ইরাকে জার্মান নারীকে ফাঁসির আদেশ | বিশ্ব | DW | 22.01.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জঙ্গিবাদ

ইরাকে জার্মান নারীকে ফাঁসির আদেশ

তথাকথিত ইসলামী জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেটের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ঐ নারীকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছে ইরাকের আদালত৷ ঐ নারী তাঁর দুই কন্যাকে নিয়ে সিরিয়া ও ইরাকে গিয়ে আইএস-এ যোগ দিয়েছেন বলে স্বীকার করেছেন৷

মরোক্কান বংশোদ্ভুত ঐ জার্মান নারী বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি জঙ্গি গ্রুপটিকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ‘সহযোগিতা করেছেন’, এবং নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে ‘হামলায় অংশ নিয়েছেন’৷ এমনটিই জানিয়েছেন সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের মুখপাত্র আবদুল-সাত্তার বের্কদার৷

তিনি আরো জানান যে, ঐ নারী জার্মানি থেকে দুই কন্যাসহ প্রথমে সিরিয়া ও পরে ইরাকে যান এবং আইএস-এ যোগ দেন৷ তাঁর দুই কন্যা পরে দুই জঙ্গি সদস্যকে বিয়ে করেন৷

গত বছর ইরাকী সেনাদের মোসুল অভিযানের সময় এই নারীকে আটক করা হয়৷ এই প্রথম কোনো বিদেশি নারীকে আইএস-এ যোগ দেয়ার অপরাধে মৃত্যুদণ্ড দিল ইরাক৷ তবে ঐ নারী রায়ের বিরুদ্ধে আপীলের সুযোগ পাবেন৷

২০১৪ সালে ইরাক ও প্রতিবেশী সিরিয়ার বেশ কিছু অঞ্চল আইএস দখল করার পর শত শত বিদেশি যোদ্ধা দলটিতে যোগ দেয়৷ ইরাককে আইএসমুক্ত করার অভিযানের সময় এদের অনেকেই সেনাদের হাতে আটক হন৷

গত সেপ্টেম্বরে এক জার্মান টিনএজ তরুণী আইএসে যোগ দিয়েছে সন্দেহে মোসুলে আটকের খবর নিশ্চিত করে জার্মানির বিচার মন্ত্রণালয়৷

জার্মান নিউজ ম্যাগাজিন ‘ড্যার স্পিগেল’ রিপোর্ট করেছে যে, ঐ তরুণীকে বাগদাদে আরো তিন জার্মান নারীর সঙ্গে বন্দি করা হয়েছে, যাদের একজন মরোক্কান বংশোদ্ভুত৷

লিন্ডা নামের ঐ তরুণী এক চেচেন আইএস যোদ্ধাকে বিয়ে করেন বলে জানা গেছে৷ ধারণা করা হয়, অনেক আইএস যোদ্ধার সহধর্মিনীরা ইরাকি বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধের সময় পলায়নরত সাধারণ জনগণের সঙ্গে মিশে যান৷

ডিসেম্বরে বাগদাদকে আইএসমুক্ত বলে ঘোষণা করা হলেও রাজধানীসহ বিভিন্ন জায়গায় এখনো হামলা চালাচ্ছে জঙ্গি দলটি৷

জেডএ/এসিবি (এএফপি, এপি, ডিপিএ, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন