উত্তরাঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ, তীব্র ঠান্ডা | বিশ্ব | DW | 26.12.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

উত্তরাঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ, তীব্র ঠান্ডা

দেশের উত্তরাঞ্চল দিয়ে শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে৷ এর প্রভাবে নেমেছে তীব্র ঠান্ডা৷ তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছে পাঁচ দশমিক সাত ডিগ্রি সেলসিয়াসে৷

দেশের উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলো দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে৷ এর প্রভাবে সেসব এলাকায় তাপমাত্রা কমে গেছে৷ এরমধ্যে রংপুর বিভাগে তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল পাঁচ দশমিক সাত ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা এই মৌসুমের সর্বনিম্ন৷ এছাড়া কুড়িগ্রামের রাজারহাটে সাত দশমিক পাঁচ এবং নিলফামারীর ডিমলায় সর্বনিম্ন সাত দশমিক আট ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর৷

রাজশাহী বিভাগে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল নওগাঁ জেলার বদলগাছীতে, আট দশমিক আট ডিগ্রি সেলসিয়াস৷ আর সিরাজগঞ্জের তাড়াশে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল নয় দশমিক আট ডিগ্রি সেলসিয়াস৷   

আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ‘‘ময়মনসিংহ, রাজশাহী, নওগাঁ ও সিরাজগঞ্জ অঞ্চলসহ রংপুর বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারী ধরনের শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকবে৷''

এদিকে দেশের অন্যান্য বিভাগে বৃষ্টির আশংকা রয়েছে৷ আবহাওয়া অফিস বলছে, ‘‘খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও ঢাকা বিভাগের দু'এক জায়গায় হালকা বৃষ্টি বা গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হতে পারে৷ এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুস্ক থাকতে পারে৷''

এদিকে বুধবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল চট্টগ্রামে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস৷ ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২১ দশমিক এক ডিগ্রি আর সর্বনিম্ন ১২ দশমিক পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস৷

বাংলাদেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা

আবহাওয়া অফিসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলাদেশে ডিসেম্বরের সর্বনিম্ন গড় তাপমাত্রা ১৪ দশমিক দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস৷ বছরের সবচেয়ে কম তাপমাত্রা থাকে জানুয়ারিতে৷ এ সময় সর্বনিম্ন গড় নেমে আসে ১২ দশমিক পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াসে৷ গত বছরের আট জানুয়ারি পঞ্চগড়ের তেতুলিয়াতে দুই দশমিক ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়, যা দেশের ইতিহাসে সর্বনিম্ন৷ এর আগের রেকর্ডটি ছিল ১৯৬৮ সালের৷ সেবার মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে তাপামাত্রা নামে এসেছিল দুই দশমিক আট ডিগ্রি সেলসিয়াসে৷

এফএস/কেএম

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন