ঈদেও শান্তি নেই, বিস্ফোরণ আফগানিস্তানে | বিশ্ব | DW | 31.07.2020

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

ঈদেও শান্তি নেই, বিস্ফোরণ আফগানিস্তানে

ঈদ উপলক্ষে তালিবান এবং আফগান প্রশাসন যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছিল। তা সত্ত্বেও বিস্ফোরণ হলো লোগার প্রভিন্সে। মৃত অন্তত ১৭।

ফের বিস্ফোরণ আফগানিস্তানে। মৃত অন্তত ১৭। তালেবানের তরফে জানানো হয়েছে, এই ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনও যোগ নেই। ইসলামিক স্টেট এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি।

বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটেছে আফগানিস্তানের লোগার প্রভিন্সে। গভর্নরের বাংলোর খুব কাছে গাড়িতে বিস্ফোরণটি ঘটে। তবে আফগান প্রশাসনের বক্তব্য, গাড়ির ভিতরে মানববোমা ছিল। লোগার প্রভিন্সে গভর্নরের বাড়ির সামনেই ঈদের বাজার বসেছিল। ঈদ উপলক্ষে সেখানে বহু মানুষ কেনাকাটা করতে বেরিয়েছিলেন। তারই মধ্যে বিস্ফোরণ ঘটে। প্রশাসন জানিয়েছে, ঘটনাস্থলেই ১৭ জনের মৃত্যু হয়। আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

ভিডিও দেখুন 00:54

আবার হামলা শুরু করবে তালেবান

ঈদ উপলক্ষে আফগান সরকারের সঙ্গে তালেবানের তিন দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হয়েছে। তা সত্ত্বেও এই ঘটনা কারা ঘটালো তা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। তালেবানের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, কোনো ভাবেই এই বিস্ফোরণের সঙ্গে তারা যুক্ত নয়। ইসলামিক স্টেট অবশ্য এখনও কোনও বিবৃতি দেয়নি। প্রশাসনের একাংশের ধারণা আইএস-ই এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত।

তালেবানের সঙ্গে আফগান প্রশাসনের স্থায়ী শান্তি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল গত ফেব্রুয়ারি মাসে। অ্যামেরিকা এবং তালেবানের শান্তি চুক্তি স্থাপনের মধ্যে দিয়ে। সেখানে ঠিক হয়েছিল আফগান-অ্যামেরিকার যৌথ বাহিনী পাঁচ হাজার তালেবানকে মুক্ত করবে। বদলে তালেবান এক হাজার বন্দিকে মুক্তি দেবে। সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়েও আচমকাই থমকে গিয়েছে। এখনো প্রায় ছয়শো তালেবানের মুক্তি বাকি। ফলে দুই পক্ষের মধ্যে যে শান্তি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল তা থমকে গিয়েছে। এরই মধ্যে আফগান প্রশাসন তালেবান অধ্যুষিত অঞ্চলে এয়ার স্ট্রাইক করেছে। তালেবানও বেশ কিছু হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে। তবে ঈদ উপলক্ষে দুই পক্ষই শান্তির বার্তা দিয়েছিল। তারই মধ্যে এই বিস্ফোরণ স্থিতাবস্থায় ব্যাঘাত ঘটালো বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এসজি/জিএইচ (রয়টার্স)