উত্তরপ্রদেশ নিয়ে কংগ্রেস ও তৃণমূল তরজা | বিশ্ব | DW | 07.10.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ভারত

উত্তরপ্রদেশ নিয়ে কংগ্রেস ও তৃণমূল তরজা

লখিমপুর খেরিতে যেতে দেয়া হলো রাহুল ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধীকে। তবে এনিয়ে তৃণমূল ও কংগ্রেসের তরজাও শুরু হয়েছে।

তৃণমূল সাংসদদের লখিমপুর খেরি যেতে দেয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিলেন রাহুল গান্ধী।

তৃণমূল সাংসদদের লখিমপুর খেরি যেতে দেয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিলেন রাহুল গান্ধী।

অবশেষে লখিমপুর খেরিতে নিহত কৃষকদের পরিবারের কাছে যেতে পারলেন রাহুল ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধী। বুধবার রাহুলের সেখানে যাওয়া নিয়েও নানা টালবাহানা হয়। পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী চরণজিৎ সিং চান্নি, ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বঘেলদের নিয়ে রাহুল লখিমপুর খেরি যান। তবে লখনউ বিমানবন্দরে রাহুলকে বলা হয়, রাজ্য সরকারের গাড়িতে যেতে হবে। রাহুল জানিয়ে দেন, তিনি নিজের গাড়িতেই যাবেন। কংগ্রেসের অভিযোগ, রাহুলদের বিমানবন্দর থেকে বেরোতে বাধা দেয়া হয়েছিল।

কংগ্রেস-তৃণমূল বিরোধ

লখিমপুর যাওয়ার আগে রাহুল প্রশ্ন তোলেন, তৃণমূল সহ কয়েকটি দলকে লখিমপুর যেতে দেয়া হয়েছে। তাহলে কংগ্রেসকে কেন যেতে দেয়া হবে না? রাহুল জানান, টিএমসি ও ভীম আর্মিকে লখিমপুর যেতে দেয়া হয়েছে।

গত মঙ্গলবার তৃণমূল সাংসদরা লখিমপুর গিয়ে মৃত কৃষকদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। তারাই প্রথম দল যারা কৃষকদের সঙ্গে দেখা করে।

কিন্তু রাহুলের এই মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করে তৃণমূল। দলের মুখপাত্র ও সাবেক সাংসদ কুণাল ঘোষ টুইট করে বলেন, ''রাহুল গান্ধীর এটা জানা উচিত যে ত্রিপুরায় বিজেপি-র বিরুদ্ধে আন্দোলন করে তৃণমূল লখিমপুর গেছে।'' তার বক্তব্য, ''বিজেপি-কে রুখতে ব্যর্থ কোনো পার্ট টাইম রাজনীতিবিদের কাছ থেকে অরাজনৈতিক মন্তব্য শুনতে তৃণমূল প্রস্তুত নয়।'' 

লোকসভায় কংগ্রেসের নেতা ও প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী অভিযোগ করেন, তৃণমূল ও আপ-কে পিছন থেকে বিজেপি সাহায্য করছে কংগ্রেসকে রুখে দেয়ার জন্য। তার দাবি, ''রাহুল ও প্রিয়ঙ্কাকে আগে লখিমপুর যেতে দেয়া হলো না। কিন্তু তৃণমূলকে কৃষকদের বাড়িতে পৌছে দেয়া হলো। এ এক অদ্ভুত বৈষম্যমূলক আচরণ চলছে।'' অর্থাৎ, অধীর তৃণমূল-বিজেপি আঁতাতের ইঙ্গিত দিয়েছেন।

অন্যদিকে দলের মুখপত্র জাগোবাংলার পুজোসংখ্যা প্রকাশ অনুষ্ঠানে বুধবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ''তৃণমূলই একমাত্র দল, যারা লখিমপুরে মৃত কৃষকদের পরিবারের কাছে পৌঁছেছে। ১২ ঘণ্টা ধরে এপথ-ওপথ দিয়ে গিয়ে কাকলি ঘোষ দস্তিদার, প্রতিমা মন্ডল, দোলা সেন, আবীর বিশ্বাসরা পৌঁছাতে পেরেছিলেন। দোলা তো পাঞ্জাবি সেজেছিলেন। ওরা পৌঁছাতে পেরেছে, এটাই বড় ব্যাপার।''

 

লখিমপুর খেরিতে রাহুল-প্রিয়ঙ্কা

রাহুল প্রথমে সীতাপুরে যান। সেখান থেকে বোন প্রিয়ঙ্কাকে নিয়ে লখিমপুর পৌঁছন। মৃত কৃষকদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। রাহুলের দাবি, অবিলম্বে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্রের ছেলে আশিস মিশ্রকে গ্রেপ্তার করতে হবে।

রাহুল বলেন, ''মৃতের পরিবার পোস্ট মর্টেম রিপোর্ট নিয়ে সন্তুষ্ট নয়। তারা চায়, এখনই মন্ত্রীর ছেলেকে গ্রেপ্তার করুক পুলিশ। দোষীর শাস্তি হোক।'' রাহুলের অভিযোগ, ''অজয় মিশ্র কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলে তার ছেলেকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না। আমরা এখানে এসেছি সরকারকে চাপ দিতে, যাতে তারা মন্ত্রীর ছেলেকে গ্রেপ্তার করে।''

সোমবার থেকে প্রিয়ঙ্কাকে সীতাপুরে আটক করে রাখা হয়েছিল। তাকেও বুধবার মুক্তি দেয়া হয়। তিনি জানিয়েছেন, ''মৃতের পরিবার কোনো ক্ষতিপূরণ চায় না। তারা ন্যায় চায়। দোষীকে তাই অবিলম্বে গ্রেপ্তার করতে হবে।''

জিএইচ/এসজি (পিটিআই,এএনআই)