোগ রয়েছে, সেটি হলো সহকারি হিসেবে কাজ করা, যাকে বলা হয় হিউয়ি৷ এই কাজের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা হাত খরচ চালানোর মত পয়সা রোজগার করতে পারে বলে জানান তিনি৷ ‘‘পড়াশোনা আর থাকা খাওয়ার বাবদ প্রতি মাসে ৪০০ থেকে সাড়ে চারশ ইউরো লাগে৷ তবে বৃত্তির সঙ্গে পার্ট টাইম কাজের কারণে সেই খরচ নিয়ে আমাকে চিন্তা করতে হয়নি,'' বলেন ফাহমিদা আজমি৷

পড়াশোনার জন্য আপাতত জার্মান ভাষাটা দরকার হচ্ছে না৷ তবে অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য, চলাফেরার জন্য জার্মান ভাষাটা জরুরি৷ এজন্য আগে থেকে জার্মান ভাষাটা জানা হলে ভালো হয়, মন্তব্য করেন বাংলাদেশের এই ছাত্রী৷ পড়াশোনা শেষে জার্মানিতে চাকরির সুযোগ খুঁজে দেখবেন, নইলে দেশে ফিরে যাওয়ার ইচ্ছা রয়েছে ফাহমিদা আজমির৷

প্রতিবেদন: রিয়াজুল ইসলাম

সম্পাদনা: জাহিদুল হক

নির্বাচিত প্রতিবেদন

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

বিজ্ঞাপন