ইস্টারের আগেই লকডাউন তুলে নিতে চান ট্রাম্প | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 25.03.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

যুক্তরাষ্ট্র

ইস্টারের আগেই লকডাউন তুলে নিতে চান ট্রাম্প

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে বিশেষজ্ঞদের মতামত উপেক্ষা করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দ্রুত লকডাউন তুলে নিতে চান৷ এদিকে অর্থনীতি চাঙ্গা করতে ‘স্টিমুলাস প্যাকেজ' অনুমোদন করলো সংসদ৷

মঙ্গলবারই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে চীন ও ইটালির পর করোনা ভাইরাসের সম্ভাব্য তৃতীয় ভরকেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করেছে৷ সে দেশের কিছু অংশে সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে৷ লকডাউন সত্ত্বেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না৷ এরই মধ্যে অ্যামেরিকার অর্থনীতি নিয়ে আরো বেশি দুশ্চিন্তায় ভুগছেন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প৷ ইস্টারের ছুটির আগেই লকডাউন তুলে নেওয়া হবে, এমন ভিত্তিহীন আশা প্রকাশ করেছেন তিনি৷ সংক্রমণ এড়াতে সামাজিক দূরত্বের কড়া নিয়ম আরো শিথিল করে অন্তত কিছু কর্মীকে কাজে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে ভাবনাচিন্তা করছেন তিনি৷ জাতির উদ্দেশ্যে এক ভাষণে ট্রাম্প বলেন, তিনি সুড়ঙ্গের শেষে আলো দেখতে শুরু করছেন৷ তবে নিজের প্রশাসনের শীর্ষ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ উপেক্ষা করে তিনি সমালোচনার মুখে পড়ছেন৷

বলা বাহুল্য, গণস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে ট্রাম্পের মনোভাব একেবারেই মিলছে না৷ তাঁরা শিথিল করার বদলে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে আরো কড়া নিয়মের ডাক দিচ্ছেন৷ তাঁদের মতে, অ্যামেরিকার মানুষ নাটকীয় মাত্রায় সামাজিক দূরত্ব বজায় না রাখলে সংক্রমণ লাগামহীন হয়ে পড়বে৷ সে ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য পরিষেবা অবকাঠামো পরিস্থিতি সামলাতে পারবে না৷ উল্লেখ্য, আপাতত অ্যামেরিকায় ১৫ দিনের লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে৷ আগামী মঙ্গলবার সেই মেয়াদ শেষ হলে পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ স্থির করবেন ট্রাম্প৷

অন্যদিকে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা অ্যামেরিকার সেই সব এলাকায় নিয়ম শিথিল করার কথা ভাবছেন, যেখানে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ তেমন মারাত্মক হয়ে ওঠেনি৷ অথচ তাঁরাই আবার নিউ ইয়র্ক শহরের শোচনীয় পরিস্থিতির আলোকে সেখান থেকে বের হবার পর মানুষকে দুই সপ্তাহের কোয়ারেন্টাইনের আবেদন করছেন৷

বর্তমান সংকট সত্ত্বেও দেশের অর্থনীতি চাঙ্গা রাখতে ট্রাম্প প্রশাসন যে বিশাল স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছে, অনেক তর্ক-বিতর্কের পর সেটি সংসদের অনুমোদন পেয়েছে৷ ২০,০০০ কোটি ডলার ব্যয় করে ট্রাম্প মন্দা এড়াতে চান৷ বিশেষ করে যেসব শিল্পক্ষেত্র বর্তমান অচলাবস্থার ফলে সংকটে পড়েছে, তাদের জন্য বড় অঙ্ক ধার্য করা হতে পারে৷ তাছাড়া সরাসরি লাখ লাখ পরিবারের হাতে তিন হাজার ডলার পর্যন্ত তুলে দিতে চান ট্রাম্প৷ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের এই বছরে ভোটারদের সমর্থন তাঁর কাছে অত্যন্ত জরুরি বিষয়৷ বেকারত্ব এড়াতেও কিছু সহায়তা করা হবে৷ হাসপাতালগুলির জন্যও বড় আকারের আর্থিক সহায়তা দেবে প্রশাসন৷

এসবি/এসিবি (রয়টার্স, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন