ইস্তফার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করলেন কবীর সুমন | বিশ্ব | DW | 08.04.2010
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ইস্তফার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করলেন কবীর সুমন

তৃণমূল কংগ্রেস এবং সাংসদ পদ থেকে ইস্তফার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করলেন কবীর সুমন৷ জানালেন, মহাশ্বেতা দেবীর নির্দেশে, এবং তাঁর নির্বাচনী কেন্দ্রের তৃণমূল কর্মীদের ইচ্ছেতেই তিনি পদত্যাগ করছেন না৷

default

মহাশ্বেতা দেবীর নির্দেশেই ইস্তফার সিদ্ধান্ত পাল্টালেন কবীর সুমন

যদিও তৃণমূল নেতৃত্বের কেউ এখনও পর্যন্ত তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করার প্রয়োজন মনে করেনি৷ মহাশ্বেতা দেবী সুমন এবং মমতাকে মুখোমুখি বসে বিরোধ মিটিয়ে নেওয়ার যে পরামর্শ দিয়েছেন, তাতেও কোন সাড়া মেলেনি৷ কিন্তু কবীর সুমন জানালেন, তাঁর নির্বাচনী এলাকার কয়েকশো তৃণমূল কর্মী চিঠি লিখে তাঁকে পদত্যাগ না করতে অনুরোধ করেছেন৷ সেই জনাদেশ মাথায় নিয়ে, এবং তাঁর ‘বিবেকের নেত্রী' মহাশ্বেতা দেবীর নির্দেশ মেনে নিয়ে তিনি পদত্যাগ না করারই সিদ্ধান্ত নিলেন৷

এদিন নিজের বাড়িতে ডাকা এক সাংবাদিক সম্মেলনে সুমন বলেন, তিনি জানেন এরপর কী কী দুর্নাম তাঁর হবে৷ হয়তো বলা হবে তিনি ক্ষমতালোভী, কেউ বলবেন তিনি ওই সাংসদ পদটাই আঁকড়ে থাকতে চান, কেউ হয়তো বলবেন তিনি এরপর দর কষাকষি করে কিছু আদায় করবেন৷ সুমনের বক্তব্য, সময়ই শেষ কথা বলবে৷

এদিকে মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় সরকারি অফিসের সামনে পিকেটিং করবেন বামপন্থীরা৷ ডাকঘরও এই অবরোধের আওতায় পড়বে৷ সাধারণ লোকের যে অসুবিধে হতে পারে, বুধবার সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে আগাম সে কথা জানিয়ে রাখলেন রাজ্য বামফ্রন্টের সভাপতি বিমান বসু৷

অন্যদিকে সিটু-র রাজ্য সভাপতি শ্যামল চক্রবর্তী এদিন জানিয়ে দিলেন, পেট্রল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ১৩ এপ্রিল রাজ্যে পরিবহণ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন তাঁরা৷ শ্যামলবাবু বলেন, এতদিন মাধ্যমিক – উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা চলছিল বলে তাঁরা আন্দোলনে জাননি৷ ১২ এপ্রিল উচ্চ মাধ্যমিক শেষ হচ্ছে৷ পর দিন পরিবহণ ধর্মঘট ডেকেছেন তাঁরা৷ প্রায় একই সঙ্গে এদিন ট্যাক্সিচালকদের চারটি সংগঠন ঘোষণা করেছে, জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষিতে ট্যাক্সিভাড়া না বাড়ালে ২২ এপ্রিল থেকে লাগাতার ট্যাক্সি ধর্মঘট শুরু হবে৷

অন্যদিকে গরম পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে বিদ্যুৎ সংকট৷ বুধবার সন্ধ্যায় রাজ্য বিদ্যুৎ পর্ষদের ঘাটতির পরিমাণ ছিল ৯৫০ মেগাওয়াট, যার জেরে শিয়ালদহ মেন শাখায় ট্রেন চলাচল পর্যন্ত বিপর্যস্ত হয়৷

প্রতিবেদক: শীর্ষ বন্দ্যোপাধ্যায়

সম্পাদনা: হোসাইন আব্দুল হাই

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন