উত্তর কোরিয়ার উপর হামলার আশঙ্কা? | বিশ্ব | DW | 30.08.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

উত্তর কোরিয়া

উত্তর কোরিয়ার উপর হামলার আশঙ্কা?

গোটা বিশ্বের সম্মিলিত চাপের পরোয়া না করে উত্তর কোরিয়া একের পর এক অস্ত্র পরীক্ষা করে চলেছে৷ এমনকি মার্কিন প্রশাসনের হুমকি বা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানও তাদের আচরণে পরিবর্তন আনছে না৷

জাপানের উপর দিয়ে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উড়িয়ে প্ররোচনার পর নিরাপত্তা পরিষদ আবার উত্তর কোরিয়ার প্রবল সমালোচনা করেছে এবং অবিলম্বে অস্ত্র কর্মসূচি বন্ধ ও উত্তেজনা কমাতে সুস্পষ্ট পদক্ষেপ নেবার ডাক দিয়েছে৷ তবে একঘরে হয়ে পড়া উত্তর কোরিয়া সরকারের উপর নতুন কোনো নিষেধাজ্ঞার হুমকি দেওয়া হয়নি৷ বর্তমানে যে সব নিষেধাজ্ঞা চালু রয়েছে, জাতিসংঘের প্রস্তাবে সেগুলি কার্যকর করার ডাক দেওয়া হয়েছে৷ চীন ও রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আরও একতরফা নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করেন৷ দক্ষিণ কোরিয়ায় মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা মোতায়েনের কাজ অবিলম্বে বন্ধ করার ডাক দেন তাঁরা৷

দক্ষিণ কোরিয়া ও অ্যামেরিকার যৌথ সামরিক মহড়ার জবাব হিসেবে জাপানের উপর দিয়ে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে উত্তর কোরিয়া৷ তাছাড়া এই পরীক্ষা প্রশান্ত মহাসাগরে গুয়াম দ্বীপে মার্কিন ঘাঁটির উপর সামরিক হামলার পথে প্রথম পদক্ষেপ৷ উত্তর কোরিয়ার সরকারি সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ সে দেশের নেতা কিম জং উনকে উদ্ধৃত করে আরও জানিয়েছে, প্রশান্ত মহাসাগরে আরও সামরিক মহড়ার পরিকল্পনা রয়েছে৷

এমন পরিস্থিতিতে ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষে হাত গুটিয়ে বসে থাকা কঠিন হবে বলে অনেক পর্যবেক্ষক মনে করছেন৷ অ্যামেরিকা উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি অকেজো করে দিতে একতরফা সামরিক হামলা চালাতে পারে, এমন আশঙ্কা আর উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না৷ অথবা উত্তর কোরিয়া আবার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালালে মাঝ আকাশে সেই ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করার চেষ্টাও চালাতে পারে ওয়াশিংটন৷ তবে এমন পদক্ষেপের প্রতিক্রিয়া মারাত্মক হতে পারে৷ উত্তর কোরিয়া এমন পদক্ষেপকে যুদ্ধ হিসেবে গণ্য করতে পারে৷

চীন সব পক্ষের উদ্দেশ্যে সংযমের ডাক দিয়ে শুধুমাত্র নিরাপত্তা পরিষদের কাঠামোর মধ্যে যাবতীয় পদক্ষেপ নেবার উপর জোর দিচ্ছে৷ এদিকে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী উত্তর কোরিয়ার উপর আরও চাপ সৃষ্টি করার ডাক দিয়েছেন, যাতে সে দেশ সংলাপের পথে আসতে বাধ্য হয়৷

এসবি/ডিজি (রয়টার্স, ডিপিএ,)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়