ইয়েমেনের রাজধানীতে বিমান হানা জোট বাহিনীর | বিশ্ব | DW | 01.01.2021

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ইয়েমেন

ইয়েমেনের রাজধানীতে বিমান হানা জোট বাহিনীর

ইয়েমেনে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই প্রত্যাঘাত সৌদির মধ্যস্থতায় তৈরি হওয়া জোট সরকারের। হুতি বিদ্রোহীদের দখলে থাকা রাজধানীতে বিমান হানা।

সৌদি আরবের অভিয়োগ, বুধবারের বিস্ফোরণের পিছনে ছিল হুতি বিদ্রোহীরা।

সৌদি আরবের অভিয়োগ, বুধবারের বিস্ফোরণের পিছনে ছিল হুতি বিদ্রোহীরা।

বুধবার এডেনে নতুন সরকারের মন্ত্রীরা যখন সৌদি আরব থেকে ফিরেছেন, তখনই বিমানবন্দরে বিস্ফোরণ হয়। মন্ত্রী ও সরকারি কর্মকর্তারা অক্ষত থাকলেও মারা গেছেন ২২ জন। পরে প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসের কাছেও বিস্ফোরণ হয়। সেখানেই ছিলেন মন্ত্রীরা। ঘটনার দায় স্বীকার না করলেও প্রেসিডেন্ট হাদির নেতৃত্বে জোট সরকারের অভিযোগ, এই আক্রমণের পিছনে হুতি বিদ্রোহীরাই ছিলেন। এরপর বৃহস্পতিবার হুতি-শাসিত রাজধানী সানা-তে অন্তত ১৫টি জায়গায় বোমা ফেলে বিমান বাহিনী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বিমানবন্দর সহ বিভিন্ন জায়গায় বোমা ফেলা হয়েছে। হুতি বিদ্রোহীদের টিভি চ্যানেল জানিয়েছে, অন্তত ১৫টি জায়গায় বোমা ফেলেছে বোমারু বিমান। কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা জানা যায়নি।

সৌদির মধ্যস্থতায় তৈরি সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আহমেদ বিন মুবারক সংবাদসংস্থা এএফপি-কে জানিয়েছেন, ইয়েমেনের অস্থিরতা কাটাতে সরকার তার দায়িত্ব পালন করবে। জঙ্গি আক্রমণ করে তাদের থামানো যাবে না।

ইয়েমেনে হাদি সরকারই আন্তর্জাতিক স্তরে স্বীকৃত। এই হাদি সরকারের সঙ্গে এ বার সৌদি আরবের মধ্যস্থতায় জোট হয়েছে সাদার্ন ট্রান্সিশনাল কাউন্সিলের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের। বুধবারই সব মন্ত্রী রিয়াধ থেকে এডেন এসে পৌঁছেছিলেন। তখনই বিমানবন্দরে বিস্ফোরণ হয়। সরকার এখন হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে কার্যত যুদ্ধ ঘোষণা করে দিল। ২০১৪ থেকে রাজধানী শহর হুতিদের অধীনে। হুতিদের সমর্থন করে ইরান। জোট সরকারের পিছনে আছে সৌদি আরব ও আমিরাত।

জিএইচ/এসজি(এপি, রয়টার্স)