ইরানের বায়ুসীমা এড়াচ্ছে বিমান | বিশ্ব | DW | 09.01.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ইরান

ইরানের বায়ুসীমা এড়াচ্ছে বিমান

ইরান ও ইরাকের বায়ুসীমা এড়িয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলো ভারতসহ বিশ্বের অধিকাংশ এয়ারলাইন্স৷ লুফৎহানসা তো ইরাকের সঙ্গে বিমান পরিষেবা বন্ধ বুধবার বন্ধই রেখেছিল৷

ইরানের বায়ুসীমা আর নিরাপদ নয়৷ তাই তা এড়িয়ে চলেছে বিশ্বের প্রায় সব বিমানসংস্থা৷ তেহরানে বিমান দুর্ঘটনায় ১৭৬ জনের মৃত্যু এবং ইরাকে মার্কিন সেনা ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপনাস্ত্র হানার পর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা৷ এর ফলে অনেক বিমানকে ঘুরপথে যেতে হচ্ছে৷ তাতে গন্তব্যে পৌঁছতে সময় বেশি লাগছে৷ কিন্তু নিরাপত্তার খাতিরে এই অসুবিধা মেনে নিচ্ছে বিমানসংস্থাগুলি৷ কারণ, যেভাবে ইরান প্রত্যাঘাত করেছে, তাতে আমেরিকাও আবার আঘাত হানতে পারে, এমন সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না৷ তখন ইরানকী করবে সেটাও জানা নেই৷ সে জন্য ইরান ও ইরাকের বায়ুসীমা এড়িয়ে চলাই নিরাপদ মনে করেছে বিমানসংস্থাগুলি৷ জেনারেল সোলেইমানিকে হত্যা করার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের খেসারত দিতে হচ্ছে আবিশ্ব বিমানসংস্থা ও যাত্রীদের৷

ভারতও ও ইরাকের বায়ুসীমা এড়িয়ে চলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।  এয়ার ইন্ডিয়া জানিয়েছে, নিরাপত্তার কথা ভেবে তারা ইরান ও ইরাকের বায়ুসীমা এড়িয়ে চলবে৷ এমনিতেই তেহরানের ওপর দিয়ে সাধারণত উড়ত না ভারতের বিমানগুলি৷ এবার ইরান ও ইরাকের বায়ুসীমা এড়িয়ে যাওয়ার ভারত থেকে ইউরোপ ও আমেরিকা যেতে ২০ থেকে ৪০ মিনিট বেশি সময় লাগবে৷ মধ্যপ্রাচ্যের দেশে যেতেও সময় কিছুটা বেশি লাগবে৷

 লুফৎহানসা বুধবার ইরাকে কোনও বিমান পাঠায়নি৷ তার অধীনের দুটো বিমানসংস্থাও একই পথে হেঁটেছে৷ এয়ার ফ্রান্স ও কেএলএম ইরান ও ইরাকের বায়ুসীমায় আপাতত ঢুকবে না বলে ঠিক করেছে৷  ইউরোপের বিমান সংস্থাগুলির এই সিদ্ধান্তের ফলে ১৫ হাজার যাত্রী ক্ষতিগ্রস্ত হবেন৷ কিছু গন্তব্যে যাত্রার সময় এক ঘন্টা বেশি লাগবে৷ এর ফলে বিমানসংস্থাগুলি প্রবল ক্ষতির মুখে পড়বে৷ ভাড়া বৃদ্ধির সম্ভাবনাও রয়েছে৷  এমিরেটসও দুবাই থেকে বাগদাদ যাওয়ার বিমান বাতিল করেছে৷ তারা জানিয়ে দিয়েছে, যাত্রীদের নিরাপত্তা তাঁদের কাছে অনেক বেশি জরুরি৷

এছাড়া তেহরানে ইউক্রেন এয়ারলাইন্সের বিমান কেন ভেঙে পড়ল, তার কারণ এখনও স্পষ্ট নয়৷ ইরান দাবি করেছে, দুর্ঘটনার কারণ যান্ত্রিক গোলযোগ৷ ইউক্রেন বিমানসংস্থা প্রথমে সে কথা বললেও পরে জানিয়েছে, বিস্তারিত তদন্ত না করে কারণ বলা সম্ভব নয়৷ কানাডার প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেছেন, বিমান দুর্ঘটনার তদন্তে তাঁর দেশের ভূমিকা থাকবে৷ কারণ, দুর্ঘটনায় মৃতদের মধ্য়ে ৬৩ জন কানাডার নাগরিক৷ তিনি জানিয়েছেন, দুর্ঘটনা কেন হয়েছে তা জানাটা কানাডার কাছে খুবই জরুরি৷

জিএইচ/এসজি(এপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন