উদ্ভিদ জগতেও রেকর্ডের অভাব নেই | অন্বেষণ | DW | 10.12.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

অন্বেষণ

উদ্ভিদ জগতেও রেকর্ডের অভাব নেই

ব্লু হোয়েল প্রজাতির তিমি বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রাণী হিসেবে পরিচিত৷ উদ্ভিদ জগতের এমন বেশ কিছু দৃষ্টান্ত মানুষের বিস্ময়ের কারণ৷ বৃদ্ধির হার, দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, উচ্চতা, বয়সের বিচারে কিছু গাছপালা আশ্চর্য মাত্রা ছুঁয়েছে৷

সব উদ্ভিদেরই আলোর চাহিদা রয়েছে৷ তবে চীন ও জাপানের বিশেষ প্রজাতির এক বাঁশঝাড়ের মতো এমন তাড়া বোধহয় অন্য কোনো উদ্ভিদের থাকে না৷ দিনে এক দশমিক দুই এক মিটার বৃদ্ধি নথিভুক্ত করা হয়েছে৷ চারাগাছ থেকে ২৫ মিটার উচ্চতা ছুঁতে এই গাছের প্রায় তিন সপ্তাহ সময় লাগে৷ ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠার মতো ঘটনা৷

বর্তমানে সবচেয়ে বড় গাছ হলো বিশালাকার ‘হাইপেরিয়ন'৷ এটির জন্য গ্রিক কিংবদন্তির আলোর টাইটানের নাম বেছে নেওয়া হয়েছে৷ ১১৫ মিটার উঁচু এই গাছ এমনকি নিউ ইয়র্কের স্ট্যাচু অফ লিবার্টির চেয়েও বড়!

প্রস্থের বিচারে সবচেয়ে বড় গাছটি মেক্সিকোয় দেখতে পাওয়া যায়৷ বেশ পরিণত এক মেক্সিকান বল্ড সাইপ্রেস গাছের আয়তন সত্যি বিস্ময়কর৷ অর্থাৎ ব্যাস ১৪ মিটার, ব্যাপ্তি প্রায় ৪৬ মিটার এবং উচ্চতা ৪০ মিটার৷

টাইটান অ্যারাম ফুলের নাম সত্যি সার্থক৷ এক একটি ফুল তিন মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে৷ বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুল এটি৷ শুধু আকার-আয়তন নয়, দুর্গন্ধের কারণে এই ফুলের কাছে যাওয়া যায় না৷

কিছু উদ্ভিদ আবার শুধু মাটির নীচেই আশ্চর্য কেরামতি দেখায়৷ যেমন রাই৷ মাটির উপরে সামান্য অংশ বেরিয়ে থাকলেও এই উদ্ভিদের শিকড় ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত দীর্ঘ হতে পারে৷

তবে মাটির গভীরে ছড়িয়ে পড়ার রেকর্ড দক্ষিণ আফ্রিকার এক ডুমুর গাছ ধরে রেখেছে৷ সেটির একটি শিকড় কয়েক দশক ধরে মাটির প্রায় ১২০ মিটার গভীরে পৌঁছে গেছে৷ সেই স্তরেই পানির সন্ধান মিলেছে৷

বাইবেলের চরিত্র হিসেবে মেথুসেলা নাকি ৯৬৯ বছর বেঁচে ছিলেন৷ কিন্তু বাস্তবে উদ্ভিদ এমন কৃতিত্বকেও অনেক খাটো করে তুলতে পারে৷ অ্যামেরিকার ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যের এক পাইন গাছের বয়স ৪,৮০০-রও বেশি৷ সেটির নামও মেথুসেলা রাখা হয়েছে৷

ডিটার এঙেলমান/এসবি

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন