ইরাককে সামরিক সহায়তার ক্ষেত্রে ইতিবাচক জার্মানি | জার্মানি ইউরোপ | DW | 14.08.2014
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি ইউরোপ

ইরাককে সামরিক সহায়তার ক্ষেত্রে ইতিবাচক জার্মানি

ইরাক সরকারকে সামরিক সহায়তা দিতে পারে জার্মানি৷ এ নিয়ে কয়েকদিন ধরেই চলছে জল্পনা-কল্পনা৷ এক্ষেত্রে ইউরোপীয় সঙ্গীদের সঙ্গে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্রাংক-ভাল্টার স্টাইনমায়ার৷

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং আরো দুই মন্ত্রীর বক্তব্য বিদেশে সামরিক সহায়তা পাঠানোর ক্ষেত্রে জার্মানির নীতিতে পরিবর্তনের আভাস দিচ্ছে৷ অথচ সোমবার জার্মান সরকারের মুখপাত্র জানান, সংকটপূর্ণ এবং যুদ্ধ এলাকায় জার্মানি অস্ত্র রপ্তানি করে না৷ আর বিগত সরকারের এই নীতি বর্তমান সরকারও অনুসরণ করছে৷

তবে উগ্র ইসলামপন্থি সন্ত্রাসী সংগঠন ‘ইসলামিক স্টেট' বা আইএস এর নাটকীয় উত্থানের কারণে জার্মানিকে এখন বিকল্প ভাবতে হচ্ছে৷ ইরাকের উত্তরাঞ্চলে বর্তমানে বেশ কয়েক হাজার মানুষ গণহত্যার শিকার হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে৷ আর এটা প্রতিরোধ গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন জার্মানির উপ-চ্যান্সেলর সিগমার গাব্রিয়েল৷ সংখ্যালঘু ইয়াজিদি সম্প্রদায়ের মানুষদের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি বলেন, ‘‘সেখানে (ইরাকের উত্তরাঞ্চলে) গণহত্যার প্রস্তুতি চলছে৷''

ইরাকের কুর্দি অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট মাসুদ বারজানি গত রবিবার কুর্দি বাহিনীকে অস্ত্র সরবরাহের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান৷ তবে জার্মানি কুর্দিদের নয়, ইরাক সরকারকে অস্ত্র সহায়তা দেয়ার ব্যাপারে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছে৷ জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী উর্সুলা ফন ডেয়ার লাইয়েন জানান, ইরাককে ‘‘প্রাণঘাতী নয়'' এমন সামরিক সরঞ্জাম যেমন সাজোয়া যান কিংবা ‘বুবি ট্র্যাপ ডিটেকটর', হেলমেট এবং প্রতিরক্ষামূলক বর্ম প্রদান করা যেতে পারে৷ তবে সেগুলোর গ্রহণকারী হবে ইরাকি সরকার৷

জার্মানির পাবলিক ব্রডকাস্টার এআরডি-কে ফন ডেয়ার লাইয়েন বলেন, ‘‘আমরা যদি একটা গণহত্যার আশঙ্কা করি, আর সেটা যদি কেউ বন্ধে সমর্থ না হয়, তাহলে জার্মানি সেটা বন্ধে উদ্যোগ নেয়ার ব্যাপারে আলোচনা করা যেতে পারে৷''

তবে জার্মান সংসদের নিম্নকক্ষের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান নরবার্ট ব়্যোটগেন সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ইরাকে অস্ত্র সরবরাহ করা হলে তা জার্মানির অস্ত্র রপ্তানি নীতির লঙ্ঘন হবে৷ তাই তিনি এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে সংসদে আলোচনাকে গুরুত্ব দিয়েছেন৷ শুধুমাত্র সরকার এমন সিদ্ধান্ত নিতে পারে না বলেই মত তাঁর৷

উল্লেখ্য, ইরাকের উত্তরাঞ্চলে বেশ কয়েক হাজার খ্রিষ্টান, ইয়াজিদি সম্প্রদায় এবং অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ আইএস-এর ভয়ে পাহাড়ে আশ্রয় নিয়েছে৷ বর্তমানে কুর্দি সেনারা তাদের রক্ষা করছে৷ পাশাপাশি মার্কিন বাহিনী বিমান হামলার মাধ্যমে আইএস জঙ্গিদের আগ্রাসন প্রতিরোধের চেষ্টা করছে৷

এআই/ডিজি (এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন