ইসরায়েল-হামাস সহিংসতার পর গাজায় অস্ত্রবিরতি | বিশ্ব | DW | 14.11.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ইসরায়েল-হামাস সহিংসতার পর গাজায় অস্ত্রবিরতি

২০১৪ সালের পর গাজায় মঙ্গলবার ভয়াবহ সংঘাত শুরু হয়েছিল ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনীদের মধ্য৷ এর প্রেক্ষিতে অস্ত্র বিরতির ঘোষণা এলেও পরিস্থিতি এখনো শান্ত হয়নি৷

বুধবার সকালে দু' পক্ষ অস্ত্র বিরতিতে সম্মত হয়৷ হামাস বলছে মিশর এবং জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় তারা এই অস্ত্রবিরতিতে সম্মত হয়েছে৷ তবে তা তখনই কার্যকর হবে, যখন ইসরায়েলের পক্ষ থেকেও একই সংকেত পাওয়া যাবে৷

হামাসের প্রধান ইসমাইল হানিয়া বুধবার বলেছেন, ‘‘আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ইসরায়েলের আগ্রাসন থেকে ফিলিস্তিনীদের রক্ষা করা৷''

তবে হামাসের পক্ষ থেকে বক্তব্য জানা গেলেও ইসরায়েলের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি৷ কেবল ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আভিগদোর লিবারম্যান জানিয়েছেন, আজ রাতে এ বিষয়ে আলোচনা হবে৷ অবশ্য মঙ্গলবার অস্ত্রবিরতির ব্যাপারে নেতিবাচক মনোভাব জানিয়েছিলেন তিনি৷

সাম্প্রতিক এই সহিংসতার শুরু রবিবার৷সেদিন গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বিশেষ বাহিনী অভিযান চালায়৷অভিযানে হামাসের শীর্ষ কমান্ডারসহ সাত জন নিহত হয়৷  ইসরায়েলের এক সৈন্য নিহত হয়৷ গুরুতর আহত হয় একজন৷

এরপর গত দুই দিন হামাস এবং ইসলামিক জিহাদ ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চল লক্ষ্য করে অন্তত ৪৬০টি রকেট এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে৷ এতে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা কিছু ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ২৭ জন আহত হয়৷ তবে একটি রকেট পশ্চিমতীরে আঘাত হানলে একজন ফিলিস্তিনী নিহত হন৷

হামাসের হামলার জবাবে ইসরায়েল যুদ্ধবিমান গাজা উপত্যকার অন্তত ১৬০ টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে৷ একটি রকেট আঘাত হানে হামাসের আসকা টেলিভিশন কেন্দ্রে এবং তাদের নিরাপত্তা সদরদপ্তরে৷ নিহত হয় ৭ জন৷

এপিবি/এসিবি (এপি, এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন