উত্ত্যক্ততা প্রতিরোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 11.11.2010
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

সমাজ সংস্কৃতি

উত্ত্যক্ততা প্রতিরোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত

উত্ত্যক্ততা প্রতিরোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত বা মোবাইল কোর্ট চালু হয়েছে৷এই আদালত তাৎক্ষণিকভাবে সর্বোচ্চ ১ বছর কারাদণ্ড এবং অনির্ধারিত পরিমাণ অর্থ জরিমানা করতে পারবে৷

উত্ত্যক্তকারীদের আর রেহাই নেই (ফাইল ফটো)

উত্ত্যক্তকারীদের আর রেহাই নেই (ফাইল ফটো)

উত্ত্যক্তের শিকার হয়ে গত ১০ মাসে আত্মহত্যা করেছেন অন্তত ২২ জন কিশোরী-তরুণী৷ আর উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করতে গিয়ে মা ও শিক্ষক নিহত হয়েছেন বখাটেদের হাতে৷ এর বাইরে হামলা ও হুমকিতো রয়েছেই৷ তাই নারী উত্ত্যক্ততা প্রতিরোধে অবশেষে ভ্রাম্যমাণ আদালত চালু হল৷ বুধবার এই প্রজ্ঞাপন জারি হলেও ভ্রাম্যমাণ আদালত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ স্পর্শকাতর জায়গায় পুরোদমে কাজ শুরু করছে বৃহস্পতিবার থেকে৷

বাংলাদেশ দণ্ডবিধি'র ৫০৯ ধারাকে ভ্রাম্যামাণ আদালতে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে৷ এই আইন অনুযায়ী নারীর শালীনতা ভঙ্গ করে এমন কোন শব্দ, অঙ্গভঙ্গি বা বস্তু প্রদর্শন অপরাধ৷ এর সর্বোচ্চ শাস্তি ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড৷ স্বরাষ্ট্র সচিব আব্দুস সোবহান জানিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটরা এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করবেন৷ উত্ত্যক্ততা থেকে আত্মহত্যাসহ অন্য কোন অপরাধ সংঘটিত হলে তার শাস্তি হবে প্রচলিত আইনে৷

ভ্রাম্যমাণ আদালত প্রজ্ঞাপন জারির পরপরই বুধবার বিকেলে পিরোজপুর ও পঞ্চগড়ে ৬ জন উত্ত্যক্ততারকারীকে শাস্তি দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত৷ পঞ্চগড়ে ৩ জনকে ২শ' টাকা করে জরিমানা এবং পিরোজপুরে ৩ জনকে ১৫ দিন করে জেল দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত৷

প্রতিবেদন: হারুন উর রশীদ স্বপন, ঢাকা

সম্পাদনা: আরাফাতুল ইসলাম

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন