ইরাকে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ! | বিশ্ব | DW | 12.03.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ইরাক-যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

ইরাকে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ!

বুধবার ইরাকের তাজি বিমানঘাঁটিতে রকেট হামলায় এক ব্রিটিশ সৈন্য ও দুই মার্কিন নাগরিক নিহত হয়েছেন৷ এর কয়েক ঘণ্টা পর চালানো হামলায় ২৬ জন ইরাকি শিয়া মিলিশিয়া সদস্য প্রাণ হারান৷

তাজি বিমানঘাঁটিতে হামলায় নিহত দুই মার্কিন নাগরিকের একজন সেনাসদস্য, অন্যজন মার্কিন সেনাবাহিনীর কন্ট্রাক্টর হিসেবে কাজ করতেন৷

এখনও কোনো গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার না করলেও ওয়াশিংটনের অভিযোগ, ইরান সমর্থিত ইরাকের হাশেদ আল-শাবি গোষ্ঠী সাধারণত এ ধরনের হামলা করে থাকে৷

তাজি বিমানঘাঁটিতে হামলার কয়েক ঘণ্টা পর ইরাক সীমান্তের কাছে অবস্থিত সিরিয়ার আল-বু কামাল অঞ্চলে হামলায় ২৬ জন ইরাকি শিয়া মিলিশিয়া সদস্য প্রাণ হারান৷ সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস মনে করছে, ইরাকের বিমানঘাঁটিতে হামলার প্রতিশোধ নিতে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট এই হামলা চালিয়ে থাকতে পারে৷

এই হামলার পর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও টুইট করেছিলেন৷ তিনি লিখেছেন, ‘‘ইরাকের তাজি সামরিক ঘাঁটিতে প্রাণঘাতী হামলা সহ্য করা হবে না৷''

গত অক্টোবর থেকে ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থাপনায় প্রায় ২২টি হামলা হয়েছে৷ সামরিক ঘাঁটি ছাড়াও মার্কিন বিভিন্ন কূটনৈতিক মিশনে এসব হামলা হয়৷ এসব হামলায় একজন ইরাকি সৈন্য ও একজন মার্কিন কন্ট্রাক্টর নিহত হন৷

মার্কিন ঐ কন্ট্রাক্টর মারা যাওয়ার পর ওয়াশিংটনের হামলায় দুই ডজনেরও বেশি ইরান সমর্থিত ইরাকি মিলিশিয়া প্রাণ হারিয়েছিলেন৷

এর কয়েকদিন পর বাগদাদ বিমানবন্দরের কাছে মার্কিন ড্রোন হামলায় ইরানের কমান্ডার কাসিম সোলেইমানি ও ইরান সমর্থিক ইরাকের হাশেদ আল-শাবি গোষ্ঠীর উপ-প্রধান আবু মাহদি আল-মুহান্দিস নিহত হন৷

আল-মুহান্দিস হত্যার প্রতিশোধ নেয়ার কথা এর আগে বেশ কয়েকবার জানিয়েছে হাশেদ আল-শাবি৷

জেডএইচ/কেএম (এএফপি, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন