‘ইহলোকের মঙ্গল, পরলোকের ক্ষমা’ কামনা | বিশ্ব | DW | 20.01.2013
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

‘ইহলোকের মঙ্গল, পরলোকের ক্ষমা’ কামনা

আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে রবিবার শেষ হল মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম জমায়েত বিশ্ব ইজতেমা৷ ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বেও যোগ দিয়েছেন বেশ কয়েক লাখ মুসল্লি৷ মোনাজাতে ইহলোকের মঙ্গল, পরলোকের ক্ষমা ও বিশ্বশান্তি কামনা করা হয়৷

টঙ্গীর তুরাগ তীরে লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসলমানের কন্ঠে আমিন, আল্লাহুমা আমিন ধ্বনিতে মুখরিত আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে রবিবার শেষ হলো এবারের বিশ্ব ইজতেমা৷ মোনাজাতে মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, শান্তি, সমৃদ্ধি, ইহলৌকিক ও পরলৌকিক মুক্তি এবং দিনের দাওয়াত পৌঁছে দেওয়ার তৌফিক কামনা করা হয়৷ জীবনের সব পাপ থেকে মুক্তির জন্য, পরম দয়াময় আল্লাহর দরবারে অনুনয়-বিনয় করে পানাহ ভিক্ষা করছিলেন মুসল্লীরা৷ ক্ষমা লাভের আশায় লাখো মানুষের সঙ্গে একত্রে হাত তুলতে অনেকে দূরদূরান্ত থেকে ছুটে এসেছিলেন ভোর থেকেই৷ বহু মানুষের অংশগ্রহণে ইহলোকের মঙ্গল, পরলোকের ক্ষমা, দেশের কল্যাণ, মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও বিশ্বশান্তি কামনার মধ্য দিয়ে তাবলিগ জামাতের বিশ্ব ইজতেমা শেষ হল৷

আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করেন তাবলিগ জামাতের শীর্ষ মুরব্বি ও দিল্লির নিজামুদ্দিন মসজিদের খতিব মাওলানা জোবায়রুল হাসান৷ তিনি দুপুর পৌনে ১টায় মোনাজাত শুরু করেন এবং তা চলে ১৬ মিনিট৷ মোনাজাত শুরু হতেই পুরো এলাকা জুড়ে নেমে আসে পিন পতন নীরবতাঅ খানিক পর পর শুধু ভেসে আসে আমিন, ছুম্মা আমিন, আল্লাহুম্মা আমিন৷ অনুতপ্ত মানুষের কান্নার আওয়াজে আকাশ বাতাস ভারী হয়ে ওঠে৷ জীবনের সব পাপ-তাপ থেকে মুক্তির জন্য, পরম দয়াময় আল্লাহর দরবারে অনুনয়-বিনয় করে পানাহ ভিক্ষা করছিলেন তারা৷

Bildergalerie Bangladesch Religionsfest Biswa Ijtema

রবিবার মোনাজাতে অংশ নিতে বিপুল সংখ্যক নারীকেও দেখা গেছে

গত ১১ই জানুয়ারি শুরু হয় তাবলীগের মিলনমেলা এবারের বিশ্ব ইজতেমা৷ দু'টি পর্বের মাধ্যমে রবিবার তা শেষ হল৷ মোনাজাতের আগে চলে হেদায়তি বয়ান৷ হেদায়তি বয়ান করেন ভারতের মাওলানা সাদ আহমেদ৷ এবার ইজতেমায় মোনাজাতে যোগ দেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ, স্থানীয় সংসদ সদস্য জাহিদ আহসান রাসেল, টঙ্গী পৌর মেয়র আজমত উল্লাহ খানসহ অনেকেই৷ প্রথম পর্বে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলীয় নেত্রী আখেরি মোনাজাতে অংশ নিয়েছিলেন৷

রবিবার মোনাজাতে অংশ নিতে বিপুল সংখ্যক নারীকেও দেখা গেছে৷ নির্ধারিত প্যান্ডেলের বাইরেও রাস্তায় ও আশপাশের বাড়ির ছাদে তাঁরা মোনাজাতে অংশ নিয়েছেন৷

মোনাজাত শেষ হওয়ার পরপরই বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেয়া মানুষ একযোগে নিজ নিজ গন্তব্যে ফেরার চেষ্টা করেন৷ এতে টঙ্গীর আশে-পাশের সড়ক-মহাসড়ক গুলোতে সৃষ্টি হয় ভয়াবহ যানজট৷ ফলে অনেকে পায়ে হেঁটে রওনা দেন৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন