ইরাকে আগাম ভোটাভুটির দিনে সহিংসতা, নিহত ১৪ | বিশ্ব | DW | 05.03.2010
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ইরাকে আগাম ভোটাভুটির দিনে সহিংসতা, নিহত ১৪

নিহতের সংখ্যা কমপক্ষে ১৪, আহত ৩৩৷ ইরাকে সংসদীয় নির্বাচনের ভোটাভুটির প্রথম দিনের হিসেব এটি৷ বৃহস্পতিবার ভোট দেন ইরাকের সাড়ে নয় লাখ সেনা, পুলিশ, হাসপাতাল কর্মী আর বন্দীরা৷ মূল নির্বাচন ৭ই মার্চ৷

default

ভোট দেয়ার পর তিন পুলিশ সদস্য

মূল নির্বাচন দিন এই সেনা পুলিশরা থাকবেন নিরাপত্তায় নিয়োজিত৷ তাই তাঁদের ভোট আগে নিয়ে নিতে আগাম ভোটাভুটির এই আয়োজন৷

কিন্তু সেই ব্যবস্থার মাঝেই জঙ্গি হানা আন্তর্জাতিক মহলকে বেশ ভাবিয়ে তুলেছে৷ মার্কিন নিরাপত্তা নীতি বিশেষজ্ঞ স্টেফান বিডেল ইরাকের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আখ্যা দিচ্ছেন বিপদজনক হিসেবে৷ তিনি বলেন, আমি বলছি না এরফলে পরিস্থিতি হতাশাজনক হয়ে উঠছে৷ তবে, মার্কিন মুল্লুকের অনেকেই মনে করছে ইরাকের অবস্থা ফিরে যাচ্ছে ২০০৬, ২০০৭ সালের যুদ্ধাবস্থার মতো৷ আবার কেউ কেউ মনে করছে ইরাক সমস্যা বহুলাংশে সমাধান হয়ে গেছে৷ বিষয়টি ঠিক তেমনও নয়৷ তবে আমি মনে করি, ইরাক একটি বিপদজনক ক্রান্তিকাল পার করছে যা যেকোন দিকেই যেতে পারে৷

বৃহস্পতিবার প্রথম হামলাটি হয় বাগদাদের কেন্দ্রে, বাব আল-মোয়াজ্জেম ভোটকেন্দ্রে৷ সেখানে আত্মঘাতী হামলাকারী বিস্ফোরণ ঘটালে প্রাণ হারান কমপক্ষে সাতজন, আহত হন ১৭ জন৷

এরপর বাগদাদের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলের অপর এক ভোটকেন্দ্রে গ্রেনেড হামলা চালায় জঙ্গিরা৷ সেখানে প্রাণ হারান কমপক্ষে পাঁচ ভোটার, আহত হন অন্তত ১০ জন৷

এছাড়া ইরাকের উত্তরের শহর মাসুলে এক প্রার্থীর বাড়ির সামনে বোমা হামলায় আহত হয় নয়জন৷ স্থানীয় পুলিশ জানায়, মোসুলে দুটি রকেট হামলায় আহত হয়েছেন আরো সাত নিরাপত্তা কর্মী৷ তবে প্রাণহানির কোন খবর সেখান থেকে পাওয়া যায়নি৷

অবশ্য নিরাপত্তা পরিস্থিতির এহেন দুরবস্থার মাঝেও নির্বাচন সুষ্ঠু এবং অবাধ হবে বলে আশা করছেন ইরাকে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টোফার হিল৷ একইসঙ্গে তিনি ইরাকের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে আন্তর্জাতিক মহলকে আরো এগিয়ে আসার আহ্বান জানান৷ তিনি বলেন, আমি মনে করি আমাদের সবারই ইরাকের অন্তর্বতী সরকারের সঙ্গেও কাজ করতে হবে৷ বিশেষত অর্থনৈতিক খাতে৷ কারণ ইরাকের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি অতীতে খুবই খারাপ ছিল৷ আর তাই এর উন্নয়নে করণীয় অনেক৷

উল্লেখ্য, সাতই মার্চ ইরাকের সাধারণ নির্বাচনে অংশ নেবেন প্রায় ১৯ মিলিয়ন নিবন্ধিত ভোটার৷ নির্বাচনে প্রার্থীর মোট সংখ্যা ৬ হাজার আর ভোটকেন্দ্র ৫০,০০০ এরও বেশি৷ ২০০৩ সালে ইরাকে মার্কিন আগ্রাসনের পর দেশটিতে এটি দ্বিতীয় জাতীয় নির্বাচন৷

প্রতিবেদক: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: সুপ্রিয় বন্দোপাধ্যায়

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন