উত্তপ্ত কাশ্মীরে গ্রেপ্তার ৭০০ জন | বিশ্ব | DW | 11.10.2021

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

কাশ্মীর

উত্তপ্ত কাশ্মীরে গ্রেপ্তার ৭০০ জন

পাঁচদিনে সাতজন সাধারণ মানুষের হত্যার পর জম্মু-কাশ্মীর জুড়ে তল্লাশি অভিযানে নেমেছে পুলিশ। দুইদিনে গ্রেপ্তার ৭০০ জন।

জম্মু ও কাশ্মীর জুড়ে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। গত দুইদিনে ৭০০জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিরা নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামাত-ই-ইসলামির সমর্থক বলে অভিযোগ। পুলিশ জানিয়েছে, ওই ব্যক্তিরা জামাতের সিমপেথাইজার। ওভারগ্রাউন্ড কর্মী হিসেবে তাদের অনেকে কাজও করতো। গোয়েন্দারা জানিয়েছে, আগামী কিছুদিনের মধ্যে আরো হত্যার ঘটনা ঘটতে পারে কাশ্মীরে। সে কথা মাথায় রেখেই ৭০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশের দাবি।

কাশ্মীরের পরিস্থিতি

গত একমাস ধরে কাশ্মীর উত্তপ্ত হয়ে আছে। তবে গত সপ্তাহে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। একের পর এক সাধারণ মানুষকে খুন করতে শুরু করে সন্ত্রাসীরা। অভিযোগ, বেছে বেছে হিন্দু পণ্ডিত এবং শিখদের খুন করা হচ্ছে। যদিও যে সাতজনকে হত্যা করা হয়েছে, তার মধ্যে মুসলিমও আছে। নিরস্ত্র সাধারণ মানুষকে খুন করে তারা কাশ্মীরে উত্তেজনা জারি রাখতে চাইছে বলে অভিযোগ।

পাঁচদিনে সাতজন খুন হওয়ার পরে নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। দিল্লিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জরুরি বৈঠক ডাকেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ভারতের এনএসএ অজিত ডোভাল। এরপরেই কাশ্মীরে একটি বিশেষ দল পাঠায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। কাশ্মীর পুলিশের সঙ্গে সেই দল তল্লাশি অভিযান শুরু করে। এরপরেই গত দুইদিনে ৭০০জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

কাশ্মীর পুলিশের এক উচ্চপদস্থ অফিসার ডিডাব্লিউকে জানিয়েছেন, আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতায় আসার পরে কাশ্মীরে উত্তেজনা বেড়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় বহু মানুষ তালেবানকে সমর্থন জানিয়ে পোস্ট করেছে। কয়েকটি সন্ত্রাসী সংগঠনও নতুন করে অ্যাক্টিভ হয়েছে। তারই জেরে একের পর এক খুনের ঘটনা ঘটতে শুরু করেছে। সাধারণ মানুষকে টার্গেট করা হচ্ছে। গত এক বছরে ২৮টি হত্যার ঘটনা ঘটেছে। তার মধ্যে সাতটি ঘটেছে গত সপ্তাহে।

রাজনৈতিক বিতর্ক

কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সাবেক দুই মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাহ এবং মেহবুবা মুফতি। দুইজনেই এই পরিস্থিতির জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের জবাব চেয়েছেন। ফারুক আবদুল্লাহের দাবি, নরেন্দ্র মোদীর এই পরিস্থিতিতে কাশ্মীরে আসা উচিত।

বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, নব্বই দশকের পর কাশ্মীর এতটা উত্তপ্ত হয়নি। নব্বইয়ের দশকে হত্যা, লড়াইয়ের ঘটনা চরম পর্যায়ে পৌঁছেছিল। ফের তেমনই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে। দ্রুত স্থানীয় নেতাদের নিয়ে বৈঠক করে এর সমাধানসূত্র খোঁজা দরকার বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

এসজি/জিএইচ (পিটিআই, এনডিটিভি)