ইরানেও বিক্ষোভ, কিন্তু সরকারি চাপ অনেক বেশী | বিশ্ব | DW | 14.02.2011
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ইরানেও বিক্ষোভ, কিন্তু সরকারি চাপ অনেক বেশী

মিশরের বিক্ষোভ শেষ হতে চলেছে, অন্তত আপাতত৷ ওদিকে তেহরানে অন্য দৃশ্য৷ সরকার বিরোধীরা প্রায় একই পন্থায় চেয়েছিলেন মিশরীয়দের প্রতি তাদের সংহতি জানাতে৷

default

ইরানে আজকের প্রতিবাদ বিক্ষোভের পোস্টার

আরব বিশ্বে এখন সব কর্তৃত্বমূলক সরকারই বিক্ষোভ, মিছিল, জমায়েত, এ'কথাগুলিতেই ভয় পান৷ এবং তেহরান সরকারও তার ব্যতিক্রম নন৷ তেহরানের পথে হাজার হাজার পুলিশ নামানোটাই প্রমাণ করে, প্রেসিডেন্ট আহমদিনেজাদের সরকার ঠিক কতোটা নার্ভাস৷

হাফ্ৎ-ই তির চত্বর, করিম খান এ্যাভেনিউ, ফেরদৌসি চত্বর এবং হাফেজ'এ অন্তত এক হাজার পুলিশ৷ ইমাম হুসেন চত্বরের আশেপাশে আরো এক হাজার৷ অপরদিকে বিক্ষোভকারীরা যেন শুধু পথে নেমেই তাদের প্রতিবাদ ঘোষণা করতে চাচ্ছেন৷ ছোট ছোট দলে তাদের নীরবে হেঁটে যেতে দেখা যাচ্ছে ইমাম হুসেন চত্বর থেকে এনঘেলাব'এর দিকে৷ বাকিরা জড়ো হচ্ছেন যেখানে পারছেন৷

পুলিশ বিরোধী নেতা মির হোসেইন মুসাভি'র বাড়ি প্রথম থেকেই অবরোধ করে রেখেছে৷ মুসাভির বাড়ি থেকে আসা-যাওয়ার পথ বন্ধ৷ সেখানে পুলিশের ভ্যান এবং অন্যান্য গাড়ি দাঁড়িয়ে৷ শোনা যাচ্ছে, তাঁর বাড়ির সব টেলিফোন লাইন, এমনকি মুসাভি ও তাঁর স্ত্রীর মোবাইল ফোনও কেটে দেওয়া হয়েছে৷

মুসাভি এবং অপর বিরোধী নেতা মেহদি কারুবি টিউনিশিয়া এবং মিশরে আরব বিদ্রোহের সমর্থনে সমাবেশ করতে চেয়েছিলেন৷ এবং সরকারিভাবে বিক্ষোভ প্রদর্শনের অনুমতিও চেয়েছিলেন৷ সে আবেদন নাকচ হয়েছে এই বলে যে, বিরোধীরা স্বচ্ছন্দে আরব সংহতিমূলক সরকারি বিক্ষোভে যোগদান করতে পারতো৷ এখন ইরানের বিপ্লবী রক্ষীবাহিনী এবং বাসিজ সশস্ত্র গোষ্ঠী, উভয়েই বিরোধীদের হুমকি দিয়েছে৷ বাসিজ কমান্ডার রেজা নাঘদি বলেছেন, পশ্চিমি গুপ্তচররা ইরানেও টিউনিশিয়া এবং মিশরের মতো একটি বিদ্রোহের আগুন জ্বালাতে চায়৷

২০০৯ সালের ডিসেম্বরে তেহরানে ঠিক কায়রোর মতোই সব দৃশ্যের অবতারণা ঘটেছিল৷ কিন্তু তেহরানের শাসকবর্গ তাদের পেটোয়া সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলিকে পথে নামিয়ে নির্মমভাবে সেই বিক্ষোভ দমন করেছিলেন৷ আটজন মানুষের প্রাণ যায় সেই বিক্ষোভে৷ পরে আরো দু'জনকে ফাঁসি দেওয়া হয়৷ কারাদণ্ড হয় আরো অনেকের৷ এবারও কি তার পুনরাবৃত্তি ঘটতে চলেছে? এই হল আসল প্রশ্ন৷

এবার বোধহয় বিরোধীরা এই নৃশংস নিপীড়নের সরাসরি মুখোমুখি হতে চাইবেন না৷ তবে এই যে সোশাল নেটওয়ার্কিং বিপ্লব, ফেসবুকের পাতায় তার অস্তিত্ব থেকে যাবে৷ এবং সেখান থেকেই সে আবার জন্ম নেবে৷

প্রতিবেদন: অরুণ শঙ্কর চৌধুরী

সম্পাদনা: ফাহমিদা সুলতানা

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন