ঈদের পরে শান্তি বৈঠকের প্রস্তাব তালেবানের | বিশ্ব | DW | 24.07.2020

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

ঈদের পরে শান্তি বৈঠকের প্রস্তাব তালেবানের

ভয়াবহ বিমান হামলার পরে শান্তি বৈঠকের প্রস্তাব দিল তালেবান। তবে তার আগে বন্দি প্রত্যার্পণ চুক্তি সম্পূর্ণ করতে হবে।

ফাইল চিত্র

ফাইল চিত্র

ঈদের পরেই অ্যামেরিকার মদতপুষ্ট আফগান সরকারের সঙ্গে শান্তি বৈঠকে বসতে প্রস্তুত তালেবান। তবে শর্ত হলো, তার আগে জঙ্গি প্রত্যার্পণ সম্পূর্ণ করতে হবে। টুইট করে নিজেদের বক্তব্য জানিয়ে দিল তালেবান মুখপাত্র। এর আগে একাধিকবার শান্তি বৈঠকের কথা হলেও তা নাকচ করে দিয়েছিল তালেবান। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, বুধবার রাতের এয়ার স্ট্রাইকের পরেই খানিকটা নরম হলো তালেবান।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে অ্যামেরিকার সঙ্গে তালেবান নেতৃত্বের ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তি হয়েছিল। সেই চুক্তিতে স্থির হয়েছিল, দুই তরফই আপাতত আক্রমণ স্থগিত রাখবে। বন্দি প্রত্যার্পণের পরিকল্পনাও হয়েছিল। তালেবান অ্যামেরিকা এবং আফগান সরকারের নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে পাঁচ হাজার বন্দির একটি তালিকা তুলে দিয়েছিল। অন্য দিকে নিরাপত্তা বাহিনী দিয়েছিল এক হাজার বন্দির একটি তালিকা। সূত্র জানাচ্ছে, এখনও পর্যন্ত চার হাজারের কিছু বেশি বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে কাবুল। অন্য দিকে ছয়শর সামান্য বেশি বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে তালেবান। বৃহস্পতিবার তালেবান মুখপাত্র সুহেল শাহিন জানিয়েছেন, সমস্ত বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হলে কোরবানি ঈদের পরেই কাবুলের সঙ্গে বৈঠকে বসতে রাজি তালেবান।

ভিডিও দেখুন 00:54

আবার হামলা শুরু করবে তালেবান

কাবুল অবশ্য পাঁচ হাজার তালেবানকে মুক্তি দিতে এখনও সম্মত নয়। কাবুল প্রশাসনের বক্তব্য, ওই পাঁচ হাজার বন্দির তালিকায় এমন বেশ কিছু জঙ্গির নাম আছে, যাদের ছাড়া হলেই ফের তারা যুদ্ধক্ষেত্রে চলে যাবে। কোনও ভাবেই সেই বিপজ্জনক ব্যক্তিদের ছাড়তে নারাজ আফগান প্রশাসন। কিন্তু তালেবানদের বক্তব্য, সমস্ত বন্দির মুক্তি না হলে শান্তি প্রক্রিয়া জারি রাখা অসম্ভব।

অ্যামেরিকার সঙ্গে শান্তি চুক্তি সই হলেও এখনও পর্যন্ত তালেবান সেই চুক্তি মান্য করেনি বলেই বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য। গত কয়েক মাসে প্রায় প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও আক্রমণের ঘটনা ঘটিয়েছে তালেবান। পাশাপাশি নিরাপত্তা বাহিনীও তালেবান জঙ্গিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ জারি রেখেছে। যার মধ্যে সব চেয়ে বড় ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার রাতে। অভিযোগ, নিরাপত্তাবাহিনীর বিমান হানায় আট জন সাধারণ মানুষ নিহত হয়েছেন। ওই ঘটনায় এক দিকে যেমন দেশের মধ্যেই কঠোর সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়েছে আফগান সরকারকে, অন্য দিকে তালেবানও খানিকটা কোণঠাসা হয়ে পড়েছে বলে বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য। এবং সে কারণেই ফের শান্তি বৈঠকের প্রস্তাব দিয়েছে তারা।

প্রায় ১৯ বছর ধরে আফগানিস্তানে অ্যামেরিকার মদতপুষ্ট নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে তালেবান জঙ্গিদের লড়াই চলছে। তালেবান-মার্কিন চুক্তি সেই লড়াইয়ে ইতি টানবে বলে মনে করা হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে তা ঘটেনি। তালেবানের নতুন প্রস্তাব দীর্ঘ যুদ্ধের অবসান ঘটাতে পারে কি না, তা সময়ই বলবে।

এসজি/জিএইচ (রয়টার্স)