উত্তর প্রদেশে তীব্র অক্সিজেন সংকট, মন্ত্রীর চিঠি যোগীকে | বিশ্ব | DW | 10.05.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ভারত

উত্তর প্রদেশে তীব্র অক্সিজেন সংকট, মন্ত্রীর চিঠি যোগীকে

এবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীই অভিযোগ করলেন, তার নির্বাচনী কেন্দ্র বেরিলিতে তীব্র অক্সিজেন সংকট চলছে।

যোগী আদিত্যনাথকে অক্সিজেন সংকট নিয়ে চিঠি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সন্তোয গাঙ্গোয়ারের।

যোগী আদিত্যনাথকে অক্সিজেন সংকট নিয়ে চিঠি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সন্তোয গাঙ্গোয়ারের।

এতদিন অভিযোগ করছিলেন সাধারণ মানুষ, সংবাদপত্র এবং বিরোধী নেতারা। উত্তর প্রদেশে অক্সিজেন সংকট চলছে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ তা মানতে চাননি। তিনি দাবি করেছিলেন, সব সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে অক্সিজেন রয়েছে। উল্টে তিনি সরকারি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন, কেউ অক্সিজেন নিয়ে গুজব বা অপপ্রচার চালালে জাতীয় সুরক্ষা আইনে তাদের গ্রেপ্তার করতে হবে এবং সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হবে। এই সিদ্ধান্ত নিয়ে হইচই কম হয়নি। প্রিয়ঙ্কা গান্ধী থেকে শুরু করে অনেকেই তার নিন্দা করেছিলেন।

কিন্তু এবার অভিযোগ এসেছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং উত্তর প্রদেশের বিজেপি নেতা সন্তোষ গাঙ্গোয়ারের কাছ থেকে।  নিজের নির্বাচন কেন্দ্র বেরিলি নিয়ে তিনি বলেছেন, সেখানে অক্সিজেনসংকট চলছে। ভেন্টিলেটার এবং অন্য চিকিৎসা সামগ্রী কালোবাজারে বিক্রি হচ্ছে। স্বাস্থ্য দফতরের কর্মীরা ফোন তুলছেন না। ফলে মানুষ প্রবল অসুবিধায় পড়েছেন। যোগী আদিত্যনাথকে চিঠি দিয়ে তিনি এই অভিযোগ করেছেন।

গাঙ্গোয়ার পরে সাংবাদিকদের বলেছেন, তিনি মানুষের কাছ থেকে যে অভিযোগ ও সুপারিশ পেয়েছেন, সেটাই মুখ্যমন্ত্রীকে পাঠিয়ে দিয়েছেন। তবে তিনি মনে করেন, মানুষ যে সব অভিযোগ করছেন, তা ঠিক। এগুলি নিয়ে তদন্ত হওয়া উচিত। গাঙ্গোয়ারের মতে, অক্সিজেন সংকট সাময়িক। এর সমাধান হয়ে যাবে। তবে কোনো জিনিসের কালোবাজারি হওয়া উচিত নয়।

কালোবাজিরি ও মজুতদারি যে সমস্যা তা যোগীও মেনে নিয়েছেন।

কিছুদিন আগেই প্রিয়ঙ্কা গান্ধী টুইট করে বলেছিলেন, ''উত্তর প্রদেশ জুড়ে অক্সিজেন সংকট চলছে। মুখ্যমন্ত্রীজি, আপনি আমাকে গ্রেপ্তার করতে পারেন। সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে পারেন। কিন্তু পরিস্থিতি যে সংকটজনক তা স্বীকার করুন এবং মানুষকে বাঁচাতে ব্যবস্থা নিন।''

ভারতের অবস্থা

ভারতে গত ৪ দিন আক্রান্তের সংখ্যা  ছিল চার লাখেরও বেশি।  কিন্তু ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা কমেছে। তিন লাখ ৬৬ হাজার ১৬১ জন। আক্রান্ত হয়েছেন। দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যাও সামান্য কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন তিন হাজার ৭৫৪ জন।  দৈনিক সংক্রমণ এবং ম়ত্যু কমলেও সংক্রমণের হার বেড়েছে।

জিএইচ/এসজি(এনডিটিভি)