ইন্দোনেশিয়ার সাবমেরিনটি খোঁজের সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 23.04.2021

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ইন্দোনেশিয়া

ইন্দোনেশিয়ার সাবমেরিনটি খোঁজের সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে

ইন্দোনেশিয়ার নিখোঁজ সাবমেরিন যত দ্রুত সম্ভব উদ্ধার করা প্রয়োজন বলে জানিয়েছে দেশটির নৌবিহানী৷ সাবমেরিনটির অক্সিজেন শেষ হয়ে আসছে, তাই উদ্ধারে দেরি হলে অনেক প্রাণহানির আশঙ্কা করছে তারা৷

বুধবার ভোরে কেআরআই নাংগালা-৪০২ সাবমেরিনটি ৫৩ জন আরোহীসহ নিখোঁজ হয়৷ কর্মকর্তারা বলছেন, সাবমেরিনটা যদি অক্ষত থাকে, তাহলে শনিবার সকাল পর্যন্ত এর অক্সিজেন ব্যবহার করা যাবে৷তার আগেই উদ্ধার করতে হবে এর আরোহীদের৷

 জার্মানির তৈরি সাবমেরিনটি বালি উপকূল থেকে প্রায় ৬০ মাইল দূরের পানিতে নিখোঁজ হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে৷ সাবমেরিনের সন্ধানে ৬টি যুদ্ধ জাহাজ, একটি হেলিকপ্টার এবং চারশ' ডুবুরি অভিযান চালাচ্ছে৷

অস্ট্রেলিয়া, ভারত, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর এবং যুক্তরাষ্ট্র উদ্ধারকাজে অংশ নেয়ার জন্য বিশেষ জাহাজ ও বিমান পাঠিয়েছে৷

ইন্দোনেশিয়ার নৌবাহিনী জানিয়েছে, সাবমেরিনটি  একটি প্রশিক্ষণ মহড়ায় অংশ নিয়েছিল৷ কিন্তু এরপর থেকে সেটিকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না৷

ফার্স্ট অ্যাডমিরাল জুলিয়াস উইদজোজনো এএফপিকে বলেন, ‘‘(নৌবাহিনী) সাবমেরিনটি খুঁজছে। এই অঞ্চলটি আমাদের পরিচিত, তবে এটি বেশ গভীর৷''

কয়েকটি সূত্র বলেছে, সাবমেরিনটি গভীর জলে ডুব দেওয়ার পরই  যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়৷

ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো বলেছেন, ‘‘৫৩ জন আরোহীকে নিরাপদে উদ্ধার করাটা আমাদের প্রধান লক্ষ্য৷''

ইন্দোনেশিয়ার নৌবাহিনী এরই মধ্যে কীভাবে সাবমেরিনটি ডুব দেয়ার সাথে সাথে এর বিদ্যুৎ চলে গিয়েছিল এবং কেন জরুরি ব্যবস্থা কাজ করেনি তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে,৷ নৌবাহিনীর প্রধান ইয়োদো মার্গোনো জানিয়েছেন, সাবমেরিনটি সবশেষ যে জায়গায় ছিল, সেখানে বিভিন্ন জায়গায় ছড়ানো তেল দেখা গেছে৷

ইন্দোনেশিয়ার প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ কোনি রাহাকুন্দিনি রয়টার্সকে বলেছেন, আরোহীদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা এখনো আছে৷ তবে সাবমেরিনটি যদি সমুদ্র তলদেশে ৭০০ মিটার গভীরে থাকে, তবে ভূগর্ভস্থ পানির চাপে তাদের বেঁচে থাকা কঠিন হবে৷ কারণ, সাবমেরিনের কাঠামোতে ফাটল ধরবে৷''

সাবমেরিনের আরোহীদের জন্য আশঙ্কায় সময় কাটছে স্বজনদের৷ একজন ক্রু সদস্যের স্ত্রী বের্দা আসমারা কামনা করছেন সাবমেরিনের সব আরোহী যেন বেঁচে থাকেন৷ তিনি জানান, সাবমেরিনে যাওয়ার আগে স্বামীর সাথে শেষ ভিডিও কলে কথা হয়েছিল তার৷ তার স্বামী বলেছিলেন, তারা সমুদ্রে যাচ্ছেন, তিনি যেন দোয়া করেন৷

রয়টার্স জানায়, এটি ১৯৭০-এর দশকের শেষের দিকে তৈরি করা হয়েছিল৷ মাঝখানে মেরামতের জন্য এটিকে দক্ষিণ কোরিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়৷ দুই বছর পর ২০১২ সালে এটির মেরামত কাজ শেষ হয়৷ কেআরআই নাংগালা-৪০২ ইন্দোনেশিয়ার পাঁচটি সাবমেরিনের মধ্যে একটি৷

এপিবি/এসিবি (রয়টার্স, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন