ইন্টারনেট সেন্সরশিপের শিকার আরেকটি গণমাধ্যম | বিশ্ব | DW | 21.05.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

ইন্টারনেট সেন্সরশিপের শিকার আরেকটি গণমাধ্যম

বাংলাদেশে পরিবর্তন ডটকম নামের একটি অনলাইন গণমাধ্যমের সাইট ব্লক করেছে সরকার৷ এটিকে মত প্রকাশের স্বাধীনতায় নতুন হস্তক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে৷

Symbolfoto Internetkriminalität (picture-alliance/chromorange/C. Ohde)

প্রতীকী ছবি

বাংলাদেশের প্রথম সারির অনলাইন গণমাধ্যমগুলোর একটি পরিবর্তন ডটকম-এর ওয়েবসাইট ব্লক করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে সরকারের বিরুদ্ধে৷ রোববার থেকে সাইটটিতে ঢুকতে পারছেন না দেশের ব্যবহারকারীরা৷  বিষয়টি এএফপিকে নিশ্চিত করেছেন সংবাদ মাধ্যমটির ব্যবস্থাপনা সম্পাদক আবু সুফিয়ান৷

এই প্রতিবেদন লেখার সময় জার্মানি থেকে ওয়েবসাইটটিতে প্রবেশ করা যাচ্ছিল৷ বিদেশ থেকে সাইটটিতে ঢুকতে পারার কথা ফেসবুকে একটি পোস্টে জানিয়েছেন ডয়চে ভেলের পাঠকেরাও৷ তবে বাংলাদেশ থেকে পরিবর্তন ডটকমের সাইটে প্রবেশ করা যাচ্ছে না বলে নিশ্চিত করেছেন বেশিরভাগ পাঠক৷

সরকারের নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাগুলো পরিবর্তন ডটকম বন্ধের বিষয়ে কিছু জানে না বলে এএফপির কাছে দাবি করেছে৷ তবে গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদ সংস্থাটি দাবি করছে,  জঙ্গিবাদবিরোধী সাম্প্রতিক একটি বিজ্ঞাপনের অর্থায়ন নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পরই নিরাপত্তা সংস্থা সাইটটি ব্লক করার নির্দেশনা দিয়েছে৷

সম্প্রতি ‘সম্প্রীতি বাংলাদেশ' নামের একটি সংগঠন বিভিন্ন সংবাদপত্রে একটি বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে৷ এতে ইসলামী জঙ্গি শনাক্তকরণের ২৩ টি উপায় উল্লেখ করা হয়৷ সেগুলোর কয়েকটি নিযে ব্যাপক সমালোচনা হয়৷ ইসলামী সংগঠনগুলোও এর প্রতিবাদ জানিয়েছে৷ 

নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে গত কয়েক মাসে ৫৪ টি নিউজ পোর্টাল ও ওয়েবসাইট বন্ধ করে দিয়েছে সরকার৷ সরকারের উর্দ্ধতন কর্মকর্তার যোগসাজশে তিনজন ব্যক্তি গুম হওয়ার একটি খবর প্রকাশের পর গত মার্চে কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আলজাজিরার সাইটটিতেও বাংলাদেশ থেকে প্রবেশ করা যাচ্ছিল না৷   

এদিকে গত কয়েক দিনে সরকার তিনজন অ্যাক্টিভিস্ট ও লেখককে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রপ্তার করেছে৷ কবি হেনরি স্বপন, মানবাধিকার সংস্থা ‘অধিকার'-এর কর্মী আব্দুল কাইয়ুম এবং আইনজীবী ও লেখক ইমতিয়াজ মাহমুদকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় ঢাকায় প্রতিবাদ জানিয়েছে বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠন৷

গত বৃহস্পতিবার জামিনে মুক্তি পেয়েছেন স্বপ্নন এবং মাহমুদ, তবে এখনো গ্রেপ্তার রয়েছেন কাইয়ুম৷  এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,  তৃতীয়বারের মতো দেশের ক্ষমতায় আসা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ক্রমাগত কতৃত্ববাদী আচরণের অভিযোগ উঠছে৷ ভিন্নমত পোষণকারীদের দমনে সরকার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন করেছে বলেও সমালোচনা রয়েছে৷

সুইডেনভিত্তিক গবেষক ও লেখক তাসনিম খলিল বার্তা সংস্থাটিকে বলেন, বাংলাদেশে চলতি বছর থেকে শুরু হওয়া ইন্টারনেট সেন্সরশিপ ব্যবস্থার সবশেষ শিকার হয়েছে পরিবর্তন ডটকম৷ ‘‘সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা নাখোশ হয়েছে এমন একটি প্রতিবেদনের কারণেই পরিবর্তন ডটকম বন্ধ করা হয়েছে বলে আমাকে নিরাপত্তা সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে'' বলেন ২০০৭ সাল থেকে নির্বাসিত এই সাবেক সংবাদকর্মী৷

এফএস/এসিবি (এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন