ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে অন্তত ১০৬ জনের মৃত্যু | বিশ্ব | DW | 20.11.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ইরান

ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে অন্তত ১০৬ জনের মৃত্যু

জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে ইরানে চলমান বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে ১০৬ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এ তথ্য জানিয়েছে৷

প্রাণহানির প্রকৃত সংখ্যা আরো বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে৷

জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধির ঘোষণায় গত পাঁচদিন ধরে ইরানের বিভিন্ন শহরে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে৷ এ সময় অন্তত ১০৬ জনকে হত্যা করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী৷ মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এমন তথ্য জানিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল৷ সংস্থাটি বলছে, প্রাণহানির প্রকৃত সংখ্যা এর চেয়েও বেশি হতে পারে, যা এমনকি ২০০ জনও ছাড়াতে পারে৷

‘বিশ্বাসযোগ্য বিভিন্ন প্রতিবেদনের’ প্রেক্ষিতে অ্যামনেস্টি জানিয়েছে, ২১টি শহরে আইনবহির্ভূত প্রক্রিয়ায় এইসব মানুষকে মেরে ফেলেছে ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী৷ বিক্ষোভকারীদের দমনে সরাসরি গুলি চালানো, স্নাইপার, এমনকি হেলিকপ্টার ব্যবহার করেও গুলি ছোড়া হয়েছে বলে দাবি করেছে সংস্থাটি৷

মৃতের সংখ্যা নিয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যান প্রকাশ করেনি ইরানের সরকার৷ কায়হান নামের একটি সংবাদপত্রের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এক হাজার জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ৷ তার মধ্যে নেতৃস্থানীয় কয়েকজনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হতে পারে৷

সরকারের জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণার পরপর গত শুক্রবার থেকে ইরানে বিক্ষোভ শুরু হয়৷ যানবাহনের চালকরা গাড়ি বন্ধ করে সড়ক অবরোধ করে৷ এক পর্যায়ে আন্দোলন সহিংস হয়ে ওঠে৷ প্রায় ১০০ টি শহরে ব্যাংক, সরকারি ভবন, দোকান, ইসলামিক রিপাবলিকটির প্রতীক ভাংচুর করা হয়৷ রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম দাবি করেছে আক্রমণকারীদের হামলায় রেভোলুশনারি গার্ডের অন্তত তিন সদস্য এবং দুই পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে৷

এই বিক্ষোভের জন্য বিদেশি শক্তির মদত রয়েছে বলে দাবি করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি৷

সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী, এক মাসে ৬০ লিটার পর্যন্ত জ্বালানি তেল কিনতে আগের চেয়ে ৫০ ভাগ বেশি দাম দিতে হবে৷ এর বেশি কিনতে হলে ২০০ ভাগ বেশি দাম পড়বে৷ এই অতিরিক্ত অর্থ গরিবদের জন্য খরচ করা হবে বলে জানিয়েছেন ইরানের প্রধানমন্ত্রী হাসান রুহানি৷

এফএস/এসিবি (এপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন