ইরানে ক্ষমতার লড়াই′য়ে নতুন রাউন্ড | বিশ্ব | DW | 14.05.2011
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ইরানে ক্ষমতার লড়াই'য়ে নতুন রাউন্ড

প্রেসিডেন্ট আহমদিনেজাদকে হার মানতে হচ্ছে বলেই মনে হতে পারে৷ এবার তিনি তিনজন মন্ত্রীকে বরখাস্ত করে মন্ত্রীসভার আয়তন কমানোর চেষ্টা করেছেন, সংসদ যেমনটি দাবি করেছিল৷

default

নিজের ক্ষমতা বাঁচাতে ব্যস্ত প্রেসিডেন্ট আহমদিনেজাদ

সংসদ রীতিমতো আইন করে মন্ত্রীসভার আয়তন বেঁধে দিয়েছে: মন্ত্রণালয়ের সংখ্যা ২১ থেকে কমিয়ে ১৭ করতে হবে৷ তাই এবার বাদ পড়লেন তেল মন্ত্রী, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এবং শিল্পমন্ত্রী৷ অবশ্য তাদের পদে অন্য কাউকে আনা হবে কিনা, তা এখনও স্পষ্ট নয়৷

মন্ত্রীপদ কমানো দিয়েই ইরানের নেতৃপর্যায়ে গত তিন সপ্তাহের ক্ষমতার লড়াই'এর অন্ত ঘটল কিনা, বলা শক্ত৷ অভিভাবক পরিষদ, অর্থাৎ যে শক্তিশালী পরিষদটি নির্বাচনের তত্ত্বাবধায়নের দায়িত্বে, তার প্রধান আয়াতোল্লা আহমদ জনতি শুক্রবার বলেছেন, আহমদিনেজাদের কাছ থেকে তা প্রত্যাশা করা না হলেও - সংকটের অন্ত ঘটেছে৷ যে সংকট স্বদেশে এবং বিদেশে ইরানের শত্রুদের আনন্দের কারণ ঘটিয়েছিল৷

সংকটটা শুরু, আহমদিনেজাদ গুপ্তচর বিভাগের প্রধান হায়দার মোসলেহি'কে বরখাস্ত করার চেষ্টা করার ফলে৷ সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই তা'তে তার ভেটো দেন৷ ঐ গুপ্তচর বিভাগই নির্বাচনে প্রার্থীদের অনুমোদন, অননুমোদনের দায়িত্বে৷ কাজেই আহমদিনেজাদ হয়তো ২০১২ সালের মার্চে পরবর্তী সংসদীয় নির্বাচনের আগে গুপ্তচর বিভাগের নিয়ন্ত্রণটা পুরোপুরি নিজের হাতে আনতে চেয়েছিলেন৷ খামেনেই ভেটো দেবার পর আহমদিনেজাদ গোঁসা করে জনসমক্ষ থেকে উধাও হন, মন্ত্রীসভার বৈঠক বর্জন করেন, সরকারি সফর বাতিল করেন৷ সে এক আশ্চর্য পরিস্থিতি৷

NO FLASH Ali Khamenei and Mahmoud Ahmadinejad

সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই’এর সঙ্গে আহমদিনেজাদের দূরত্ব বাড়ছে

কিন্তু আহমদিনেজাদের মুখ্য উপদেষ্টাকে নিয়ে বিরোধ তো থেকেই যাচ্ছে৷ এস্ফান্দিয়ার রহিম মাশাইয়ে হলেন ধর্মীয় সনাতনপন্থীদের যম৷ ২৫ বছর ধরে আহমদিনেজাদের সঙ্গে কাজ করছেন৷ মাশাইয়ে'র জাতীয়তাবাদী মনোভাব নাকি প্রাক-ইসলামি ইরানের কথা, উনবিংশ শতাব্দীর সেই বাবি আন্দোলনের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়৷ মোশাইয়ে নাকি একটি ‘ইরানি ইসলাম' তৈরী করার চেষ্টা করছেন, ইসলামে বহুমুখিতা প্রচলনের চেষ্টা করছেন - এই হল রক্ষণশীলদের অভিযোগ৷

প্রেসিডেন্ট আহমদিনেজাদ বরাবর তাঁর মুখ্য উপদেষ্টাকে সমর্থন করে এসেছেন৷ এবার সেটাই তাঁকে বন্ধ করতে হবে, মাশাইয়ে'র থেকে তাঁকে দূরে সরতে হবে, বলে দাবি করেছেন আয়াতোল্লা জনতি, আয়াতোল্লা মেসবাহ ইয়াজদি'র মতো প্রভাবশালী নেতারা৷

প্রতিবেদন: অরুণ শঙ্কর চৌধুরী

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়