ইরানি ট্যাঙ্কার জব্দ, তেহরানে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতকে তলব | বিষয় | DW | 05.07.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

সিরিয়া

ইরানি ট্যাঙ্কার জব্দ, তেহরানে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতকে তলব

ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে সিরিয়ায় তেল নেয়ার সময় ইরানের একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কার জব্দ করেছে ব্রিটিশ রয়্যাল মেরিন৷ এ ঘটনায় পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে ইরানের বিরোধ আরো বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে৷

বৃহস্পতিবার জিব্রাল্টার প্রণালীতে ইরানের তেলবাহী বিশাল ট্যাঙ্কার ‘গ্রেস ওয়ান' আটক করে ব্রিটিশ নৌ সেনারা৷

ইরানের দাবি, যুক্তরাজ্য সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে তাদের তেলবাহী জাহাজ আটক করেছে৷ ট্যাঙ্কার জব্দের ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে তেহরানে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়৷

যুক্তরাজ্যের এমন পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে মার্কিন নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন বলেছেন, ‘‘দুর্দান্ত খবর''৷ এক টুইট বার্তায় তিনি লিখেছেন, ‘‘অবৈধ বাণিজ্য বন্ধ করতে ইরান ও দামেস্কের বিরোধিতা করবে অ্যামেরিকা এবং আমাদের মিত্ররা৷''

জাহাজ জব্দ করার সময় তেলের উৎস আর জাহাজের মালিকানা নিয়ে কোনো তথ্য দেয়নি জিব্রাল্টার কর্তৃপক্ষ৷ তবে ইরান স্বীকার করেছে তেলবাহী ট্যাঙ্কারটির মালিক তারা৷ ঘটনাকে অবৈধ ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধ' হিসেবে দেখছে ইরান৷

২০১১ সালে সিরিয়ায় তেল পাঠানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ইউরোপ৷ এর আগে কখনো কোনো ট্যাঙ্কার আটকের ঘটনা ঘটেনি৷ কারণ, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মতো কঠোর অবস্থানে কখনো যায়নি ইইউ৷

ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই আক্রমণাত্মক অবস্থানকে ভিন্ন চোখে দেখছেন নিষেধাজ্ঞার ফাঁদে পড়া প্রতিষ্ঠানের আইনি পরামর্শক ম্যাথিও ওরেসম্যান৷ তার ধারণা, এই অঞ্চলে মার্কিন বাহিনী জোর করে ন্যাটো সদস্যের পাঠানোর সঙ্গে এই ঘটনার একটা যোগসাজশ থাকতে পারে৷

তিনি মনে করেন, ‘‘আমার মনে হয়, সিরিয়া ও ইরান তো বটেই, এ ঘটনা দিয়ে অ্যামেরিকাকেও একটা বার্তা দিতে চেয়েছে ইইউ৷ বোঝাতে চেয়েছে, অবরোধ আরোপের পর তদারকিতেও কতটা সিরিয়াস তারা৷ পাশাপাশি ইরানের পরমাণু কর্মসূচির ক্ষেত্রেও যে-কোনো সময় কথা বলতে পারে ইইউ৷''

নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও বন্ধুরাষ্ট্র সিরিয়াকে বরাবরই তেল দিয়ে সহযোগিতা করে ইরান৷ অথচ ইরান নিজেও অবরোধের মুখে৷ গত বছর তাদের ওপর অবরোধ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র৷ গত মাসে একটি মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করলে ইরানের ওপর আবারো কড়া নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন ট্রাম্প৷ এমনকি বিমান হামলার প্রস্তুতি নিয়েও শেষ মুহূর্তে সরে আসেন ট্রাম্প৷

টিএম/এসিবি (রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়