উইগুর মুসলিমদের নির্যাতন নিয়ে চীনের গোপন নথি ফাঁস | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 17.11.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

চীন

উইগুর মুসলিমদের নির্যাতন নিয়ে চীনের গোপন নথি ফাঁস

চীন সরকারের বিপুল পরিমান গোপন নথি ফাঁস হয়েছে৷ দেশটির সিনচিয়াং প্রদেশের বসবাসরত মুসলিমদের দমনে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের নির্দেশনাসহ, কর্মকর্তাদের আচরণের বিভিন্ন তথ্য রয়েছে তাতে৷

বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা এবং বিশেষজ্ঞদের হিসাবে উইগুর এবং অন্য সম্প্রদায় মিলে চীনের পশ্চিমাঞ্চলের ক্যাম্পগুলো প্রায় ১০ লাখ মুসলমান রয়েছে৷ তাদের উপর দেশটির সরকারের মনোভাব কেমন, নিরাপত্তা বাহিনীকে কী ধররের ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে - সেটি বেরিয়ে এসেছে সদ্য ফাঁস হওয়া গোপন নথি থেকে৷ 

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক টাইমস এই নিয়ে এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে৷ ৪০৩ পৃষ্ঠার এসব নথিতে আছে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এর অপ্রকাশিত বক্তব্য, বিভিন্ন নির্দেশনা, উইগুরদের উপর নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণমূলক আচরণের বিবরণ৷ তবে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির ভিতরে মুসলমানদের উপর চালানো দমনমূলক আচরণ নিয়ে অসন্তোষও রয়েছে৷ টাইমস বলছে, দেশটির তেমনই একজন রাজনৈতিক সদস্য এইসব নথি ফাঁস করেছে৷ তার আশা এর ফলে মুসলমানদের অবরুদ্ধ করে রাখার জন্য  শি জিনপিংসহ চীনের নেতৃবৃন্দ নিন্দা থেকে আর রেহাই পাবে না৷ 

ভিডিও দেখুন 01:19

কবরস্থান সরাচ্ছে চীন, পড়ে আছে মানুষের হাড়

নথি অনুযায়ী, ২০১৪ সালে কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে দেয়া এক বক্তৃতায় শি ‘সন্ত্রাসী, অনুপ্রবেশকারী ও বিচ্ছিন্নতাবাদীদের’ স্বৈরতান্ত্রিক সব উপায়ে দমনের নির্দেশ দেন৷ বলেন তাদের প্রতি কোন ধরনের ক্ষমা যাতে প্রদর্শন করা না হয়৷ দক্ষিণ পশ্চিম চীনের একটি রেল স্টেশনে উইগুরদের হামলায় ৩১ জনের মৃত্যুর পর এই বক্তব্য দিয়েছিলেন শি৷ 

২০১৬ সালে সিনচিয়াং প্রদেশের দলীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পান চেন কুয়ানগুয়ো৷ তিনি শির নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করেন৷ তার সময়ই বাড়তে থাকে মুসলিম বন্দি ক্যাম্পের সংখ্যা৷

নথি অনুযায়ী পরিবারের নিখোঁজ সদস্যদের খুঁজতে আসলে ছাত্রদের কী বলতে হবে তার একটি নির্দেশনাও ছিলো৷ তাদের বলা হত নিখোঁজ ব্যক্তি উগ্রবাদি চিন্তার ভাইরাসে আক্রান্ত৷ ‘‘ছোট এই রোগ ভয়াবহ আকার নেয়ার আগেই তার চিকিৎসা করা প্রয়োজন৷’’

কোন কর্মকর্তা নির্দেশ অমান্য করলে তাকে পড়তে হয় শাস্তির মুখে৷ তেমনই একজন ওয়াং ইয়ংসি৷ সিনচিয়াংয়ের বিভিন্ন ক্যাম্প থেকে তিনি সাত হাজার বন্দীকে নিজ উদ্যোগে মুক্ত করে দেন৷ ২০১৭ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলে৷ এর বিস্তারিত রয়েছে নথিতে৷  

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এখনও এই বিষয়ে কোন প্রতিক্রিয়া জানায়নি৷

চীনে উইগুরদের উপর চালানো নির্যাতনের অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে দেশটির সরকার৷ উইগুরদের আটকে রাখা নয়, ক্যাম্পগুলোতে বৃত্তিমূলক শিক্ষা দেয়া হয় বলে দাবি তাদের৷ 

এফএস (এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন