উত্তর কোরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকের কারাদণ্ড | বিশ্ব | DW | 29.04.2016
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

উত্তর কোরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকের কারাদণ্ড

গোয়েন্দাগিরির অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের এক নাগরিককে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে উত্তর কোরিয়ার আদালত৷ উত্তর কোরিয়ার সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, দক্ষিণ কোরিয়ায় জন্ম নেয়া ওই ব্যক্তি ‘ক্ষমার অযোগ্য' অপরাধ স্বীকার করেছেন৷

দক্ষিণ কোরিয়ায় জন্ম নেয়া কিম ডং চুল যুক্তরাষ্ট্র্রের নাগরিক হলেও ১৫ বছর ধরে উত্তর কোরিয়ার সীমান্তে বসবাস করছিলেন৷ উত্তর কোরিয়ার দাবি, সীমান্তবর্তী সেই এলাকা থেকে কিম ডং চুল নিয়মিত ‘ব়্যাসন'-এ যেতেন৷ ‘ব়্যাসন' উত্তর কোরিয়ার বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল৷

৬২ বছর বয়সি কিম ডং চুলের বিরুদ্ধে শুধু সন্দেহজনকভাবে ওই অর্থনৈতিক জোনে যাওয়া-আসাই একমাত্র অভিযোগ নয়৷ উত্তর কোরিয়ার কর্মকর্তাদের দাবি, গ্রেপ্তারকৃত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকের কাছ থেকে একটি ইউএসবি স্টিক উদ্ধার করা হয়েছে এবং সেই স্টিকে পারমাণবিক গবেষণা এবং সামরিক বাহিনী সম্পর্কিত অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রয়েছে৷ গুপ্তচর হিসেবে এ সব তথ্য পাচারের চেষ্টার অভিযোগেই কিম ডং চুলকে গ্রেপ্তার করা হয়৷ শুক্রবার সংক্ষিপ্ত শুনানি শেষে তাঁকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ আদালত৷

উত্তর কোরিয়ায় এর আগেও পাঁচ জন বিদেশিকে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে৷ পাঁচজনের তিনজনই বৈরি প্রতিবেশী দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক৷ বাকি দু'জনের একজন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ওটো ওয়ার্মবিয়ার৷ ২১ বছর বয়সি ওটো পর্যটক হিসেবে উত্তর কোরিয়ায় গিয়ে গত মার্চ মাসে গ্রেপ্তার হন৷ দ্রুত বিচারে তাঁকে ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়৷

যুক্তরাষ্ট্র সবসময়ই বলে আসছে, উত্তর কোরিয়া তাদের নাগরিকদের গুপ্তচরবৃত্তির মিথ্যা অভিযোগে শাস্তি দিয়ে ‘বলীর পাঁঠা' বানাচ্ছে৷ অন্যদিকে উত্তর কোরিয়ার অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে গুপ্তচর পাঠিয়ে সরকার পতনের চেষ্টা চালাচ্ছে৷

এসিবি/ডিজি (এপি, এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়