ইসরায়েলের দাবি নিরাপত্তা, ফিলিস্তিন চায় শান্তি | বিশ্ব | DW | 03.09.2010
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ইসরায়েলের দাবি নিরাপত্তা, ফিলিস্তিন চায় শান্তি

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সরাসরি আলোচনায় বসল ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের শীর্ষ নেতারা৷ মার্কিন মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটনে শুরু হওয়া এই আলোচনা গড়াল দ্বিতীয় ধাপে৷ উভয় দেশের শীর্ষ নেতা আগ্রহ দেখালেন শান্তির পথে হাঁটার৷

default

মুখোমুখি আলোচনায় আব্বাস-নেতানিয়াহু

দু'বছর পর আলোচনা

প্রায় দু'বছর পর আবারো সরাসরি আলোচনায় অংশ নিলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস৷ বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে এই আলোচনায় উঠে এসেছে দু'দেশের চাহিদার কথা৷ ইসরায়েল চায় নিরাপত্তা, আর ফিলিস্তিনিরা চায় শান্তি৷ এই আলোচনা প্রসঙ্গে মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশেষ মার্কিন দূত জর্জ মিচেল বলেন, ‘‘ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘ এবং ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে৷ প্রেসিডেন্ট আব্বাস এবং প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু সদিচ্ছা ও তাৎপর্য সহকারে আলোচনায় অংশ নেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন৷ একইসঙ্গে এই সমঝোতার সফলতার খাতিরে আলোচনার নানাদিক গোপন রাখতে সম্মত হয়েছেন উভয় নেতা৷''

Flash-Galerie Nahost Friedensgespräche in Washington

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিন্টনের সঙ্গে আলোচনায় দুই নেতা

মিচেল আরো জানিয়েছেন, আগামী সেপ্টেম্বরের ১৪ এবং ১৫ তারিখ মধ্যপ্রাচ্যে আবারো আলোচনায় বসবেন নেতানিয়াহু এবং আব্বাস৷ তবে ঠিক কোথায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি৷ মিশরের প্রেসিডেন্ট হোসনে মোবারক তাঁর দেশে পরবর্তী আলোচনা আয়োজনের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন৷

ইসরায়েলের নিরাপত্তা চান নেতানিয়াহু

বৃহস্পতিবার রুদ্ধদ্বার বৈঠকের আগে উভয় নেতাই শান্তি প্রতিষ্ঠায় তাদের ইচ্ছা পুর্নব্যক্ত করেন৷ একইসঙ্গে দৃঢ়ভাবে সপক্ষের দাবিগুলো আলোচনার টেবিলে তুলে ধরেন তাঁরা৷ নেতানিয়াহু যেকোন শান্তি চুক্তির মূলে ইসরায়েলের নিরাপত্তাকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন৷ সেইসঙ্গে সন্ত্রাসীদের হুমকিকেও আমলে নিচ্ছেন তিনি৷ বিশেষ করে গত তিন দিনে পশ্চিম তীরে সন্ত্রাসী হামলায় চার ইসরায়েলি নিহতের ঘটনাকেও তুলে ধরেন নেতানিয়াহু৷

আব্বাসের দাবি

পশ্চিম তীরে সকল প্রকার বসতি নির্মাণ বন্ধ করতে হবে ইসরায়েলকে৷ বন্ধ করতে হবে দখলদারিত্ব, যার শুরু হয়েছিল ১৯৬৭ সালে৷ শুধু তাই নয়, গাজার উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি তুলে নিতে হবে৷ ফিলিস্তিনিদের চলাফেরায় স্বাধীনতা দিতে ইসরায়েলের নিরাপত্তা চৌকি কমাতে হবে৷ এসবই দাবি আব্বাসের৷ এগুলোর নড়চড় হলে যেকোন সময় আলোচনার টেবিল থেকে উঠে যেতে প্রস্তুত তিনি৷

প্রতিবেদন: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: ফাহমিদা সুলতানা

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক