ইসরায়েলে আমিরাতের ঐতিহাসিক সফর, ক্ষুব্ধ ফিলিস্তিন | বিশ্ব | DW | 21.10.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ইসরায়েল

ইসরায়েলে আমিরাতের ঐতিহাসিক সফর, ক্ষুব্ধ ফিলিস্তিন

এই প্রথম কোনো আরব দেশের সরকারি প্রতিনিধি দল ইসরায়েলে পা দিল। ভিসা ফ্রি যাতায়াতের চুক্তি হয়েছে ইসরায়েল-আমিরাতের।

ঐতিহাসিক ঘটনা। ইসরায়েলে এই প্রথম সরকারি সফরে গেল সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিনিধি দল। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু এই সফরকে 'ঐতিহাসিক' বলে ব্যাখ্যা করেছেন। তবে আরব আমিরাতের এই সফরের তীব্র বিরোধিতা করেছে ফিলিস্তিন । তাদের দাবি, এই সফরের মাধ্যমে আরব আমিরাত ইসরায়েলের আধিপত্যবাদ এবং দখলদারির মানসিকতাকে স্বীকৃতি দিল।

মঙ্গলবারই আরব আমিরাতের একটি প্রতিনিধি দল ইসরায়েলে পৌঁছেছে। সেই দলে আছেন আমিরাতের অর্থমন্ত্রী আবদুল্লাহ বিন তৌক আল-মারি এবং অর্থমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী ওবেইদ হুমেইদ আল-তায়ের। ইসরায়েলের সঙ্গে একাধিক চুক্তি সই করেছেন তাঁরা। আমিরাতের এই সফরে রয়েছেন মার্কিন কূটনীতিকরাও। বস্তুত, অ্যামেরিকার মধ্যস্থতায় মাসখানেক আগে আমিরাত এবং বাহরিনের সঙ্গে ঐতিহাসিক চুক্তি সই হয় ইসরায়েলের। প্রথম উপসাগরীয় অঞ্চলের কোনো আরব দেশের সঙ্গে ইসরায়েলের চুক্তি হলো। এই প্রথম ইসরায়েলে পা রাখলেন আরব দেশের কোনো সরকারি প্রতিনিধি। অ্যামেরিকা আমিরাতের এই সফরকে স্বাগত জানিয়েছে। 

ফিলিস্তিন অবশ্য আমিরাতের এই ইসরায়েল সফরের তীব্র কটাক্ষ করেছে। তাদের বক্তব্য, ইসরায়েল যে ভাবে দখলাদারি চালায়, যে ভাবে আধিপত্যবাদ বিস্তার করে বসে আছে, আমিরাত তাকে মান্যতা দিল। এর আগে বাহরাইন এবং আমিরাতের সঙ্গে ইসরায়েলের চুক্তি নিয়েও একই প্রতিক্রিয়া দিয়েছিল ফিলিস্তিন। প্যালেস্তাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের একজিকিউটিভ কমিটির সদস্য ওয়াসেল আবু ইউসুফ বলেছেন, আমিরাতের এই সফর 'লজ্জাজনক'। এর পর ইসরায়েল ফিলিস্তিনের আরো এলাকা দখলের চেষ্টা করবে। কূটনৈতিক ভাবে ইসরায়েলের অবস্থান আরও শক্ত করে দেওয়া হলো। আমিরাতের সফরের কড়া নিন্দা করেছে হামাসও। হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম বলেছেন, ওয়েস্ট ব্যাঙ্কে ইসরায়েলের জোর আরো বাড়ল। ফিলিস্তিনের মানুষের উপর ইসরায়েলের অত্যাচার এ বার নতুন মাত্রা পাবে।

এ দিকে মঙ্গলবারই ইসরায়েলের সঙ্গে পাঁচটি চুক্তি সই করেছে আমিরাত। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, অভ্যন্তীরণ বিমান পরিবহণ সহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এবং চুক্তি হয়েছে। তবে আলোচনার সব চেয়ে বড় বিষয় দুই দেশের ভিসা চুক্তি। ভিসাহীন যাতায়াতে রাজি হয়েছে দুইটি দেশ। ইসরায়েলের প্রতিবেশী দেশ জর্ডন এবং মিশরের সঙ্গে বন্ধুত্বের সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু ওই দুইটি দেশের মানুষও ভিসাহীন চলাচলের সুযোগ পান না।আমিরাতের সঙ্গে কেন এই চুক্তি হলো, তা নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে কূটনৈতিক মহলে।

এসজি/জিএইচ (এপি, রয়টার্স)